আসসালামু আলাইকুম
English Tricks and Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
English Tricks and Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই

অনেক সময় windows 7 এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে দারুণ বিড়ম্বনায় পোহাতে হয়। তাই আজ এমন একটা কোশল দেখাবো যার দ্বারা কোন সফটওয়্যার ব্যাবহার করা ছারাই windows 7 এর পাসওয়ার্ড ভাঙতে পারবেন। তো কথা আর না বারিয়ে কাজের কথায় আসাজাক ।
যা লাগবে :  windows 7 এর একটি সেটআপ ডিস্ক (বুটেবল) ।
১. প্রথমে কম্পিউটার অপেন করার পর windows 7 এর একটি সেটআপ ডিস্ক টি ঢুকিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন ।

২. সেটআপ ডিস্ক টি বুটাবেল করেন । তারপর NEXT দিন ।
21 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৩. এখন repair your computer এ ক্লিক করুন ।system recovery option না আসা পর্যন্ত  একটু অপেক্ষা করুন ।
31 500x375 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৪. system recovery option আসার পর NEXT এ ক্লিক করুন ।
41 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 51 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৫. command prompt এ ক্লিক করুন । এখন ” copy C:windowssystem32sethc.exe C: ” লিখে Enter এ হিট করেন ।
61 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 7 500x314 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 8 500x240 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৬. এখন command prompt এ আবার লিখেন ” copy C:windowssystem32cmd.exe C:windowssystem32sethc.exe ” লিখে Enter এ হিট করেন এবং “y” লিখে আবার Enter এ হিট করেন । exit লিখে Enter এ হিট করে command prompt কেটে দিন ।
91 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 101 500x181 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 112 500x164 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৭. RESTART করুন ।
122 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৮. কম্পিউটার চালু হবার পর “Shift” এ ৫ বার হিট করেন ( চাপ দেন)।  এখন “No” তে ক্লিক করুন ।
132 500x66 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 142 500x261 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৯. এখন  লিখেন ” net user (user name)<< যেমন আমার user name SHAMS >> ( any password)” তারপর Enter এ হিট করেন । আবার exit লিখে Enter এ হিট করে বের হয়ে আসেন ।
151 500x210 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 162 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
১০. এখন আপনি আপনার user name টি দিন আর password এর যায়গায় 123456( আপনি যা দিয়েছেন ) তা দিয়ে আপনার কম্পিউটার এ প্রবেশ করুন ।
171 500x265 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D

__________(0_0)__________
আমি জা জানি তাই সবার সাথে শেয়ার করতে চেস্টা করি আর সেই জানার মাঝে যদি ভুল থেকে থাকে তবে আপনাদের কাছে অনুরধ সেই ভুলটি শুধরে দেবার জন্য আমাকে সাহায্য করবেন ।

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

SOFTWARE ছাড়া লক করুন USB পোর্ট।

imagesসবাই কেমন আছেন। আমি ভালো আছি।আমি খুব প্রব্লেমের মধ্যে আছি।তো যাই হোক আজকে একটা ক্ষুদ্র টিপস শেয়ার করব।তবে বিজ্ঞ জনের প্রবেশ নিষেধ।
আনেক সময় নানা নিরাপত্তার কারনে আমাদের USB PORT লক কড়তে হয়।
দুটা বা তিনটা পদ্ধতি অবলম্বন করলে আমরা তা করতে পারি।
তো পদ্ধতি গুলি একটু দেখি। চিত্র দেখলে আপনারা বুঝে যাবেন।
MY COMPUTER-যা রাইট ক্লিক করুন-MANAGE-এ ক্লিক করুন
নিচের মত চিত্র পাবেন।
manegar
                     

 

                                                                 এবার DEVICE MANEGER-এ ক্লিক করুন।
এরপর ডানপাশে UNIVERSAL SERIAL BUS CONTROLLERS-এ ক্লিক করুন 
  ৬টা USB পোর্ট দেখতে পাবেন।
যে পোর্টটা বন্ধ করবেন তার ওপর ডবল ক্লিক করুন।
এ রকম উইন্ডো পাবেন।
vicdejlk;l'p
দেখুন উইন্ডোটির নিচের দিকে DEVICE USAGE অপশন পাবেন।
ওখানে USE THIS DEVICE(ENABLE) করা আছে।
এবার ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে (DISABLE) করে দিন।ব্যস কাজ শেষ।
কোনও কেউ না জানলে কানেক্ট করতে পারবে না।
 অনেকই জানেন তবুও দিলাম হয়ত কারও নাও জানা থাকতে পারে।
বন্ধুরা COMMENT করে উৎসাহ দিন।
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃসবাইকে ধন্যবাদঃঃঃঃঃঃঃঃঃ


বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

অনেকদিন পরে লিখতে বসেছি। অনেক কিছু ভুলে গেছি বলতে গেলে লিখার সেই স্পীড টাই হারিয়ে গেছে তবে টিউনারপেজে লিখার মত নেশা এখনো কাজ করে বরাবরের মত। যাই হক আজকের এই ট্রিকস টি আমার অনেক ফ্যান চেয়েছে জানতে অতিতে সময় হয়নি লিখার আসলে। জানি না এর মাঝে এটি নিয়ে কেউ পোস্ট করেছে কিনা। যাই হক আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনার ফেসবুক একাউন্টে থাকা বন্ধুদের গোপন ই মেইল অ্যাড্রেস খুজে বের করতে পারবেন। অনেকেই আছে যারা নিজেদের ই মেইল আইডি লুকিয়ে রাখে ফেসবুকে কিন্তু তাদের ই মেইল অ্যাড্রেস গুলো ও বের করতে পারবেন খুব সহজে। চলেন শুরু করি?
a55a52eee1c779455644663d5557808a 899x596 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন
১। লজিক টা আগে বুঝে নিন বেপারটা খুব সহজ আসলে। ফেসবুকের ই মেইল আইডি গুলো লুকুনো থাকে অনেকের যা ফেসবুক থেকে দেখা যায়না টাই আমাদেরকে ইউজ করতে হবে ইয়াহু। মানে হচ্ছে ফেসবুকের সমস্ত ই মেইল আইডি গুলো আমরা ইয়াহুতে ইম্পরট করে নিব তাহলে সব আইডি পেয়ে যাচ্ছি। ক্লিয়ার?
২) প্রথমে আপনার ইয়াহু মেইল ওপেন করুন।
yahoo1 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

৩) এবার মেইল ওপেন হলে contacts ট্যাব এ চলে যান।
yahoo2 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

৪) এবার Import contacts এ ক্লিক করুন।
৫) এখন facebook সিলেক্ট করুন।
৬) এবার একটি pop up জানালা আসবে ।
yahoo3 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন
৭) সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লগইন করুন আপনার ফেসবুক একাউন্ট যেখানের বন্ধুদের ই মেইল আইডি আপনি নিতে যান আর ফেবসুকে লইন করা থাকলে ওকে চাপুন।
৮) এবার বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগবে সকল আইডি ইম্পরট হতে। সব কিছু হয়ে গেলে ok চাপুন তাহলে নতুন একটি পেজে চলে যাবেন যেখানে আপনার ফেসবুকের সকল বন্ধুদের ই মেইল আইডি থাকবে।

যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক “Blue Screen Of Death” এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান

আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!! এখানে দেখে নিন সম্পূর্ণ সমাধান।
windows blue screen error যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
এবার চলুন নিজেই এমন একটি ফেক স্ক্রীন তৈরি করে সবাইকে একদম চমকে দেয়া যাক। এটি আসলে কারো কোন উপকার হবে না জাস্ট একটু ফান করা আরকি তবুও শেয়ার করলাম এই মজার জিনিসটি। যার সাথে এটি করবেন কছুখনের জন্য তার মাথা পুরা আউলায়া যাবে সিউর থাকেন। লল……। :p
১) প্রথমে নোটপ্যাড ওপেন করে নিজের কোডিং গুলো হুবুহ পেস্ট করুন।
@echo off

echo ^^^BSOD^ > bsod.hta

echo. >> bsod.hta

echo ^> bsod.hta

echo applicationname="BSOD"  >> bsod.hta

echo version="1.0" >> bsod.hta

echo maximizebutton="no" >> bsod.hta

echo minimizebutton="no" >> bsod.hta

echo sysmenu="no" >> bsod.hta

echo Caption="no" >> bsod.hta

echo windowstate="maximize"/^> >> bsod.hta

echo. >> bsod.hta

echo ^^>> bsod.hta echo ^ >> bsod.hta echo ^A problem has been detected and windows has been shutdown to prevent damage to your computer.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^DRIVER_IRQL_NOT_LES_OR_EQUAL^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^If this is the first time you've seen this stop error screen, restart your computer, If this screen appears again, follow these steps:^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Check to make sure any new hardware or software is properly installed. If this is a new installation, ask your hardware or software manufacturer for any windows updates you might need.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^If problems continue, disable or remove any newly installed hardware or software. Disable BIOS memory options such as caching or shadowing. If you need to use Safe Mode to remove or disable components, restart your computer, press F8 to select Advanced Startup Options, and then select Safe Mode.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Technical information:^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^*** STOP: 0x000000D1 (0x0000000C,0x00000002,0x00000000,0xF86B5A89)^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^*** gv3.sys - Address F86B5A89 base at F86B5000, DateStamp 3dd9919eb^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Beginning dump of physical memory^ >> bsod.hta echo ^Physical memory dump complete.^ >> bsod.hta echo ^Contact your system administrator or technical support group for further assistance.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^ >> bsod.hta echo ^^ >> bsod.hta

