আসসালামু আলাইকুম

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১২

আপনার কম্পিউটারকে Apple Mac এর মত করে ফেলুন খুব কম সময়ে।

আসসালামু আলাইকুম। পিসিহেল্পলাইন বিডির সবাই কেমন আসেন আসাকরি সবাই ভাল আছেন।আমি জানি আপনারা সব সময় ভালই থাকেন।আমিও আপনাদের দোয়াতে ভাল আছি।কি করবো নতুন কোন কিছু পেলে আপনাদের সামনে হাজির হতে হয়।যাই হোক কাজের কথায় আছি।এটি একটি skin pack।এটি শুধু উইন্ডোজ ৭ এ সাপোর্ট করে।এই skin pack দিলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট হয়।আমি নিজে ব্যবহার করছি কম্পিউটার অনেক ফাস্ট আর ব্যবহার করে অনেক মজা পাছছি।প্রথমে ডাউনলোড করবেন।পরে ডাউনলোড হলে ইন্সটল করবেন ইন্সটল করর সময় দেখবেন ৩ টা ফাইল আসবে যদি টিক থাকে তাহলে ঠিক আছে।যদি না থাকে তাহলে দিয়ে দিবেন। ইন্সটল হয়ে গেলে কম্পিউটার রিস্টাট করবেন।ব্যাছ হয়ে গেল।এরপর নিচের মত আসবে।তখন দেখবেন Apple Mac এর মত হয়ে গেছে। যাদের ৩২ বিট তারা ৩২ বিট ডাউনলোড করবেন।আর যাদের ৬৪ বিট তারা ৬৪ বিট ডাউনলোড করবেন।
আরও দেখতে চায়লে ও আরও ডাউনলোড লিঙ্ক চায়লে এখানে যেতে পারেনঃ http://filehunk.com/glass-skin-pack-1-0-for-windows-7-x86x64/

ও আর একটা কথা x86 মানে ৩২বিট x64 মানে ৬৪ বিট।
নামঃ Glass Skin Pack 1.0 for Windows 7 x86/x64 


Screenshot:
ডাউনলোড ৩২ বিট
ডাউনলোড ৬৪ বিট

ভুল হতেই পারে তাই বলছি ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন। আর একটা কথা আমি দেখছি আপনারা কনো কমেন্ট করেন না তাহলে আমি বুজব কি করে আপনাদের পোস্ট ভাল লাগছে।তাই বলছি কমেন্ট করবেন। আগামী দিন হাজির হব নতুন কোন কিছু নিয়ে, ততদিন ভালো থাকবেন সুন্দর থাকবেন আর ফুরতিতে থাকবেন।

গরম গরম ডাউনলোড করুন nokia suite 3.6.36

এটা nokia suite এর নতুন ভার্সন।
যারা নোকিয়া মোবাইল ব্যবহার করেন এটি তাদের জন্য অত্যান্ত দরকারি একটি সফটওয়্যার।
এটি দিয়ে আপনি আপনার মোবাইলকে মডেম হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনার মোবাইলের কন্ট্যাক্টগুলি কম্পিউটার এ রাখতে পারবেন।
আপনার মোবাইলের ফটোগুলি সরাসরি কম্পিউটার এ পাঠাতে পারবেন।
কম্পিউটার এর ফটোগুলি সুন্দর ভাবে তারিখ অনুযায়ী সাজাতে পারবেন।
আপনার মোবাইলের মেসেজগুলি ও কম্পিউটার এ রাখতে পারবেন।
আপনার কম্পিউটার থেকে মিউজিকগুলি মোবাইল এ পাঠাতে পারবেন।
NOKIA STORE এ সরাসরি ভিসিট করতে পারবেন।
মাপ ডাউনলোড করতে পারবেন।
আপনার মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট করতে পারবেন।
কম্পিউটার থেকে যে কোনো সফটওয়্যার আপনার মোবাইল ইন্সটল করতে পারবেন।
ডাউনলোড করুন এখান থেকে
এরপর ইন্সটল করুন আপনার কম্পিউটার এ।

বাংলা পড়তে সমস্যা ? ১০০% সমাধান

ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের একটি সাধারান সমস্যা হল বাংলা ঠিক মত দেখা যায় না। অনেক দেখা গেলেও তা পড়া যায় না। আজকে আমি আপনাদের সেই সমস্যার সমাধার দিবো। প্রথমেই আপনার ব্রাউজার অনুঝায়ি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
১. ফায়ার ফক্স (firefox) এর জন্যঃ
http://adf.ly/Eyxc6
২. গুগল ক্রম (google chrome) এর জন্যঃ
http://adf.ly/EyxJK
ডাউনলোড করার পর কি কি করতে হবে তা ডাউনলোড কৃত ফোল্ডারে পাবেন। তবে চিন্তার কিছু নেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে আপনার ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না।

বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১২

ডাউনলোড করুন ‘যব তাক হে জান’ ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!

