আসসালামু আলাইকুম
Other লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Other লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ও পেনড্রাইভ ছাড়াই উইন্ডোজ ৮.১ সহ সকল উইন্ডোজ সেটআপ দিন

আমাদের কম্পিউটারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম কাজ করতে হয়।কাজের ও ভাইরাসের কারনে কম্পিউটারে সমস্যা হওয়ার কারনে প্রায়শ আমাদের উইন্ডোজ সেটআপ দিতে হয়।কিন্তু অনেকেরই সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ নষ্ট।আবার ইউএসবি দিয়েও সেটআপ দেওয়া যায় উইন্ডোজ।কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনের সময় সেই কাজের পেনড্রাইভটিও থাকে না আমাদের কাছে।এটা যে কি রকম বিরক্তিকর তা আমার মত যারা এ সমস্যায় পড়েছে তারা বুঝতে পারবে।কিন্তু অনেকেই আছে যারা জানে না যে সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ অথবা পেনড্রাইভ ছাড়াও উইন্ডোজ সেটআপ দেয়া যায়।উইন্ডোজ ৮ এবং এর আগের উইন্ডোজ সংস্করণগুলোতে পিসি চালু অবস্থায় ডিরেক্ট সেটআপ দেয়া যেত।কিন্তু উইন্ডোজ ৮.১ এ এই সিস্টেমটা নাই।মানে আপনি পিসি ওপেন রেখে সেটআপ দিতে পারবেন না।আপনার সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ অথবা পেনড্রাইভ অবশ্যই দরকার হবে।কিন্তু আমি আজকে দেখাবো যে EasyBCD নামের একটি সফটওয়্যারে দিয়ে হার্ডডিস্কে বুটেবল উইন্ডোজ তৈরি করে ওটা দিয়েই কিভাবে উইন্ডোজ সেটআপ দিবেন।এভাবে আপনি উইন্ডোজ ৮.১/৮/৭/এক্সপিসহ সব উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারবেন।যেহেতু উইন্ডোজ ৮.১ উইন্ডোজ এর নতুন সংস্করণ এবং এটি যেহেতু ডিরেক্ট পিসি থেকে সেটআপ দেয়া যায় না।তাই আমি আজকে উইন্ডোজ ৮.১ সেটআপ দিয়ে দেখাবো।এর জন্য আপনার দরকার হবে-
১।EasyBCD সফটওয়্যার
২।উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল।যাদের কাছে নেই তারা নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
Download(32 bit)
নিয়মাবলিঃ
১।যদি আপনি D: ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে চান তাহলে উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল ওই ড্রাইভে কপি করে রাখুন(অবশ্যই কোন ফোল্ডারের মধ্যে রাখবেন না।খালি জায়গায় রাখুন)।আর D: ড্রাইভে  নতুন একটা ফোল্ডার তৈরি করুন এবং উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল MagicISO/Winrar দিয়ে Extract করে ওই ফোল্ডারের মধ্যে রাখুন।ফোল্ডারটির নাম দিন win81kit।তার সাথে সাথে D: ড্রাইভে vhd নামের একটা ফোল্ডারও তৈরি করুন।ঠিক নিচের মত হবে।
২।তারপরে EasyBCD নামের সফটওয়্যারটা ওপেন করুন এবং এরকম একটা ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।
৩।Add New Entry বাটনে ক্লিক করুন।
৪।তারপরে নিচে ISO বাটনে ক্লিক করুন।
৫।Path এর খালি বক্সের দান পাশে ছোট আইকনটিতে ক্লিক করে যেখানে আপনার উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল আছে তা দেখিয়ে দিন এবং এর নাম দিন Windows 8.1 ISO।তারপরে Add Entry তে ক্লিক করুন।
৬।তারপরে Edit Boot Menu তে ক্লিক করুন নিচে Save settings এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
৭।এরপরে পিসি রিস্টার্ট দিন এবং দেখবেন অনেকগুলো অপশন দেখাচ্ছে।ওখান থেকে Windows 8.1 ISO সিলেক্ট করুন।বুট মেনু ওপেন হলে যেকোনো একটা কিবোর্ড এর বাটন প্রেস করে উইন্ডোজ সেটআপ এর সূচনা করুন।
৮।তারপরে নিচের উইন্ডোটি দেখতে পাবেন।
৯।ওখানে কিছু না করে SHIFT+F10 চেপে কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন।
১০।কমান্ড প্রম্পটে c: লিখে Enter প্রেস করুন।
১১।তারপরে লিখুন dir এবং Enter প্রেস করুন।
১২।এরপর d: লিখে Enter প্রেস করুন।
১৩।এরপর dir লিখে Enter প্রেস করুন।
১৪।cd win81kit লিখে Enter প্রেস করুন।
১৫।cd sources লিখে Enter প্রেস করুন।
১৬।তারপরে diskpart লিখে Enter প্রেস করুন।
১৭।এরপরে create vdisk file=d:\vhd\win81ent.vhd type=expandable maximum=41000 লিখে Enter প্রেস করুন।
১৮।এরপরে select  vdisk file=d:\vhd\win81ent.vhd  লিখে Enter প্রেস করুন।
১৯।attach vdisk লিখে Enter প্রেস করুন।
২০।তারপর exit লিখুন।
২১।এরপর setup লিখে Enter প্রেস করুন এবং সাথে সাথে একটা নতুন উইন্ডো ওপেন হবে।
এরপরে আমার আর কিছু বলার নাই।নরমাল নিয়মানুসারে উইন্ডোজ সেটআপ দেন।যাদের আমার টিউনের পরেও বুঝতে সমস্যা হয়েছে তারা নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন।আমি এই ভিডিওটির আদলেই সম্পূর্ণ টিউনটি করেছি।
N.B- ১।কমান্ড প্রম্পটের প্রত্যেকটা কমান্ড আমি যেভাবে দিয়েছি সেভাবে বানান ও কোথায় স্পেস আছে তা দেখে টাইপ করবেন।নাহলে ভুল কমান্ডের কারনে আবার আপনাকে টাইপ করতে হবে।
২।এভাবে আপনি একি নিয়মে সেটআপ দিয়ে অনেকগুলো উইন্ডোজ এর ভার্শন চালাতে পারেন।
৩।আমি সার্চ দিয়ে এই ধরনের কোন টিউন পাইনি।যদি পূর্বে কেউ এই ধরনের টিউন করে থাকে তাহলে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
আমার একটা প্রবলেম হচ্ছে।কেউ সমাধান দিতে পারলে উপকৃত হতাম।আমি স্ক্রিনশট নিতে পারি না।কেউ যদি একটা ভাল স্ক্রিনশট নেয়ার এবং সেই স্ক্রিনশট এডিট করার একটা সফটওয়্যারের নাম বলতেন তাহলে উপকৃত হতাম।দেখতেই পাচ্ছেন আমি ভিডিও থেকে Windows+Print Screen চেপে স্ক্রিনশট নিয়েছি।