start "" /wait "bsod.hta"

del /s /f /q "bsod.hta" > nul

bsod  যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
২। এবার এটি সেভ করুন Save as দিয়ে যেকন নামে যেমন bsod.bat (লাস্ত এ অবশ্যই .bat দিতে হবে এবং সেভ করার সময় file type দিতে হবে all files)
save যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৩) কাজ শেষ এবার Double ক্লিক করুন আমাদের বানানো ফাইলের উপরে bsod.bat
bsod 2 যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৪) এবার দেখতে পারবেন আপনার কম্পিউটার এর মাঝে একটি ফেক blue screen of death
windows blue screen error1 যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৫) এটি থেকে বের হতে চাইলে ctrl+alt+delete চাপুন এবং Task Manager – Applications থেকে bsod.bat সিলেক্ট করে End Task ক্লিক করুন।
end task  যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

A টু Z কলাকৌশল এবার আপনার পিসি কে করে তুলুন গতিময়!! না দেখলে আফসোস করবেন!!!

বাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি অাজকের দিনের টিউনস। আশা করি পিসি হেল্পলাইনের বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন।হ্যা নিজে ভাল থাকুন এবং আপনার আশপাশের মানুষটিও যেন ভাল থাকে সেটাই কামনা করি। বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন কাজের তাগিদে আমরা কম-বেশী অনেকেই পিসি ব্যবহার করছি। এবং অনেকই হয়ত নতুন পিসি ক্রয় করেছি অথবা ক্রয় করব এমনটা ভাবছি।

তবে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ সমস্যাটা হল নতুন হোক কিংবা পূরাতন হোক পিসিতে ভাল পরফরম্যান্স/গতি কিংবা ভাল স্পীড পাওয়া যায়না। ফলে অনেকেই হতাশায় ভোগেন কিংবা ভাবেন পিসি ক্রয় করে হয়ত ভূল করেছেন এমনটি। অপরদিকে যদি আপনি আপনার পরিচিতজন কিংবা বন্ধুদের পিসিতে কাজ করতে গিয়ে দেখতে পান যে, ফাটাফাটি স্পীড তাহলে অনেকেই নিজের মাথার চূল পর্যন্ত ছিড়তে দ্বিধাবোধ করবেন না। যাইহোক আজকের এই পোস্টটির লেখার মূল উদ্দেশ্যই হচ্‌ছে কিভাবে আপনি আপনার পিসির কাংখিত গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন। নতুন ও পূরাতন ইউজার উভয়ের জন্য পোষ্টটি প্রযোজ্য। আরেকটি ব্যাপার যারা নতুন পিসি ক্রয় করেন সেখান ভেনডর কিন্তু শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেম বা কিছু সফট: ইনষ্টল করে কাজ শেষ করে। কিন্তু পিসির সাবলীল গতি পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে নিজেকে পিসির কাষ্টমাইজ করতে হবে এবং নিদিষ্ট কিছু টিপস মেনে চলতে হবে। আসলে পিসির পারফরমেন্স যদি নতুন কেনা পিসির মতো না হয়, তবে কার ভালো লাগে বলুন? তাইতো পিসিকে অপ্টিমাইজ করার কৌশল নিয়ে আমার এ পোস্ট।  পূর্বেই বলে নিচ্ছি ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হয়ত পিসি হেল্প লাইনে এই বিষয়ে অনেক অনেকেই অনেক পোস্ট পড়েছেন, এবং লিখেছেনও। তারপরও আশা করি আমারটা পড়লে ভুল করবেননা। এক সাথে রিভিউ করা হয়ে যাবে।

 1.Turn off auto play
কম্পিউটার ভাইরাস ছড়ানোর জন্য প্রধানত দায়ী পেনড্রাইভ। যখন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ লাগানো হয়, তখন অনেক সময় পেনড্রাইভ অটো ওপেন হয়ে যায়। ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর ভাইরাস তো কম্পিউটারকে স্লো করে ফেলে। তাই অটো প্লে বন্ধ করতে হবে।
Run→gpedit.msc→enter→user configuration→administrative templates→system→turn off auto play→enable→all drive→ok. (Windows 7 এর জন্য প্রযোজ্য নয়।)
2.Antivirus software ব্যবহার করা