প্রথমেই সবাই আমার সালাম নিবেন।


000203FC ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!
7E4G8T5 ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!
আমি আজকে আপনাদেরকে একটি মুভি উপহার দেব। এই মুভিতে কে  কে অভিনয় করেছেন তা আশাকরি বলার আর অপেক্ষা রাখে না।
এই মুভিটি সম্পাদনা করেছেন বলিউডের অনেক নামি দামি বাক্তি। তিনি হলেন যশ রাজ। তিনি কিছু দিন আগে মারা গেছেন।
বলিউডে তার নির্মাণকৃত অনেক মুভি রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল দিল ‘ওয়ালে দুল হানিয়া লে জাএঙ্গে’ ।
যব তাক হে জান তার নির্মাণকৃত সর্বশেষ মুভি। তাই আশা করি আপনাদের অনেক ভাল লাগবে।
000203FB ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!
যব তাক হে জান স্ক্রীন
xhgJi ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!
animation avatar animated avatar 100x100 33732 ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!
h ডাউনলোড করুন যব তাক হে জান ফুল মুভি গরম গরম। রিজিউম সাপোর্ট লিংক!!!

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১২

যারা ল্যাপটপ এ উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করতে চান তারা এদিকে আসুন।

সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করছি আজকের পোস্ট।বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ। উইন্ডোজের বিভিন্ন সংরক্ষণের পর এখন বাজারে এসেছে উইন্ডোজ ভিস্তা ও উইন্ডোজ ৭ এবং উইন্ডোজ ৮।তবুও উইন্ডোজের সকল সংক্ষরণের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল উইন্ডোজ এক্সপি। এরই মধ্যে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ২০১২ সালের মধ্যে এক্সপিকে ব্যান্ড করে দেয়ার ঘোষণা করেছে। আমাদের মধ্যে অনেক ব্যবহারকারি আছেন যারা উইন্ডোজ ভিস্তা ও সেভেন ব্যবহারে বিরক্তি বোধ করেন। এক্সপির ব্যবহার এত সহজ যে, যেকোন সাধারণ ব্যবহারকারি খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারতেন। বর্তমান বাজারে যেসব ল্যাপটপ কম্পিউটার আসছে সেগুলোর বেশিরভাগই ভিস্তার ডিজাইনে তৈরি। যার কারণে এসব কম্পিউটারে এক্সপি সেটআপ দিতে গেলে একটি এরর ম্যাসেজ আসে Setup did not find any hard disk… ফলে উক্ত কম্পিউটারগুলোতে এক্সপি সেটআপ দেয়া যায় না।। সরাসরি পোস্ট এ চলে যাই।
যাযা লাগবেঃ
১। উইন্ডোজ এক্সপির সিডি।
২। ১টি খালি সিডি।
৩। এনলাইট সফটওয়্যার।
৪। মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০।
৫। আইএসও বুস্টার।
৬। সাটা (SATA) ড্রাইভার ( সাটা ড্রাইভারের জন্য আপনি যেকোন ল্যাপটপ কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে বা
গুগল সার্চে SATA লিখে সার্চ করলেও সাটা ড্রাইভার পাবেন। তবে বেশিরভাগ