উইন্ডোজ ৮.১ এক্টিভেট করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে

উইন্ডোজ ৮.১ এর ব্যাপারে মাইক্রোসফট সত্যিই অনেক সতর্ক ছিল । আমরা তা বুঝলাম কারন মাইক্রোসফট লিক হওয়া কী সাথে সাথে ব্লক করে দেয় ফলে স্কাইপি ব্যাবহার করে এক্টিভেট করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরেছে । যদিও আমি একটি কি পেয়েছিলাম এবং সেটি ব্যাবহার করে স্কাইপি আইডি জেনারেট করে ফেলেছিলাম । কিন্ত্য এর পরের দিন ই কী টি ব্লক হয়ে যায়।
en-INTL-L-Win-8.1-Update-WN7-00578-RM1-mnco
আজ আপনাদের সাথে এমন একটি একটিভেটর শেয়ার করবো যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজেই উইন্ডোজ একটিভ করতে পারবেন । এটি আপনার
পিসির কোন ক্ষতি করবে না । এটি আপনার সিস্টেম এর কোনো ফাইল ও রিপ্লেস করবে না কেজে এক্টিভেটর এর মতো । আপনি শুধু উইন্ডোজ
ইন্সটল করে এটি রান করুন । ব্যাস !!! আর কিছু করার দরকার নেই ।
ডাউনলোড লিঙ্ক –   এখানে ক্লিক করুন  ।।
ডাউনলোড করার নিয়ম –
aaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaa
এটি উইন্ডোজ ৭,৮,৮.১, অফিস ২০১৩ এক্টিভেট করতে সক্ষম !!! আসলেই চরম । স্কাইপির মতো এটাতে এতো ঝামেলা নেই । শুধু ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন । এর পরে দেখুন মজা !!!!! অনেকেই বলে এটি শুধু ১৫০ দিন এর জন্য এক্টিভেট করে । হ্যা কথাটা সত্য কিন্তু ১৫০ দিন পর নিজে নিজে সে আবার ১৫০ দিন এর জন্য এক্টিভেট হয়ে যাবে । নো ঝামেলা !!! আর এটি দিয়ে আপনি উইন্ডোজ আপডেট ও করতে পারবেন । এক  কথায় পুরো অরিজিনাল উইন্ডোজ ব্যাবহার এর মতো । আচ্ছা আসি যাদের এটি ইন্সটল করলেও উইন্ডোজ এক্টিভেট হয় না । আপনারা এটি ইন্সটল এর সময় উইন্ডোজ স্মার্ট স্ক্রিন অফ  রাখুন ( ইন্সটল এর পরে আবার অন করতে পারেন ) । উইন্ডোজ ইন্সটল করার জন্য এই কী টি ব্যাবহার করুনঃ
XHQ8N-CRMCJ-RQXB6-WCHYG-C9WKB
আইএসো তে না চললে নতুন কিছু দিয়ে ট্রাই করুন ।

