আসসালামু আলাইকুম

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১১

উইন্ডোজে registered owner হিসেবে নিজের নাম লিখুন

সালাম সবাইকে। আজকে দেখাবো কিভাবে নিজের নাম ব্যাবহার করবেন Registered Owner হিসাবে। এটা খুব জরুরী কিছু নয় তবে যারা জানেন না তারা জেনে রাখুন।আসা করি নতুনদের ভালো লাগবে। আপনাদের ভালো লাগাতে পারলেই আমি সার্থক হব। ধন্যবাদ সবাইকে। তাহলে দেখুন কিভাবে করতে হবে কাজটা।

এই জন্য আপনাকে Start Menu -> Run এ regedit লিখে এন্টার দিন। Registry Editor চালু হলে KEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion-এ যান। এরপর ডানদিকের প্যানেলে RegisteredOwner-এ double click করুন এবং নিজের নাম দিন। এছাড়া অভ্র কিবোড দিয়ে বাংলায় ও আপনার নাম লিখতে পারেন।

উইন্ডোজ এর লগন পেজ ঠিক করুন নিজের পছন্দ অনুযায়ী

আমরা সবাই উইন্ডোজ এর কমন লগ অন পেজ দেখতে দেখেতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
এবার তাই পরিবর্তন করা দরকার। আমি আপনাদের খুব ছোট একটা সফটওয়্যার এর কথা বলব জার মাধ্যমে আপনারা সহজেই লগ অন পেজ পরিবর্তন করে নিজের করে নিতে পারবেন। আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করুন।
সফটওয়্যার টি মাত্র ১.৯২ মেগাবাইট।
এই লিঙ্ক এ গিয়ে ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড করার পরে ইন্সটল করুন।
এবার আপনি মাউস এর লেফট ক্লিক করলে নতুন একটি অপশন পাবেন যেখানে লেখা আছে logon screen.
সেখানে ক্লিক করুন। উইন্ডো টি ওপেন হলে ব্রাউসে সিলেক্ট করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ছবি দিন।
অ্যাপ্লাই এ ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
এবার কম্পিউটার ওপেন করলে বা শাটডাওন করলে আপনার পিকচার টি দেখাবে।
ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।

hidden file নিয়ে সমস্যা? খুজে পাচ্ছেন না? জেনে নিন কি করবেন

Hidden File নিয়ে সমস্যা? খুজে পাচ্ছেন না? এমন কনো সমস্যা হলে লুকানো ফাইল দ্রুত খুঁজে বের করতে প্রথমে http://www.filehippo.com/download_recuva/download/3819e6be9c62188fbc76fe823813a312/ থেকে recuva সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। এবার সফটওয়্যারের ফাইলটি আনজিপ করুন এবং যে ড্রাইভে ফাইল লুকানো রয়েছে, সে ড্রাইভটিতে সফটওয়্যারটি রান করুন। এবার ড্রাইভের সব লুকানো ফাইল দেখা যাবে। কি এবার Hidden File খুজে পেয়েছেন?

যেভাবে বুঝবেন আপনার সাধের পিসিতে ভাইরাস আছে কিনা

প্রতিনিয়ত বের হচ্ছে নতুন নতুন ভাইরাস। সব ভাইরাসও এ্যন্টি-ভাইরাসও ধরতে পারে না । যতক্ষন প্রজন্ত ওই ভাইরাসটি এ্যন্টিভাইরাসের ডাটাবেসে সংযুক্ত হবে ততক্ষন প্রজন্ত ওই ভাইরাসটি ধরতে পারবে না। কিন্তু ততক্ষনে তো আপনার বারো দুগুনে চব্বিশটা বেজে যাবে। আমি দেখাবো যেভাবে বুঝবেন ভাইরাস আছে কিনা এবং কিভাবে মুক্তি পাবেন।



ভাইরাস থাকলে পিসিতে প্রসেস সম্পর্কিত কিছু ব্যাপার লক্ষ্য করা যায়। আসুন দেখে নেই সেগুলো।