ফ্রী Antivirus software এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো Avast, AVG, Avira, Zone Alarm Antivirus এটিতে নতুন ভার্সন ও ভাইরাস definition অটো আপডেট হয়। তবে বেশ কিছু লাইসেন্স এন্টিভাইরাস রয়েছে যেগুলো পিসি কিছুটা স্লো করে যেমন- নর্টন, ক্যাস্পারস্কী,জিডাটা, ম্যাকাফি ইত্যাদি। তবে যদি লাইসেন্স এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হয় তাহলে ভালোটিই ব্যবহার করুন যেমন- ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি, পান্ডা টিটানিয়াম, কুইক হেল ইত্যাদি। আসলে সকল এন্টিভাইরাস সিকিউরিটির কাজ প্রায় একই রকম। তবে ইউজার রেটিং ও পিসি পারফরম্যান্স এর দিক হতে এদের বেশ কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়। আমার অভিজ্ঞতাতে সবথেকে ইসেটই সেরা। ১০০% গ্যারান্টি এটা কোনভাবেই পিসিকে স্লো করেনা।
ইসেট সিকিউরিটি নিয়ে পূর্বে আমাদের বন্ধুটীম পিসি হেল্প লাইনে একটি পোস্ট করেছিল। আপনারা সময় হলে একটু সেখানে ঢু মারতে পারেন। লিংক- Eset Smart Security
। আরেকটি ব্যাপার যে কোন এন্টিভাইরাস ইনষ্টলের সময় কাষ্টমাইজ অপশনে রেখে ইনষ্টল করলে সবথেকে ভাল হয়। কেননা এই অপশনের সাহায্য অনেক অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেয়া যায়।
৩। আপনার এন্টিভাইরাস কি কাজ করছে?
হ্যা একটি ছোট কোডিং লিখে সহজেই পরীক্ষা করা যায় এন্টিভাইরাস সচল আছে কি!
Antivirus software এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য নিচের কোডটি নোটপ্যাড ওপেন করে কপি করে Back4uvirus.comনামে সেইভ করুন।
X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
সেইভ করার সময় এন্টিভাইরাস সতর্কবাণী দেখাতে পারে। যদি দেখায় তবে বুঝতে হবে এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে।
মনে রাথুন- এটি কোন ভাইরাস নয়, EICAR দ্বারা develop করা একটি স্ট্যান্ডার্ড ট্যাস্ট ফাইল।
 ৪।ব্রাউজারে safe browsing tool ব্যবহার করা

ইন্টারনেটে ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে  ব্রাউজারে extension যোগ করা যায়। এমন একটি extensionহলো web of trust বা সংক্ষেপে WOT. কোন ওয়েবসাইটে যদি ভাইরাস থেকে থাকে তবে এই extension ঐ ওয়েবপেইজটি ব্লক করে সতর্ক করে।
মজিলার ক্ষেত্রে Tools→add ons→get add ons এ গেলেই পাওয়া যাবে।
WOT-Safe Surfing 20120910 . অ্যাডঅন ইনষ্টল করতে ব্রাউজারে উক্ত লেখাটি পেষ্ট করলেই পেয়ে যাবেন।
ইন্সটল করলে লোকেশান বারের কাছে একটি আইকন আসবে। ভিজিটকৃত সাইটটি নিরাপদ হলে  এর রঙ হবে সবুজ।
*এছাড়া MCAFEE SITE ADVISOR ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া সবথেকে ভাল  AVG Link Scanner ব্যবহার করা। এটি সকল ব্রাউজার সাপোর্ট করে। মূলত অযথা বা সন্দেই জনক একসেস হতে সুরক্ষা দিবে। অবশ্য এই বিষয়ে অআমরা একটি পোস্ট করেছিলাম পিসিহেল্প লাইনে।
পোষ্টটি ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন- AVG Link Scanner
৫. Windows এর অপ্রয়োজনীয় ফিচার বন্ধ করা

৬. System Restore বন্ধ করা
এজন্য my computer এ right button ক্লিক করে properties, এরপর system restore এ যেতে হবে। এরপর C ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর system restore বন্ধ করতে হবে। এতে ড্রাইভগুলোতে খালি জায়গার পরিমাণ বেড়ে যাবে। (Windows 7 এ system restore বন্ধ করা থাকে)
৭. অটো চালু হওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করা
run→msconfig→ start up এ গিয়ে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম (যেমন- অ্যান্টিভাইরাস) বাদে বাকীগুলো disable করা।
৮. অপ্রয়োজনীয় সার্ভিসসমূহ বন্ধ করা
সিস্টেমের সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভিসসমূহ চালু হয়ে যাবে – এর প্রয়োজন নেই। বন্ধ করতে হলে যা করতে হবে –run→msconfig→services→অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস disable.
Hide all microsoft service এ টোগল করে রাখাই ভালো।
৯.শাটডাউনের সময় কমিয়ে দিন

1.     run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→waittokillapptimeout→double click→1000→ok
2.     run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→hungapptimeout→1000→ok
3.     run→regedit→ok→hkey_user→.default→controlpanel→desktop→waittokillapptimeout→1000→ok
4.     run→regedit→ok→hkey_local_machine→system→currentcontrolset→control→waittokillservicetimeout→1000→ok
১০. অপ্রয়োজনীয় software আনইন্সটল করা