কম্পিউপটারেই Toshiba কোম্পানীর সাটা হার্ডডিস্ক দেয়া থাকে। তাই Toshiba
হার্ডডিস্ক ড্রাইভার দিয়ে উইন্ডোজ এক্সপির একটি সিডি তৈরি করে নিলেই
হয়।)
যখন উইন্ডোজ এক্সপি বাজারে আসে তখন ল্যাপটপের প্রচলন ছিল না। যার কারণে
উইন্ডোজ এক্সপির সিডিতে সাটা ড্রাইভার দেয়া হয় নি। কিন্তু বর্তমানে
সাটা হার্ডডিস্কে ল্যাপটপে ব্যবহারের ফলে ল্যাপটপে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল
করা যায় না। আর সাটা ড্রাইভার না থাকায় Setup did not find any hard
disk… ম্যাসেজ আসে। তার মানে উইন্ডোজ হার্ডডিস্ক পড়তে পারে না। এখন
আপনাকে তেমন কাজ করতে হবে না। শুধু এক্সপির সিডিতে সাটা ড্রাইভারটি
সংযুক্ত করতে হবে।
কার্যপ্রণালীঃ
১।  এনলাইট, আইএসও বুস্টার, মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সেটআপ করুন।
২।  উইন্ডোজ এক্সপির সিডি নিন ও কম্পিউটারের প্রবেশ করান।
৩।  আইএসও বুস্টারের লাঞ্চ স্ক্রীণ থেকে bootable disc -এ ক্লিক করুন।
৪। এরপর Microsoft Corporation.img এ ক্লিক করে Extract Microsoft Corporation.img ক্লিক করুন।
৫। এবার ইমেজটি সংরক্ষন করুন।( আমরা যখন Windows XP Setup করি, তখন সেটআপের প্রথমে আসে Press any key to boot from CD….. ম্যাসেজ। এটি হচ্ছে Microsoft Corporation.img এর কাজ। আপনি যদি কোন ফোল্ডারে এক্সপি কপি করে রাখেন ওপরবর্তীতে তা সিডিতে রাইট করেন তখন Microsoft Corporation.img এটি কাজকরবে না। এর কারণেই ইমেইজটিকে সিডি রাইট করার আগে এনলাইট সফটওয়্যার দিয়ে ঠিক করে নিতে হবে। তবে আপনি ইচ্ছা করলে এটি গুগল সার্চে গিয়ে সেভ করে নিতে পারেন। )
৬।  এবার একটি ফোল্ডারে এক্সপির ফাইলগুলো কপি করুন এবং উক্ত ফোল্ডারে Microsoft Corporation.img ফাইলটি ও কপি করে রাখুন।
৭।  যে কম্পিউটারের জন্য সিডি তৈরি করবেন উক্ত কম্পিউটারের সাটা ড্রাইভারগুলো একটি রিমুভাল ডিস্কে কপি করে রাখুন।
৮।  রিমুভাল ডিস্কের জিপ ফাইলগুলো Extract করুন।
৯।  এবার ফোল্ডার ছাড়া অন্য ফাইলগুলোকপি করুন।
এবার উইন্ডোজ এক্সপিতে সাটা ড্রাইভার যুক্ত করার কাজ এনলাইট সফটওয়্যারটি চালু করুন। Next করে Browse এ ক্লিক করে এক্সপির ফাইলগুলো দেখিয়ে দিন।
Next করে Drives এবং Bootable ISO নির্বাচন করুন। আবার Next করুন। Insert এ ক্লিক করে রিমুভাল ডিস্কের SATA Driver গুলো যুক্ত করুন।এরপর Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে। Yes দিন, তাহলেই Process শুরু হবে। প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে।
এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এCreate
Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন। তবে সিডি রাইট করার আগে অবশ্যই Microsoft Corporation.img টি যুক্ত করতে ভুলবেন না।