*টাস্ক ম্যানেজার এ কিছু অজানা প্রসেস(process) দেখবেন।
*এই প্রসেস গুলোর নাম লিখে গুগল এ সার্চ দিন যদি দেখতে পান ভাইরাস বা ভাইরাস সম্পরকিত কোন কিছু দেখতে পান তাহলে বুঝবেন ওই প্রসেসটা ভাইরাস।
*এবং ওই প্রসেসটা “End Process” করলে এরর আসবে “End” হবে না।
*তাহলে উক্ত প্রসেস এর উপর ডান বাটন চাপুন এবং দেখুন “Open File Location” নামে একটা অপশন আছে ওইটাতে ক্লিক করুন। বেশিরভাগ ভাইরাসের লোকেশন থাকে “C:/system32” তে।
*ফাইলটা ডিলিট করে ফেলুন। যদি ডিলিট না হয় তাহলে এন্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান দিন তাও যদি ভাইরাস না পায় তাহলে পিসি অন করে “Safe Mode” এ অন করুন এবং ওই লোকেশন এ যান এবং ডিলিট করুন। এইবার ৮০% ডিলিট হওয়ার সম্ভাবনা। তাও যদি না হয় তাহলে আবার উইন্ডোজ সেটআপ দিন।


সতর্কতাঃ

1. না বুঝে কোনমতেই C:/system32 এর ফাইল ডিলিট করতে যাবেন না। আগে ওই ফাইল এর নাম+লোকেশন নিয়ে গুগল এ সার্চ দিয়ে নিন।

2. কোন প্রসেস না বুঝে “End Process” দিবেন না। আর দিয়ে ফেললে পিসি রিস্টার্ট দিন তাহলে ঠিক হয়ে যাবে।

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১

পেনড্রাইভ এর ফাইল কে compress করে জায়গা বাড়ান…

সাধারনত পেন ড্রাইভ FAT, FAT 32 ফাইল সিস্টেমে চলে,ফলে এখানে ফাইল compression বা সংকোচনের কোন সুবিধা পাওয়া যায় না। কিন্তু NTFS ফাইল সিস্টেমে compression সুবিধা রয়েছে।যেমন,৫০ মেগাবাইটের একটি ফাইল NTFS ফরম্যাটের ড্রাইভে মাত্র ৩০ মেগাবাইট জায়গা নেবে।তাই NTFS ফাইল সিস্টেমে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হয়।আপনার পেন ড্রাইভকে NTFS ফরম্যাটে কনভার্ট করতে Start/Run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড খুলন এবং convert X: /FS:NTFS লিখে Enter চাপুন (X এর জায়গায় পেন ড্রাইভ যে ড্রাইভে রয়েছে তার অক্ষর হবে,যেমন L ড্রাইভে হলে হবে L )।এখন My computer এ গিয়ে পেন ড্রাইভের আইকনে ডান ক্লীক করে Properties এ যান।এখান থেকে ’ Compress Drive to Save Disk SpaceÕ অপশনে টিক দিয়ে OK করুন,এখন ’ Apply To Sub Folders and FilesÕ অপশন (যদি আসে) OK করে বের হয়ে আসুন।ব্যস কাজ শেষ। এখন পেন ড্রাইভে কোন ফাইল কপি করলে সেটা খুব বেশী জায়গা নেবে না,ফলে পেন ড্রাইভের মেমোরি অনেক সাশ্রয় হবে।


[বিঃদ্রঃ এটা যদি মোবাইল এর মেমোরি কার্ড এর জন্য ব্যাবহার করতে চান তাহলে পিসি তে শো করলেও মোবাইল এ ফরম্যাট চাবে... সো pendrive এই করা better...

windows 7+activator (highly compressed)full version নিয়ে নিন

হেয়!!!বন্ধুরা…সবাই কেমন আছেন…আসা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন।এবার এর Post এ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম Windows 7+Activator (Highly Compressed) Full Version। (Highly Compressed) নেওয়ার আগে আমি আপাদের সাথে একটু কথা বলব, কিছু মনে করবান না Please। ( Highly Compressed) ফাইল আমি চালাতে পারিনা। কিন্তু আমি যখন আপনাদের ফুল্ ভার্সন দেই তখন আপনারা বলেন যে file size অনেক বড় (Highly Compressed) ফাইল দিতে বলেন। তাই আমি আপনাদের দিলাম (Highly Compressed) ফাইল যদি আপনারা (Highly Compressed) ফাইল চালতে পারেন তবে আমাকে জানাবেন। তাহলে next এ আমি আপনাদের জন্য Windows 8 (Highly Compressed) দিব।আমার কাছে এই রকম অনেক ফাইল Compressed করা আছে।