*যে সব সফটওয়্যার সব সময় কাজে লাগে না সেগুলো অপ্রয়োজনের সময় আনইন্সটল করে রাখা। এক্ষেত্রে আমার ভালো লাগে Iobit uninstaller. এর powerful scan অপশনটি খুবই চমৎকার।
*অপ্রয়োজনীয় windows প্রোগ্রাম বন্ধ করতে Control panel→add or remove program→ add or remove windows components এ গিয়ে Accsessories & Utilities, Internet Explorer, Windows Media Player, Microsoft .NET Framework,…… ছাড়া বাকীগুলো থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিয়ে next→ok দিতে হবে।
*Windows এর গেইমস remove করতে হলে run→appwiz.cpl→ add or remove windows components→details এ ক্লিক করে games থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিতে হবে।
***আমার কাছে লক করার সফটওয়্যারগুলো অপ্রয়োজনীয়  মনে হয়। আপনার ফাইলগুলো zipped folder এ রেখে file এ গিয়ে add a password এ পাসওয়ার্ড দিলেই তো হয়ে গেলো।
***একটি চমৎকার সফটওয়্যার হচ্ছে free opener. এটি দিয়ে অনেক ধরনের ফাইল খুলা যায়।
১১.Portable software ব্যবহার করা
এগুলোতে ইন্সটলের ঝামেলা নেই, সিস্টেম ড্রাইভ এ জায়গাও দখল করে না। Portable software এর সমাহার রয়েছে www.portableapps.com এ। নিজে ও তৈরি করতে পারেন।
১২.কম সাইজ এর সফটওয়্যার ব্যবহার করা
অন্যান্য সুবিধা একই থাকলে সিস্টেম ড্রাইভে কম জায়গা দখল করে এমন সফটওয়্যার ব্যবহার
করা। যেমন- Adobe Reader (204MB) এর পরিবর্তে Foxit Reader(11MB) ব্যবহার করা।
১৩. অপ্রয়োজনীয়  ফাইল ডিলিট করা

কাজ করার সময় অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি হয়, যেগুলো ডিলিট করার ব্যবস্থা থাকেনা। তাই এগুলো ম্যানুয়্যালি ডিলিট করতে হবে।
*run→eventvwr→select application, system, ……, microsoft office sessions →action→clear all events→no
*run→ prefetch→ ok→ ctrl+A →shift+delete
*run→%temp%→ok→ select all→shift+delete
*run→temp→ok→ select all→shift+delete
*run→cleanmgr→select drive→ok
*run→recent→ ok→ select all→shift+delete
*search→ .tmp, .old→ok→ctrl+A→shift+delete.
*F3→ .bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$→ok→ctrl+A→shift+delete.
**ভালোভাবে দেখে .tmp, .old, .bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$ ফাইলগুলো ডিলিট করবেন।
১৪.হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন

আপনি ফাইল তৈরি, মডিফাই, কপি, ডিলিট করে থাকেন। ক্রমাগত এসব করা কালে অনেক ফাইল ফ্র্যাগমেন্টেড হয়ে যায়। এর ফলে ডেটাগুলো কাছাকাছি থাকেনা, ডিস্কে ছোট ছোট ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। এরকম অনেক ফাঁকা জায়গা, ফ্র্যাগমেন্টেড ফাইল তৈরি হলে, আপনার প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম চালানোর সময় ফাইল খুঁজা এবং সকল ফ্র্যাগমেন্টেড ফাইল একত্রে লোড করতে অনেক সময় লাগে। ফলে পিসির সার্বিক পারফরমেন্স খারাপ হয়ে যায়। হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করতে হলে যা করতে হবে-
*run→dfrg.msc (Windows 7 এ dfrgui)→select  hard disk drive→ defragment disk
অবশ্য আপনি বেশ কিছু থার্ডপার্টি ইউটিলিটি ডিফ্যাগ টুলস ব্যবহার করতে পারেন। এই গুলো উইন্ডোজ ডিফ্রাগ হতে সবথেকে বেশী কার্যকর। এখানে বিভিন্ন ধরনের টুলস রয়েছে যেমন- Smart Defrag, IOBIT Defrag, Auslogic Defrag ইত্যাদি।
১৫। ওয়েব ব্রাউজারের History ক্লিয়ার করা
যেকোন একটি ওয়েব পেইজ ভিজিট করলে ব্রাউজার তার একটি টেম্পোরারি ফাইল তৈরি করে। ফলে পরবর্তিতে ঐ পেইজটি ব্রাউজার নতুনভাবে লোড না করে টেম্পোরারি ফাইল ব্যবহার করে মুহূর্তেই উপস্থাপন করে। ক্ষণকালের জন্য ভালো হলেও দীর্ঘদিন টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট না করা হলে ব্রাউজার প্রথমে সবগুলো টেম্পোরারি ফাইল চেক করে এবং তদানুসারে পেইজ লোড করে। এতে ব্রাউজিং এর গতি কমে যায়, সময় বেড়ে যায়।
ডিলিট করতে হলে firefox এর ক্ষেত্রে ctrl+shift+delete→everything(time range to clear)→clear now
১৬। অতিরিক্ত ফন্ট ডিলিট করা
উইন্ডোজ সব ফন্টই স্টার্টআপের সময় মূল মেমোরিতে নিয়ে নেয়। ফলে বুটটাইম বেড়ে যায়। run→fonts এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয়  ফন্টগুলো ডিলিট করে দেয়া যায়।
**সিস্টেম ফন্ট নিয়ে তালগোল পাকানো ঠিক নয়। সিস্টেম ফন্টের লিস্ট পাওয়া যাবেhttp://www.microsoft.com/typography/default.mspx ঠিকানায়।
ছোট একটি টপিকস
Notepad খুলে mystring=(80000000) লিখে ফাইলটি ram.vbe নামে সেইভ করতে হবে। তারপর run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→(left position)menushowdelay→0→ok.
File এ গিয়ে exit করে কম্পিউটার restart করতে হবে। কম্পিউটার চালু হলে ram.vbe ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে এটি background এ কাজ শুরু করবে। ফাইলটিকে startup এ রেখে দিলে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে ফাইলটিতে ক্লিক করতে হবে না।
Desktop এর সৌন্দর্য বাড়াতে ফাইলটিকে Hidden করে রাখতে পারেন।
১৭। বাড়িয়ে নিন virtual memory

কম্পিউটারে RAM কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয় যায় এবং একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালালে হ্যাং হয়ে যায়। Virtual memory (page file) বাড়িয়ে এ সমস্যা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
RAM যখন সম্পূর্ণ হয়ে যায় তখন অতিরিক্ত memory হিসেবে virtual memory ব্যবহৃত হয়।
right button to my computer→properties→ advanced→setting of performance→advance
এখন change এ ক্লিক করলে নতুন যে window আসবে সেখানে সিস্টেম ড্রাইভ ছাড়া অন্য একটি ড্রাইভ (যেহেতু সিস্টেম ড্রাইভে কিছু virtual memory থাকেই) ক্লিক করে custom size অপশানে Initial size  এ র‍্যামের সাইজের দ্বিগুন এবং Maximum size এ চারগুন লিখে set এ ক্লিক করে ok দিয়ে computer restart করুন। জমা হওয়া page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলতে
*control panel→Administrative Tools→local Security Policy→local policies→security options→shut down : clear virtual memory page file→enable→ok.
*HKEY_LOCAL_MACHINE→system→current control set→control→session manager→memory management→disable paging executive→ভ্যালু দিতে হবে 1
অবশ্য Ram এর  চেয়ে হার্ডডিস্ক ধীরগতির।
হার্ডডিস্কে অনেক সময় গারবেজ, ব্যডসেক্টর, নিয়মিত স্ক্যান না করার ফলে ধীরগতির হয়ে যায়। ফলে দ্রুতভাবে কাজ করতে পারেনা। এই ক্ষেত্রে কাজে দিতে পারে এমন সবথেকে একটি ভাল ইউটিলিটি হচ্ছে- HDD Reggenarator. এটি কিভাবে কাজ করে, কিভাবে ব্যাড সেক্টর দূর করা যায় এই বিষয়ে অআমাদের বন্ধুটীম পূর্বে পোস্ট করেছিল।
সেটি দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন- HDD Reggenarator
 আরো কিছু নিয়মাবলী-
*ডেস্কটপে কম সংখ্যক আইকন রাখুন।
*হার্ডডিস্কের পার্টিশান সংখ্যা কম রাখুন। আমার কাছে চারটিই যথেষ্ট মনে হয়।
*মাউস কার্সারের ক্ষেত্রে ডিফল্ট কার্সার ব্যবহার করুন।
*এমন কোনো থিম ব্যবহার করুন যা ফোল্ডারের কালার পরিবর্তন করে। এক্ষেত্রে কিন্তু ভাইরাস যুক্ত ফোল্ডারের কালার পরিবর্তন হবেনা।
(ডিফল্ট হলুদ রঙের ফোল্ডার দেখতেও তো ভালো লাগেনা)
CustoPacks অথবা TuneUp Utilities এর customize windows টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।
*মাঝে মাঝে হার্ডডিস্কের error চেক করে দেখুন। properties of drive→tools→error-checking→check now button→choose your option→ok
*crack, patch একটু কম ব্যবহার করতে হবে।
*software এর আলফা , বিটা ভার্সান ব্যবহার না করাই ভালো।
*যাদের সৌন্দর্যবোধ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই, তারা ডেস্কটপে কোন থ্রিডী বা ভারী ওয়ালপেইপার না রাখলেই পারেন।
দু’টি সফটওয়্যার