আমি ফেসবুকে

Dutch Bangla Mobile Banking সংক্রান্ত 1st-to-last তথ্য

NexusClassic Dutch Bangla Mobile Banking সংক্রান্ত 1st to last তথ্য

ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং এক নজরে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য ব্যাংকিং 
মোবাইল ব্যাংকিং কী? মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে শাখাবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে স্বল্প খরচে দক্ষতার সঙ্গে আর্থিক সেবা পৌঁছে যাবে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির কাছে। মোবাইল প্রযুক্তি সরঞ্জাম অর্থাৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা (টাকা জমাদান, উত্তোলন, পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মূল্য পরিশোধ, বিভিন্ন ধরণের বিল পরিশোধ, বেতন/ভাতা বিতরণ, বিদেশিক আয়, সরকারি বেতন ও ভাতাদি বিতরণ, ATM থেকে টাকা উত্তোলন) প্রদান করাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং। 
মোবাইল একাউন্টের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং এর প্রস্তাবিত সেবাসমূহ পাওয়া যাবে। 
* মোবাইল ব্যাংকিং-এর সুবিধাসমূহঃ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অর্থকে ইলেক্ট্রনিক অর্থে রূপান্তর এবং সর্বোপরি দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব: 
* প্রকৃত অনলাইন ব্যাংকিং সেবা 
* দেশব্যাপী যে কোন সময়, যে কোন স্থানে সেবার নিশ্চয়তা * এটি সুবিধাজনক, সহজলভ্য এবং নিরাপদ 
* টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস বাড়ানোর জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অধিক কার্যকর 
* এর মাধ্যমে দ্রুত ও কম খরচে টাকা লেনদেন এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে 
* মোবাইল ব্যাংকিং অধিকতর নিরাপদ এবং প্রতারণারোধক 
* ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কী কী সেবা পাওয়া যাবে? গ্রাহক নিবন্ধন নগদ টাকা জমাদান নগদ টাকা উত্তোলন কেনাকাটার বিল পরিশোধ ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বেতন/ভাতা বিতরণ বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বিতরণ মোবাইলে তাৎক্ষণিক ব্যালেন্স রিচার্জ তহবিল স্থানান্তর 
কোথায় মোবাইল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করবেন? 
DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট পয়েন্টে মোবাইল একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। বর্তমানে শুধু সিটিসেল এবং বাংলালিংকের মনোনীত এজেন্ট যারা DBBL এর ‘‘এজেন্ট সনদ’’ এবং DBBL মোবাইল ব্যাংকিং ব্যানার প্রদর্শন করতে পারবে তারাই DBBL এর গ্রাহক রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। 
কিভাবে মোবাইল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করবেন?
গ্রাহক KYC ফরম পূরণ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ও ছবিসহ এজেন্টের কাছে জমা দিবেন এজেন্ট গ্রাহকের আবেদনপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিরীক্ষণ করবেন এজেন্ট তার মোবাইলের নিবন্ধন মেন্যুতে যাবেন এবং গ্রাহকের মোবাইল নম্বর টাইপ করবেন গ্রাহক IVR হতে একটি কল বা USSD Prompt Menu পাবেন এবং প্রত্যুত্তরে তার পছন্দমত ৪ সংখ্যার একটি PIN নম্বর দিবেন (অনুগ্রহপূর্বক PIN নম্বরটি মনে রাখবেন) অতঃপর গ্রাহকের মোবাইল একাউন্টটি চালু হবে, একাউন্ট নম্বরটি হবে গ্রাহকের মোবাইল নম্বর যার সঙ্গে একটি Check digit যুক্ত হবে গ্রাহক তার মোবাইল একাউন্ট নম্বর এর নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন (অনুগ্রহপূর্বক আপনার Check digit টি মনে রাখুন) 
PIN কেন দরকার ? 
এজেন্ট অথবা DBBL ATM থেকে টাকা উত্তোলনের সময় PIN দরকার। PIN আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রতারণামূলক লেনদেন প্রতিরোধ করবে। * PIN কেন গোপনীয় ? PIN মোবাইল ব্যাংকিং এর লেনদেনের মূল চাবি। শুধু সঠিক PIN এবং মোবাইল নম্বরের সমন্বয়ের মাধ্যমেই মোবাইল একাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব। সিস্টেম কর্তৃক একাউন্টের মালিকের পরিচিতি নিশ্চিত করার জন্য PIN প্রয়োজন। যেহেতু PIN নম্বরটি অন্য কেউ জানলে সংশি ষ্ট একাউন্টটি ঝুকিপূর্ণ, সুতরাং PIN অতীব সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হবে। 

Check digit কেন দরকার? 