Windows 7+Activator (Highly Compressed) download link : http://www.megaupload.com/?d=TZTEU3JL

আশা করি আমার কথাম আপনারা কিছু মনে করবেন না। এবং Tune টি আপনাদের ভালো লাগবে। আপনাদের ভালো লাগার নতুন কিছু নিয়ে আবার tune করব। comment করতে ভুলবেন না।

windows 7 all version activator। activate করে নিন আপনার 7!!!

হেয়!!!বন্ধুরা…সবাই কেমন আছেন…আসা করি সবাই ভাল আছেন। আপনারা অনেকই Windows 7 ব্যবহার করেন কেও Windows 7 Home Premium, Windows 7 Professional, আবার কেও Windows 7 Ultimate. আমারা সবাই কিন্তু Windows 7 genuine ব্যবহার করি না। কারন উইন্ডোজ ৭ বাংলাদেশএ দাম ১৬০০০ টাকা । তাই আমার copy করা উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করি। আর এই কপি কারনা আমাদের ৩০ দিন পর পর Windows 7 বুট দিতে হয়। এই ঝামেলার থেকে আপনাকে মুক্ত দিতে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম Windows 7 Genuine করার আরেকটি Sofaware। Windows 7 Home Premium, Windows 7 Professional এর মধ্য আপনি যেটাই ব্যবহার করেন না কেন আপনার Windows 7 genuine হবেই।

****ডাউনলোড দেবার আগে আপনার অ্যান্টি-ভাইরাস টি unstall করে নিন।

প্রথমে আপনি নিছের Mediafire লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন:

Windows 7 all version activator ডাউনলোড লিঙ্ক : http://www.mediafire.com/?qdnr3ovargdgrb8

Download করেই কাজ শেষ না আপনাকে নিচের step গুলি follow করতে হবে:

1.Download the files from link below
2. unrar the files.
3. Disable The internet and Antivirus.
4. Run the Crack click on Revert and wait for few seconds.
5. Windows wil reboot automatically or do it yourself.
6. Now you get rid of message”This copy Of Windows Is not genuine” and activated.
7. Enjoy it.

আশা করি আমার Tune টি আপনাদের ভালো লাগবে। আপনাদের ভালো লাগার নতুন কিছু নিয়ে আবার tune করব। comment করতে ভুলবেন না।

আপনার সাইটে চ্যাট অপশন যুক্ত করুন

সাধারণত প্রতিটা সাইট এর বেশির ভাগই বানানো হয়ে থাকে Blogspot বা WordPress দ্বারা। আপনাদের জন্য আজকে Blogspot সাইটে কিভাবে চ্যাট অপশন যুক্ত করবেন তা দেখিয়ে দিলাম।

আপনি গুগলি দিয়ে সাইট বানানো মানেই আপনার একটি জিমেল আইডি রয়েছে। আপনার জিমেইল আইডি দিয়ে এই সাইটে গিয়ে লগিন করুন>> “চ্যাট অপশন যুক্ত করুন”


লগিন করার পর আপনি নিচের পিকের মতন আপনার টাইটেল,নিক নাম এবং স্টাইল ঠিক করে দিন। অতঃপর Update badge দিয়ে দিন। তাহলে নিচে একটি হটমেইল কোড আসবে, কোডটি কপি করুন।


এবারের কাজ আরো সহজ, মূল কথা সবটাই সহজ। তাই আর স্ক্রীনশর্ট দিয়ে দেখানোর
প্রয়োজন কমে করিনি।>>>>
1. আপনার ব্লগ/সাইটে প্রবেশ করুন
2. ড্যাশবোর্ড থেকে ডিজাইন এ যান
3. এবার মেনু যেভাবে উইজেট বসান ঠিক সেভাবেই একটি Text পেজ নিন
4. পেজের মধ্যে কপি করা হটমেইল কোড টি দিয়ে সেভ করে দিন।
5. সর্বশেষ আপনার সাইটে গিয়ে দেখুন চ্যাট বার যোগ হয়ে গেছে।
“সবাই ভালো থাকুন,ভালো থাকার চেষ্টা করুন”