VIDEO/AUDEO কাটা বা জয়েন করার জন্য দারুন সফটওয়্যার

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
images (1)
 আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ভিডিও ও অডিও কাট আর জয়েন করার জন্য দারুন সফটওয়্যার । এটা দিয়ে কি করা যায় সেটা তো বুঝতে পারছেন । আর যারা কনভারটার দিয়ে এই কাজ টা করেন তাদের বলে রাখি converter দিয়ে কাট বা জইয়েন করার পর সব ফাইল ই convert করতেই হয় । ফলে ফরম্যাট বা কোয়ালিটি চেঞ্জ হয়ে যায় । কিন্তু এই সফটওয়্যার টিতে আপনাদের এই সমস্যা হবে না। তাহলে যাদের দরকার তারা এখন নেই নিয়ে নেন । ডাউনলোদ নিচের লিঙ্ক থেকে ।

video/audio cut%join 

ডাউনলোড নিয়ম
Capture

শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

আপনার পিসির ইউএসবি বন্ধ করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

পরম করুণাময় মহান আল্লাহ নামে শুরু করছি । পিসির ইউএসবি হল এমন একটি ইনপুট মিডিয়া যার মাধ্যমে আমারা পিসিতে অনেক প্রয়োজনেই ডিভাইস ব্যবহার করে থাকি। ইউএসবি একটি দরকারি মিডিয়া কারন এখন সব রকম কম্পিউটার সকল আনুসাংগিক জিনিস ইউএসবি মিডিয়াদারা তৈরি হচ্ছে । ইউএসবি যেমন দরকারি জিনিস তেমনি ক্ষতিকর একটি মিডিয়া হয়া দাড়াই যখন আপানার পিসির ইউএসবি মিডিয়া দিয়ে কেও আপনার পিসিকে হ্যাক বা ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। আজ আমি আপনাদের এমন একটি জিনিস শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনারা আপনার পিসির ইউএসবি বন্ধ রাখতে পারবেন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই ।
প্রথমে আপনার পিসির রান কমান্ড এ লিখুন regedit
এরপর সিলেক্ট করুন HKEY_LOCAL_MACHINE
এরপর সিলেক্ট করুন SYSTEM
এরপর সিলেক্ট করুন CURRENT CONTROL SET
এরপর সিলেক্ট করুন SERVICES
এরপর সিলেক্ট করুন USB TOR
এবার এখানে START নামে অপশন থাকবে। আপনি যদি ইউএসবি অফফ করতে চান তাইলে start এ ডবল ক্লিক করে ৩ কে ৪ করে দিন তাইলে ইউএসবি অফফ হবে আর অন করতে চাইলে ৪ কে ৩ করে দিন।

রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩

গ্রামীনফোনের মডেম দিয়ে ব্যবহার করুন Teletalk সহ যেকোন অপারেটরের 3G

দেশীয় অপারেটর Teletalk সহ আরো ৪টি অপারেটর 3G নিয়ে এসেছে, সোশ্যাল ওয়েবসাইট গুলোতে চলছে Teletalk 3G স্পীডের জয়গান, যারাই Teletalk 3G ব্যবহার করছে তাদের প্রশংসা করে চলেছে  দেশীয় অপারেটর টেলিটকের, থ্রিজি আমাদের দেশে নতুন তাই হয়তো আমরা অনেকেই দ্বিদায় আছেন হয়তো থ্রিজির জন্য আলাদা মডেম কিনতে হবে অথবা আলাদা অপারেটরের জন্য আলাদা মডেম কিনতে হবে, বাস্তবে ধারনা ভুল ২০০৯ সালের পরে কেনা গ্রামীনফোনের সকল মডেম দিয়ে যেকোন অপারেটরের থ্রিজি ব্যবহার করা যাবে ।
আসুন দেখে নেই কিভাবে করবেন ?
আমি প্রথম থেকেই গ্রামীনফোনের মডেম দিয়েই সিটিসেল ব্যতিত সকল অপারেটরের ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসতেছি, এজন্য কোন সেটিং পরিবর্তন করার দরকার হয়নি তবে থ্রিজি ব্যবহার করা ক্ষেত্রে সামান্য সেটিং পরিবর্তন করার দরকার হবে,
আসুন দেখে নেই কিভাবে করবেন,
প্রথমে আপনি যে অপারেটরের 3G ব্যবহার করতে চান তার যেকোন একটি প্যাকেজ চালু করে মডেমে উঠিয়ে নিন ।
এবার আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত করে নিন ।
তারপর নিচের চিত্রগুলো ফলো করুন
প্রথমে Tools ক্লিক করে ড্রপডাউন মেনু থেকে Option সিলেক্ট করুন ।
option
Option সিলেক্ট করার পর যে পেজ আসবে সেখানে Network সিলেক্ট করুন,
option 1
Network সিলেক্ট করার পর দেখুন WCDMA Preferred বা অন্য কিছু সিলেক্ট করা থাকলে WCDMA Only ও All Bands সিলেক্ট করে Apply>Ok করে বের হয়ে আসুন ।
w only
এবার আপনার মডেম থেকে ২জি Network চলে যাবে ও থ্রিজি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করলে WCDMA বা HSDPA দেখাবে
3g 3
এবার আপনার মডেম কানেক্ট করে থ্রিজি উপভোগ করতে থাকুন ।
নোটঃ আপনাকে ২জিতে ফিরে যেতে আবার আগের মত Network সেটিং করতে হবে এজন্য WCDMA Preferred সিলেক্ট করে Apply>Ok করে বের হয়ে আসতে হবে

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৩

Google Play Store থেকে সরাসরি পিসি তে ডাউনলোড ।।। কোন বেপার ই না ।।।

কম্পিওটার এ Google Play Store থেকে ফ্রি এবং Trail App গুলো Download করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায়।
প্রথমে Google Chrome Browser টি Install দিন। ডাউনলোড এর প্রয়োজনে লিন্কঃ Google Chrome
অতঃপর এই Extension টি ডাউনলোড দিন এবং Unzip করুন। লিন্কঃ Google Play Store Downloader  Extension
Manually ডাউনলোডকৃত Extension টি Browser এ Add করুন ।
Manually Add করার পদ্ধতী পর্যায়ক্রমেঃ
Setting > Extension > Developer Mode > Load unpacked extension > Browse And Select the Unzip Folder > Ok
অতঃপর Extension Enable করুন। Allow in incognito লেখাটিতে টিক মার্ক দিন এবং এর পাশে থাকা Option এ ক্লিক করুন। একটি Tab আসবে। সেখনে আপনি আপনার Email Id এবং Android Device Id এবং Sim Operator দিয়ে Log in করে Save Setting দিন।
Android Device Id দুটি পদ্ধতীতে নির্নয় করতে পারেনঃ
১. *#*#8255#*#* Dial করলে পেয়ে যাবেন।
২. Android Device Id এই Software টি দিয়ে দেখতে পারেনঃ লিন্ক(Android Device Id Detector)
Log in করতে Device Id ব্যবহারের কারন, অনেক সফ্টওয়্যার Device ভেদে ভিন্ন Version এবং Size এর হয়।
কাজ শেষ। এবার Google Play Store এ আপনার প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যারটির ফ্রি অথবা Trail Version এর লিন্ক টি Address Bar কপি করে এই লিন্ক এ পেষ্ট করে Generate Download লিন্ক এ ক্লিক করুন এবং মনের সুখে ডাউনলোড করুনঃ আমি লিন্ক
উপরের সব ‍Step বাদ দিয়ে সরাসরি Google Play Store এ আপনার প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যারটির ফ্রি অথবা Trail Version এর লিন্ক টি কপি করে ঐ লিন্ক এ পেষ্ট করে Mozilla বা, অন্য যে কোন Browser দিয়ে ডাউনলোড করতে পারবেন,তবে Software টি আপনার Device এ Support দিবে কিনা Sure হতে পারবেন না।
ভাল লাগলে জানাবেন।