মোবাইল নম্বর অনেকেরই জানা থাকে। তাই Check digit জানা না থাকলে অন্য কেউ আপনার মোবাইল একাউন্টে টাকা জমা দিতে পারবে না, এভাবেই Check digit আপনার মোবাইল একাউন্টের গোপনীয়তা বজায় রাখতে সহযোগিতা করবে। অন্যদিকে, Check digit ভুল একাউন্ট নম্বর প্রদানের সম্ভাবনা দূর করে আপনাকে ভুল একাউন্টে টাকা পাঠানো বা জমাদান থেকে রক্ষা করবে। কোন অপারেটরের মোবাইল DBBL এর একাউন্ট হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে? যে কোন মোবাইল অপারেটরের মোবাইল ব্যবহারকারী বাংলালিংক বা সিটিসেলের মনোনীত এজেন্ট পয়েন্টে DBBL মোবাইল একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। সকল মোবাইল একাউন্ট গ্রাহকরা এজেন্টের কাছে টাকা জমা দেয়া এবং উত্তোলনের সুবিধা পাবেন।
তবে বাংলালিংক ও সিটিসেল ফোন ব্যবহারকারীগণ ব্যতিত অন্য গ্রাহকগণ কিছু স্ব-পরিচালিত সেবা যেমন: হিসাব অনুসন্ধান, টাকা স্থানান্তর, বিল পরিশোধ, মোবাইল টপ-আপ, PIN পরিবর্তন ইত্যাদি গ্রহণের সুযোগ পাবেন না। বাংলালিংক ও সিটিসেলের গ্রাহকগণ এজেন্ট পরিচালিত এবং স্ব-পরিচালিত উভয় সেবাই গ্রহণের সুযোগ পাবেন। কি ধরনের মোবাইল সেট প্রয়োজন? যে কোন ধরনের মোবাইল সেট ব্যবহার করেই DBBL মোবাইল একাউন্টের সেবা পাওয়া যাবে। 
একাউন্ট খুলতে কত টাকা প্রয়োজন? 
মাত্র ১০ (দশ) টাকা জমা দিয়ে একজন গ্রাহক DBBL মোবাইল একাউন্ট খুলতে পারবেন। একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই কি টাকা জমা ও উত্তোলন করা যাবে? একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই টাকা জমা দেয়া যাবে। তবে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধিত হওয়ার পর টাকা তোলা যাবে। ব্যাংক কর্মকর্তা রেজিষ্ট্রেশন ফরমে (KYC) প্রদত্ত তথ্যাবলী যাচাই করে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধনের জন্য অনুমোদন করবেন। সাধারনত একাউন্ট সম্পূর্ণ নিবন্ধনের জন্য ১-২ কর্মদিবস লাগবে। সম্পূর্ণভাবে রেজিষ্ট্রেশনের পর আপনার মোবাইলে একটি SMS পাবেন। 
DBBL মোবাইল ব্যাংকিং কতটুকু নিরাপদ?
DBBL মোবাইল ব্যাংকিং সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ, কারণ এতে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে USSD অথবা SMS+IVR প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। USSD এর ক্ষেত্রে নির্দেশনা এবং PIN, USSD এর মাধ্যমে এবং SMS+IVR এর ক্ষেত্রে নির্দেশনা, SMS এর মাধ্যমে এবং PIN IVR কল এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। PIN লেনদেনের ক্ষেত্রে USSD এবং IVR উভয়ই নিরাপদ। যেহেতু মোবাইল সেট, PIN এবং Check digit আয়ত্তে নেয়া ছাড়া একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে না তাই গ্রাহকের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তাছাড়া Check digit থাকায় যে কেউ কারো মোবাইল একাউন্টে অনাকাঙ্ক্ষিত টাকা জমা করতে পারবে না। (যদিও মোবাইল নম্বর অনেকেরই জানা) 

টাকা উত্তোলন করবেন কোথায়? 

DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট (বর্তমানে শুধু সিটিসেল ও বাংলালিংক মনোনীত এজেন্ট), DBBL ATM ও শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে। কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন ? গ্রাহক টাকা উত্তোলনের জন্য এজেন্টকে তার মোবাইল একাউন্ট নং ও টাকার পরিমাণ বলবেন এজেন্ট তার মোবাইল থেকে উত্তোলন পদ্ধতি শুরু করবেন এজেন্ট সিস্টেম হতে একটি বার্তা পাবেন এবং ফিরতি বার্তায় গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ও টাকার পরিমাণ দিবেন গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিম্নলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন: ‘‘আপনি আপনার মোবাইল একাউন্ট থেকে xxx টাকা উত্তোলন করতে যাচ্ছে। আপনি যদি লেনদেনটি সম্পন্ন করতে চান তাহলে আপনার ৪ সংখ্যার PIN নম্বরটি প্রদান করুন’’ গ্রাহক PIN নম্বরটি টাইপ করবেন সিস্টেম, গ্রাহকের একাউন্ট হতে সমপরিমাণ টাকা ডেবিট করবে এজেন্ট গ্রাহককে টাকা প্রদান করবেন 
কোথায় টাকা জমা দিবেন ?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট (বর্তমানে শুধু সিটিসেল ও বাংলালিংক মনোনীত এজেন্ট) ও DBBL শাখায় টাকা জমা দেয়া যাবে । 
কিভাবে টাকা জমা দিবেন ? 
গ্রাহক এজেন্টের নিকট টাকা জমা দিবেন এজেন্ট তার মোবাইল থেকে জমাদান পদ্ধতি শুরু করবেন এজেন্ট সিস্টেম হতে একটি বার্তা পাবেন এবং ফিরতি বার্তায় গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ও টাকার পরিমাণ দিবেন এজেন্ট তার PIN নম্বর দিবেন সিস্টেম, গ্রাহকের একাউন্টে সমপরিমাণ টাকা ক্রেডিট করবে এজেন্ট গ্রাহককে টাকা জমাদানের রশিদ দিবেন সিস্টেম গ্রাহকের মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাঠাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক লেনদেন করার জন্য গ্রাহক SMS প্রেরকের নম্বর এবং টাকার পরিমাণ নিরীক্ষা করবেন। গ্রাহকরা ১৬২১৬ নম্বর হতে SMS পাবেন 
লেনদেনের সীমা কত? 
এজেন্টের কাছে সবসময় পর্যাপ্ত অর্থ নাও থাকতে পারে। আমরা প্রত্যেক এজেন্ট পয়েন্ট থেকে যত বেশি সম্ভব গ্রাহককে সেবা দিতে চাই। অন্যদিকে, আমাদের যে কোন ধরণের প্রতারণামূলক ক্ষতি প্রতিরোধ করতে হবে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে লেনদেনের পরিমাণ এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নিন্মোক্ত পরিমাণ এবং সংখ্যা অনুযায়ী গ্রাহকগণ লেনদেন করতে পারবেন: দৈনিক জমা = সর্বোচ্চ ৫ বার দৈনিক উত্তোলন = সর্বোচ্চ ৫ বার প্রত্যেক লেনদেনের (জমা/উত্তোলন) পরিমাণ = টাকা ৫০০০/- প্রতি মাসে জমা = সর্বোচ্চ ২০ বার প্রতি মাসে উত্তোলন = সর্বোচ্চ ২০ বার 
কিভাবে আপনার একাউন্টের ব্যালেন্স জানবেন? 
গ্রাহক তার মোবাইল থেকে ব্যালেন্স জানার প্রক্রিয়াটি শুরু করবেন গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিন্মলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন ‘‘একাউন্ট ব্যালেন্স জানতে চাইলে আপনার ৪ সংখ্যার PIN নম্বরটি টাইপ করুন অথবা Cancel বাটন চেপে অনুরোধটি বাতিল করুন’’ গ্রাহক তার PIN নম্বরটি টাইপ করবেন DBBL System গ্রাহকের মোবাইলে ব্যালেন্সের পরিমাণ পাঠাবে * কিভাবে PIN পরিবর্তন করবেন? গ্রাহক তার মোবাইল থেকে PIN পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি শুরু করবেন গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিন্মলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন ‘‘PIN পরিবর্তন করতে চাইলে আপনি আপনার ৪ সংখ্যার বর্তমান PIN টি প্রদান করুন অথবা Cancel বাটন চেপে অনুরোধটি বাতিল করুন’’ গ্রাহক তার বর্তমান PIN টি প্রদান করবেন DBBL System একটি নতুন ৪ সংখ্যার PIN চাইবে গ্রাহক তার নতুন PIN টাইপ করবেন PIN টি পরিবর্তিত হবে। * বেতন/ভাতা বিতরণ কী? এ পদ্ধতিতে বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বল্প সময়ে ঝামেলাবিহীনভাবে তাদের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন এবং সরকার বিভিন্ন ধরনের ভাতা যেমন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি বিতরণ করতে পারবেন। 

কিভাবে এটি কাজ করে? 