মোবাইলের যাবতীয় এপ্লিকেশনের গুডাউন

আমাদের দেশে সবচে বেশি ইন্টারনেট ব্যাবহার হয়ে থাকে মোবাইল থেকে। আমরা এখনো এতটা উন্নত হতে পারিনি যে সবার ঘরেই পিসি/ল্যাপটপ থাকবে,কিন্তু এখন মোবাইল দেখা যায় ছোট একটা বাচ্চার হাতেও। যদি জিজ্ঞাস করা হয়ে থাকে বাবু তুমি মোবাইল দিয়ে কি কর? তার সাথে, সাথে উওর “আব্বু-আম্মু” অফিসে গিয়েছে তাই মোবাইল দিয়ে তাদের সাথে কথা বলি। উদাহারণ টা দিলাম বুঝাতে সে সবার কাছেই বলতে গেলে এখন মোবাইল আছে।

নিজের চায়না মোবাইল থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডের নামী-দামী সব সেটকেই তার মালিক সুন্দর ও স্মার্ট রাখতে চায়। নিত্যদিনের প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় এই বস্তুটিকে এভাবে সুন্দর রাখার চেষ্টাই স্বাভাবিক।

এখন প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে মোবাইলের নানা ধরণের সফটওয়্যার এবং পিসির এন্টিভাইরাস,গেমস,থিম,সফটওয়্যার এবং নানান কিছুর মোবাইল ভার্সন। সাধারণ কাজ থেকে নানা ধরণের জটিল কাজ এমন কি এখন হ্যাকিং ও করা হয় এখন মোবাইল থেকে।

এসব কিছুর জন্য আমাদের অবশ্যই সফটওয়্যার এবং আরো নানান ধরণের আপল্যিকেশন এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। বাঁজার থেকে মোবাইল কেনার পর নিজের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল টিকে সব কিছু দিয়ে সাঁজিয়ে নেবার ভার পরে নিজের উপরই!! তাই আজকে ২ টা লিঙ্ক শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। গুগলিতে সার্চ দিলেই অসংখ্য সাইট এসে যায় আমাদের সামনে। তার পরেও আপনাদের সাথে লিঙ্ক শেয়ার করতে আসা। কারণ লিঙ্ক ২ টিকে আমার কাছে অনেক সাজানো মনে হয়েছে, তাদের ফিচার এবং কালেকশন গুলো ও চমৎকার বলা চলে। এক কথায় বলা যায় “নিট অ্যান্ড ক্লিন” । আমি নিচে লিঙ্কের সাথে তাদের মেনুব্যার এর পিকচার ও আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। আপনারা এর থেকে অনেকটাই বুঝতে পারবেন আপনার চাহিদা অনুযায়ী কি আছে সাইটের মাঝে এবং সাইটে গেলেই দেখতে পাবেন কতটা যত্ন সহকারে ধাপে,ধাপে সাজিয়ে রাখা হয়েছে প্রতিটা জিনিশ।

সাইটে প্রবেশ করতে ক্লিক করুন


সাইটে প্রবেশ করতে ক্লিক করুন

বদলে ফেলুন “ফোল্ডার” এর ভাব-সাব!!!

আমি জানি এটি অনেক পুরানো একটি software. আপনাদের অনেকেই হয়তো এটি নিয়মিত ব্যবহারও করেন. তারপরও দিতে ইচ্ছে হলো. আমার Office এর PC তে রোজ অনেক ফোল্ডার তৈরী হয়. সেই ফোল্ডার সমুদ্রে তাই অনেক সময় প্রয়োজনীয় ফোল্ডারটি খুঁজে পাই না. “Folderico” আপনার ফোল্ডার গুলোর ভাব-সাব পুরাপুরি বদলে দেবে. ইচ্ছেমতো ফোল্ডার color করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন theme change করা কি নেই এতে!


Get Folderico

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More