Google Play Store কে মামা বানান + চির মুক্তি লাইসেন্স Verify এর ঝামেলা থেকে :) !!!!! Bonus আমি Power Amp Full…

android-devices
মামা বাড়ি আর মধুর হাড়ি একই কথা অনেকের জন্য। তাই আজ আমরা Google Play Store কে মামা বানাব  ।
অনেক সফ্টওয়্যার আছে যা নেট এ লাইসেন্স সহকারে পাওয়া যায়। কিন্তু লাইসেন্স Verify হয় না।
তেমন একটি সফ্টওয়্যার হল Power Amp Music Player । যদিও lucky patcher ব্যাবহারে তা ব্যাবহার করা যায়, কিন্তু মাঝে মাঝে সমস্যা দেয়। বিশেষ করে Unroot করলে।
Power Amp সম্পর্কে বলার কিছু নেই। এটিতে সকল ফরমেট Support করে, যা অন্য Player গুলোতে করে না।
বিস্তরিত : Power Amp
Google play store কে মামা বানাতে লাগবে Modify Google play store. আজকের পর মামা সব Verify করে দিবে।
আপনার সেটটি অবশ্যই Root করা থাকতে হবে।
1. প্রথমে Modified Google Play Store (GooglePlay.Installer.apk) টি Install দিন।
2. অতঃপর এটি  “Installer cracked GooglePlay” মেনু থেকে Run করুন।
3.” Modded Google Play 4.2.9 (Android 2.2 or Up)” Select করে “Install and Reboot” এ ক্লিক করুন।
4. Restart হবার পর Internet Enable করুন।
5. “PowerAMP Unlocker.apk” Install দিন। Run করবেন না।
6. Install “PowerAMP v2.0.9.apk” এবং Run করুন লাইসেন্স Verify এর জন্য।
আপনি চাইলে এখন Power Amp unlocker টি রান করে হাইড Option ব্যাবহার করতে পারেন।
আর একটি কথা,অতঃপর কখনো সেট Factory Reset দিলেও আর Modded Google Play Install দিতে হবে না। শুধু লগইন করুন।
কাহিনি খতম  । Hi, Goolge play store Mama.What’s Up ?
সবার সুবিধার্তে সংক্ষেপে পদ্ধতিটি দিলামঃ
1.) Install “GooglePlay.Installer.apk”
2.) Run “Installer cracked GooglePlay” and press “Install and Reboot”.
3.) Enable Internet.
4.) Install “PowerAMP Unlocker.apk”
5.) Install “PowerAMP v2.0.9.apk”
6.) Run “PowerAMP”. Done.
কেও যদি Lucky Patcher ব্যাবহার করতে চান নিম্নের পদ্ধতি অনুসরন করুনঃ
1. Install Poweramp Music Player (Trial) v2.0.7 build-510 APK And Lucky Patcher  . Don’t Run.
2. Install Poweramp Full Version Unlocker v1.1-build-12 APK . Don’t Run.
3. Run Poweramp Music Player
4. Run LuckyPatcher > Apply ‘Custom patch’ > select ‘patch.by.sanx_com.maxmpz.audioplayer. Reboot and Lunch Power Amp again.
5. Don’t Run The unlocker.
Download এর জন্যঃ আমি এখানে

বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৩

আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন

আপনারা title দেখে নিস্চয় বুঝতে পেরেছেন যে আজ আমি আপনাদের কি শিখাবোবর্তমানে আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করি তাদের অধিকাংশরই ফেসবুক আইডির পাসাপাসি ১ টি বা তার অধিক blog রয়েছেআর এর বেশিরভাগই ফ্রী তে তৈরী করাফ্রীতে তৈরী করতে সাধারণত WordPress, Blogspot, Weebly & Tumblar ব্যাবহার করা হয়আর বাংলাদেশে এই গুলোর মধ্যে WordPress & Blogspot বেশী পপুলারআমি আজ ২ বছর জাবত Tunerpage Regular Readerবাংলা লিখায় কাঁচা বলে কুনো post করতে পারিনি।আমি আজ পর্জন্ত সুধু দেকছিসবাই সুধু WordPress এর Backup অথবা Blogspot এর template backup সম্পর্কে লিখেকেউই post গুলো backup সম্পর্কে লিখে না আর হয়তো বা লিখে থাকতে পারে কিন্তু কুনো কারনে আমি হয়তো নাও দেখতে পারি(আর যদি এমনটিই হয় তবে আমাকে মাফ করবেন অযথা গালি দিবেন নাকারণ আপনার  প্রতিটি গালির মুল্য অনেককেননা আমাদেরপুর্ব পুরুষেরা বলে গেছেন “আমরা যতো কথা বলি তার সাথে সাথে আমাদের আয়ু কমতে থাকে ” তো অযথা গালি দিয়ে আয়ু কমিয়ে লাভ কি? :p ) ওই সব কথাবাদ দি চলুন কাজের কথাই আসিআমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা অনেক কষ্ট করে Blog তৈরী করে Customize করেন। কিন্তু নানান কারণে আমাদের এই প্রিয় Blog টি নষ্ট বা Delete হয়ে যেতে পারে। যেমন ধরুন আপনার Email ID টা কেউ Hack করল বা কুনো কারণে Copyright Case পড়েAutomatically delete হয়ে গেল যা Google এখন নিজেই তা করে থাকে। আর এই রকম যদি হয় তা হলে আপনার অবস্তা ঠিক ২ বার Heart Attack গ্রস্ত ব্যাক্তির মত হবে যদি আপনার মনোবল মজবুত থাকে তা হলে আপনি বেঁচে জাবেন অর্থাৎ আপনার Blog এর Backup নেওয়া না থাকে তাহলে আপনি তা সহজে ফীরে পাবেন।আর যদি আপনার মনোবল দুর্বল থাকে তা হলে হায় হায় করা ছাড়া উপায় থাকবে না অর্থাৎ যদি আপনার Blog এর Backup নেওয়ানা থাকে তা হলে এতো কষ্ট সব বৃথা। তো আমাদের সবারই Backup নিয়ে রাখা উচিৎ।  Blogspot এরblog কে Backup নেয়ার জন্যআমাদের ৯টি Step follow করলেই হইয়াযাবে
প্রথমে Blogspot এ গিয়ে emailআর password দিয়ে login করেন

১)এই বার dashboard এ আসার পর আপনার যে blog টি backup নিবেন সেটি select করুনঠিক নিচের চিত্রের মতো যেমনঃ আমি Otaku’s Junction select করব।
২) এবার settingsclickকরুন
 

2 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
৩) তারপর otherএ যান।
3 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
) এখন নিচে নামুন ২নং Arrow মতন ।

4 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
৫)এখন Export blogclickকরেন
5 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
৬)তারপর Download Blogclick করেন
6 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
৭)এখন Okতে clickকরেন
7 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
) এই বার downloadচালু হবেpost যতো বেশি হবে file ও ততো বড় হবে
8 আপনার Blogspot blog টির Post গুলোর সম্পূর্ণ Backup নিন
) এবার download complete হলে আপনার computer এর download folder এগিয়ে দেখুন fileটি save হয়ে গেছে