অযাতিত, অপ্রয়োজনীয়  ফাইল, রেজিস্ট্রি এন্ট্রি ডিলিট করার জন্য দুইটি ভালো সফটওয়্যার হচ্ছে C Cleaner এবং Galary Utilities। এই বিষয়েও আমরা পোস্ট করেছিলম। লিংক- C Cleaner এবং Galary Utilities
Clock speed of CPU
CPU এর ক্লক স্পিড যত বেশি হবে প্রতি সেকেন্ডে পিসি তত বেশি instruction execute করতে পারবে। ক্লক স্পিড হার্জ এককে প্রকাশ করা হয়।
Register size of CPU
এটি হচ্ছে CPU’র মধ্যে মেমোরি এরিয়া। CPU যে ডেটা, ইন্সট্রাকশান প্রসেস করে সেগুলো রেজিস্টারে জমা হয়। রেজিস্টার সাইজ বলতে বুঝায় পিসি একবারে যে পরিমাণ ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে। বর্তমান পিসিগুলো 32, 64 bit registers.
Cache memory
CPU যেগুলো লোড করে সেগুলোই ধারণ করে ক্যাশ মেমোরি যা খুবই দ্রুতগতির। প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU প্রথমে প্রয়োজনীয় নির্দেশ ক্যাশ মেমোরিতে আছে কিনা চেক করে। যদি না থাকে তবে র‍্যাম হতে রিড করে এবং সাথে সাথে এর একটা কপি ক্যাশ মেমোরিতে হোল্ড করে। ফলে পরেরবার আর র‍্যাম এ যেতে হয়না। বুঝতেই পারছেন ক্যাশ মেমোরি কিভাবে সিস্টেমকে গতিময় করে তুলে।
Bus width, bus speed
কত দ্রুতগতিতে (bus speed) এবং কত বিট (bus width) ডেটা ট্রান্সমিট হতে পারবে তা বাস এর উপর নির্ভর করে।
RAM
পিসিতে যদি র‍্যাম কম থাকে তবে পিসি ঘনঘন ডেটা মুভ করতে থাকে র‍্যাম এবং হার্ডডিস্কের মধ্যে (যাকে বলে swapping)। যেটা পিসির performanceকে স্লো করে দেয়।
১৭। Acronis True-

মনে করি আপনি উপরোক্ত আলোচনা অনুযায়ী বেশ কিছু টিপসের কাজ করেছেন। এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হল-আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমকে ব্যাকআপ করে রাখা। কেননা, বলা তো যায়না কখন আপনার অপারেটিং ক্রাশ করবে বা নষ্ট হবে। তখন ইনষ্টল করতে ও পিসি সাজাতে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা মত সময় নষ্ট করতে হয়। তাছাড়া হয়ত পূর্বের সেটিংসগুলো পাওয়া যায়না। তাই এক্ষেত্রে ব্যাকআপের দরকার পড়ে। কেননা, অপারেটিং নষ্ট হলে তা ব্যাকআপ ফাইল হতে ৫-১০ মিনিটের মধ্যই উইন্ডোকে পূর্বের অবস্থাতে ফেরত আনতে পারবেন। ব্যাকআপের সবচেয়ে ভাল ইউটিলিটি হল- Acronis True

শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১২

হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

আমরা এবার keylogger দিয়ে হ্যাক করব। আমরা এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের পাস হ্যাক করতে পারব।
তাসারা মজার বিষয় টা হল এটা কন অ্যান্টিভাইরাস detect করতে সক্ষম হবে না।
এই রকম টিউন টা আমি কিছু দিন আগে করেসিলাম কিন্তু আমি চেয়েসিলাম পর্ব করে টিউন করতে তবে এখন আমি আপনাদের একবারেই মূল বিষয় টা শিখাতে চাই কারন আমার ওয়েবসাইট এ আপনারা মহা মূল্যবান keylogger আর crypter পাবেন। এগুলো এখন আমি আপনাদের দিতে পারসি না
কারন আপনিরা ব্যবহার করতে পারবেন না। সে জন্নই এই পোস্ট টি করা।আমি পরে হয়ত চেইন টিউন করব তবে এই টিউন থেকে আপনারা মূল বিষয় টা বুঝতে পারবেন আসা করি।