১০)ব্লগটি RecoverকরতেImport BlogClickকরে,File টিপুনঃরাই Upload করেদিন।

উইন্ডোজ ৮ কাজ করতে সক্ষম কিনা সেটা জানতে হার্ডওয়্যারের কম্প্যাটিবিলিটি চেক করুন

আপনার পিসির সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের সাথে উইন্ডোজ ৮-এর সামঞ্জস্য(কম্প্যাটিবিলিটি) আছে কিনা দেখে নিন। অর্থাৎ আপনার পিসি উইন্ডোজ ৮-এর সাথে কাজ করতে সক্ষম কিনা সেটা আপনি জানতে পারবেন কম্প্যাটিবিলিটি চেক করার মাধ্যমে। খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে।
প্রথম ধাপঃ
প্রথমে আপনার ব্রাউজার থেকে মাইক্রোসফটের এই সাইটে প্রবেশ করুন।
দ্বিতীয় ধাপঃ
আপনি টপ বার-এ বিশেষ কোন প্রোডাক্ট খুঁজতে পারেন আর সাইড বারে ‘প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি’ নির্বাচন করতে পারেন।
তৃতীয় ধাপঃ
যখন ফলাফল দেখাবে তখন আপনি দেখতে পারবেন কোন নির্দিষ্ট ডিভাইস বা প্যাকেজ আপনার পিসির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। উপরে ডানদিকে অপশন থাকবে, সেখান থেকে সিলেক্ট করুন আপনার পিসিটি ৩২বিট না ৬৪বিট ভার্সনের।
Compatibility Center 500x300 উইন্ডোজ ৮ কাজ করতে সক্ষম কিনা সেটা জানতে হার্ডওয়্যারের কম্প্যাটিবিলিটি চেক করুন
চতুর্থ ধাপঃ
আপনি যদি আপনার পিসিতে সংযুক্ত হার্ডওয়্যারগুলির নাম এবং মডেল নিশ্চিতভাবে না জানেন, সেক্ষেত্রে কন্ট্রোল প্যানেল থেকে “হার্ডওয়্যার এন্ড সাউন্ড” সিলেক্ট করুন। তারপর সিলেক্ট করুন “ডিভাইস ম্যানেজার”। তাহলে আপনি পিসিতে সংযুক্ত সবগুলি ডিভাইসের লিস্ট দেখতে পাবেন।
এবার লিস্টের সবগুলি ডিভাইস এবং হার্ডওয়্যার উইন্ডোজ ৮-এর সাথে কাজ করার জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা (কম্প্যাটিবিলিটি আছে কিনা) দেখে নিন উপরের ধাপগুলি অনুসরণ করে।

উইন্ডোজের আইকন ব্যাবহার


উইন্ডোজের অনেক লোগোই খুব সুন্দর, আর এই সুন্দর লোগো বা আইকনগুলো প্রেজেন্টেশন বা অন্য নানা কারণে আপনার প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো সংগ্রহ করতে পারলে দারুণ হয় তাই না? এই সুন্দর আইকনগুলো কিন্তু উইন্ডোজের অনেক প্রোগ্রামের মধ্যেই থাকে, তবে সেগুলোকে বের করাটা একটু কঠিন, বিশেষ করে ২৫৬x২৫৬ আকারটি। এক্ষেত্রে বিসাইক্লোন গ্র্যাবার নামের একটি বিনামূল্যের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এই অ্যাপটি ফাইল থেকে আইকনগুলো টেনে বের করতে পারে।
BeCyIconGrabber 01 500x300 উইন্ডোজের আইকন ব্যাবহার
প্রথমে ডাউনলোড করুণ বিসাইক্লোন গ্র্যাবার
যখন আপনি কোন আইকন বের করতে চাইবেন তখন প্রোগ্রামটি চালু করুন। যেই সফটওয়্যারটির আইকন আপনার প্রয়োজন হবে সেই ফোল্ডারে অথবা যেখানে আইকনগুলো থাকতে পারে বলে মনে করছেন সেখানে এই অ্যাপ ব্যবহার করে ব্রাউজ করুন এবং যে কোন ফাইল নির্বাচন করে দেখতে পারেন ভেতরে কোন আইকন রয়েছে কিনা। বিভিন্ন আকারের আইকনের জন্য বেশ কয়েক ধরণের ট্যাব দেখতে পাবেন ডিসপ্লেটিতে।
যে আইকনটি আপনার পছন্দ সেটির উপর রাইট ক্লিক করে সেভ করুন।
কোন আইকন যদি আপনারকে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করতে হয় তাহলে ব্যবহার করতে ফেবারিট ট্যাবটি।
ডাউনলোড

বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

করাপ্ট রেজিস্ট্রির সমাধান ! প্রত্যেক উইন্ডোজ ইউজারের জেনে রাখা ভালো !

কম্পিউটার যারা চালাচ্ছেন, মাথা ব্যথার মতই মাঝে মাঝে পিসিতে একটা রোগ দেখা দেয়। সমস্যার নাম করাপ্ট রেজিস্ট্রি ! কোন সফটওয়্যার বা কোন ড্রাইভার ইন্সটলেশনের সময় কম্পিউটারে পাওয়ার সাপ্লাই কমে যায়, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ স্বল্প সময়ের জন্য হলেও কার্যক্ষমতা হারায় । ফলাফল ? কম্পিউটার রিস্টার্ট !
(হয়তো এইবার লাফিয়ে উঠেছেন,হ্যা হ্যা আমার হয় আমার হয় বলে ! ) তারপর এইটা করেন সেইটা করেন, ৫-৬ ঘন্টা কোন সমস্যা ছাড়াই কম্পিউটার চলে। তারপর যেই লাউ,সেই কদু  ! ইচ্ছে করে নিজের মাথার চুল ছিড়ি । :P
আসুন এই সমস্যার ঝটপট সমাধান করি ।প্রথমেই এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । ভয় পাবেন না, সাইজ মাত্র 10.89 MB ।
ডাউনলোড লিংকডাউনলোডেড ফাইলটি আনজিপ করুন, সেটআপ ফাইল পেয়ে যাবেন। এইবার উইন্ডোজ সেভেন রান করান। দেখুন বামপাশে ইনফরমেশন , অপটিমাইজেশনসহ আরো অনেক টুলস আছে। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন।
ক্লিনার অপশনটি সিলেক্ট করুন। বেশকিছু সাবমেনু পাবেন, তারমধ্যে রেজিস্ট্রি ক্লিনার সিলেক্ট করুন। রেজিস্ট্রি ক্লিনার সিলেক্ট করার পর যে ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে, ডায়ালগ বক্সের বামপাশে রেজিস্ট্রি এন্ট্রিজ পাবেন। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন।

সবগুলো অপশনে টিক চিহ্ন দেওয়া আছে কী না দেখে নিন। এরপর ডায়ালগ বক্সের উপরে বামপাশে লক্ষ্য করুন, স্ক্যান রেজিস্ট্রি নামের একটি অপশন পাবেন। ক্লিক করুন। শুরু হয়ে যাবে রেজিস্ট্রি স্ক্যান।

কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন, উইন্ডোজ সেভেন ম্যানেজার রেজিস্ট্রি এরর সংখ্যা বের করে দেবে।

এবার ডায়ালগ বক্সের উপরে লক্ষ্য করুন, ডিলিট বাটন পেয়ে যাবেন।

ডিলিট বাটনের ঠিক পাশেই পাবেন ব্যাকআপ রেজিস্ট্রি বাটন। যদি রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ রাখতে চান তাহলে ব্যাকআপ রেজিস্ট্রি বাটনে ক্লিক করুন। অবশ্য ডিলিট বাটনে ক্লিক করলেও আপনাকে রেজিস্ট্রি ব্যাকআপের কথা বলবে। ইয়েস করুন।

রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ সম্পন্ন হয়ে গেলে আপনি তা দেখতে পারবেন। দেখতে চাইলে ইয়েস বাটনে ক্লিক করুন, না দেখতে চাইলে নো বাটনে ক্লিক করুন।

নো বাটনে ক্লিক করলে সকল ধরনের এরর এবং ফলস এন্ট্রি ডিলিট হয়ে যাবে।

এবং আপনি রেজিস্ট্রি ক্লিনার ডায়ালগ বক্সে আবার ফিরে যাবেন। এইবার লক্ষ্য করে দেখুন,ডায়ালগ বক্সের ডানপাশের লগ খালি ! হয়ে গেল করাপ্ট রেজিস্ট্রর সমাধান। আরও কিছু কথা বলার বিশেষ প্রয়োজন মনে করছি। আপনার উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য আরও অনেক অনেক কারণে উইন্ডোজ সেভেন ম্যানেজার প্রয়োজনীয়। সেগুলো নিয়ে আরেক পোষ্টে আলোচনা করা যাবে ।
পোষ্টটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল eLogBD ব্লগে ।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More