প্রথমে আমরা জেনে নিব keylogger কি?
Keyloggin বা Keystroke Logging হে􀇱 একটা হাড􀅪 ওয়􀆟ার অথবা একটা সফটওয়􀆟ার গত িসে􀊁ম মিনটর 􀄺যটা একটা কি􀉑উটার এর 􀆵িত 􀇅 কী 􀄺বাড􀅪
এর 􀄺􀊀াক মিনটর / পয􀅪েব􀇘ণ কের 􀄺রকড􀅪 কের ওই কি􀉑উটার এর ইউজার এর অ􀇷ােত । কীলিগং হাড􀅪 ওয়􀆟ারগত অথবা সফটওয়􀆟ারগত 􀄺যেকােনা উপােয় করা
হয় । একটা অ􀆟াি􀈥ভাইরাস এ কীলগার 􀄺ক 􀄺􀆪াজান এবং ব􀆟াকেডার িহেসেব সনা􀇏 কের ।
আমি আপনাদের কে refelect keylogger আর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েসি তবে এবার জেতার সাথে পরিচয় করাব সেতা project neptune এটা দিয়ে আপনি আরও বেসি কিছু করতে পারবেন।
ভিকটিম যে যে কাজ করবে টা আপনার কাসে চলে আসবে সাথে ডেক্সটপ আর ইমেজ অ আসবে।
তখন আপনি পেয়ে যাবেন তার সকল পাস।
আসা করি বুঝতে পেরেসেন না বুঝলে আমি আর পরের টিউন এ বিস্তারিত বলব।
এখন build up করার পালা।

ডাউনলোড করে নিন

  • run as administrator করে ওপেন করুন project neptune keylogger টা।
Screenshot 1 1 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

  • এই রকম একটা উইন্ডো ওপেন হবে।
Screenshot 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • ইমেইল setting: এ example@examplesserver.com এই ঘরে আপনার জিমেইল আইডি দিন।
  • sending email account password এ আপনার অ্যাকাউন্ট আর পাস দিন। ভয় নেই হ্যাক হবেন না এইটা এর official সাইট থেকে ডাউনলোড করা। এবার email to recive keystroke logs এ আপনার জিমেইল আইডি টিই দিন।
Screenshot 1 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • system wide এ কন কিছু পরিবর্তন করবার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • extra option এ আপনি error massage দিতে পারেন।
  • আসারা এর কন কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • এবার server creation এ কিছু কাজ করতে হবে। দাগ দেয়া জায়গায় কয়েক বার ক্লিক করুন।set server process as : এ আপনার সারভার এর নাম দিন।
  • এবার generate new server এ ক্লিক করে সারভার টি browse করে সেভ করুন।
এবার আমরা crypter এর সাথে পরিচয় হব।
Cryptography : এস􀉑েক􀅪 wikipedia বেল
Cryptography (or cryptology; from Greek κρυπτός, “hidden, secret”; and γράφειν, graphein, “writing”, or -λογία, -logia,
“study”, respectively) is the practice and study of techniques for secure communication in the presence of third parties
(called adversaries).
অথ􀅪াৎ সংে􀇘েপ তথ􀆟 􀄺গাপন বা লুকােনার প􀈝িত 􀄺ক cryptography বলা হয় । এটা আসেল এটা িবশাল িব􀇷ান । এ ব􀆟াপাের graduation certificate ও
􀄺দয়া হয়
সুরু করি কাজ আপনারা আনকে বিভিন্ন crypter পাবেন তবে কাজ করবেনা কারন অ্যান্টিভাইরাস ত আপডেট হয় তাই আমরাও  আপডেট crypter ব্যবহার করব। জাতে অ্যান্টিভাইরাস detect করতে না পারে।

this crypter download করে নিন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
এবার crypter টা ওপেন করুন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • সুধু যে যে জায়গায় দাগ দেয়া সেগুলর কাজ আমরা করব।
  • প্রথমে browse for your server hare এ আপনি যেই ফাইল যে তৈরি করলেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • browse for the stub এ আপনি এই crypter এর ফোল্ডার এ একটা stub নামে প্রোগ্রাম দেখতে পারবেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • click hare to generate এ কয়েকবার ক্লিক করুন।
  • এর ডান পাসে দাগ দেয়া দুইতি অপশন সিলেক্ট করে finilize crypter data অপশন এ যান এর পর crypt data এর মাধ্যমে crypt করুন
browse করে ফাইল টি সেভ করুন এর পাঠিয়ে দিন ভিকটিম এর কাসে।
তার পর থেকেই আপনি পেতে থাকবেন তার সবকিসু।
আর এ সব কিছু হবে গোপনে।
সবাই ভাল থাকুন। আর আমার ওয়েবসাইট আর সাথেই থাকুন।

কেও কার ক্ষতির জন্য ব্যবহার করলে আমি দায়ি না।

KNOW HACKING|NO HACKING

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More