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারি অফিস মাসিক বেতন/ভাতা ও মোবাইল একাউন্ট নম্বর সম্বলিত একটি তালিকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে পাঠাবেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারি অফিসের একাউন্ট হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ডেবিট করে সমপরিমাণ টাকা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত একাউন্টে ক্রেডিট করবে কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তি তার নিজ মোবাইলে এ লেনদেন সম্পর্কিত একটি বার্তা পাবেন কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তি যেকোন এজেন্ট অথবা DBBL ATM থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারের সুবিধাসমূহ কী কী? সময় সাশ্রয় অর্থ সাশ্রয় অতিরিক্ত জনবলের প্রয়োজন নেই ভুল হবার সম্ভাবনা খুবই কম নিশ্চিত তাৎক্ষণিক সেবা কর্মকর্তা/কর্মচারী ও ভাতা প্রাপ্তদের সুবিধাসমূহ কী কী? একাউন্টে তাৎক্ষণিক টাকা জমা ঝামেলাবিহীন বেতন/ভাতা সংগ্রহ ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই যেকোন এজেন্ট অথবা DBBL ATM অথবা শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে কিভাবে মোবাইল একাউন্টে বৈদেশিক রেমিট্যান্স পাঠানো যাবে? 
বিদেশে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো সুবিধাভোগীর মোবাইল একাউন্টের বিপরীতে রেমিট্যান্স গ্রহণ করবে। এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো মোবাইল একাউন্ট নম্বর ও টাকার পরিমাণ সম্বলিত একটি তালিকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে পাঠাবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক কেন্দ্রীয়ভাবে প্রত্যেক একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করে দেবে সুবিধাভোগী ব্যক্তি তার নিজ মোবাইলে এই লেনদেন সম্পর্কিত একটি বার্তা পাবেন সুবিধাভোগী ব্যক্তি যে কোন এজেন্ট অথবা ATM অথবা DBBL শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন ফি এবং সার্ভিস চার্জ রেজিস্ট্রেশন ফি : ফ্রি টাকা জমাদান : জমাকৃত টাকার ১% অথবা ৫ টাকা, যেটি অধিকতর টাকা উত্তোলন : উত্তোলনকৃত টাকার ২% অথবা ১০ টাকা, যেটি অধিকতর মার্চেন্ট বিল পরিশোধ : গ্রাহকের জন্য ফ্রি মোবাইল টপ-আপ : গ্রাহকের জন্য ফ্রি বেতন বিতরণ : ফ্রি ভাতা বিতরণ : ফ্রি রেমিট্যান্স প্রদান : ফ্রি

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

অনেকদিন পরে লিখতে বসেছি। অনেক কিছু ভুলে গেছি বলতে গেলে লিখার সেই স্পীড টাই হারিয়ে গেছে তবে টিউনারপেজে লিখার মত নেশা এখনো কাজ করে বরাবরের মত। যাই হক আজকের এই ট্রিকস টি আমার অনেক ফ্যান চেয়েছে জানতে অতিতে সময় হয়নি লিখার আসলে। জানি না এর মাঝে এটি নিয়ে কেউ পোস্ট করেছে কিনা। যাই হক আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনার ফেসবুক একাউন্টে থাকা বন্ধুদের গোপন ই মেইল অ্যাড্রেস খুজে বের করতে পারবেন। অনেকেই আছে যারা নিজেদের ই মেইল আইডি লুকিয়ে রাখে ফেসবুকে কিন্তু তাদের ই মেইল অ্যাড্রেস গুলো ও বের করতে পারবেন খুব সহজে। চলেন শুরু করি?
a55a52eee1c779455644663d5557808a 899x596 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন
১। লজিক টা আগে বুঝে নিন বেপারটা খুব সহজ আসলে। ফেসবুকের ই মেইল আইডি গুলো লুকুনো থাকে অনেকের যা ফেসবুক থেকে দেখা যায়না টাই আমাদেরকে ইউজ করতে হবে ইয়াহু। মানে হচ্ছে ফেসবুকের সমস্ত ই মেইল আইডি গুলো আমরা ইয়াহুতে ইম্পরট করে নিব তাহলে সব আইডি পেয়ে যাচ্ছি। ক্লিয়ার?
২) প্রথমে আপনার ইয়াহু মেইল ওপেন করুন।
yahoo1 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

৩) এবার মেইল ওপেন হলে contacts ট্যাব এ চলে যান।
yahoo2 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন

৪) এবার Import contacts এ ক্লিক করুন।
৫) এখন facebook সিলেক্ট করুন।
৬) এবার একটি pop up জানালা আসবে ।
yahoo3 ফেসবুকের যে কোন বন্ধুদের লুকিয়ে রাখা ই মেইল অ্যাড্রেস বের করুন
৭) সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লগইন করুন আপনার ফেসবুক একাউন্ট যেখানের বন্ধুদের ই মেইল আইডি আপনি নিতে যান আর ফেবসুকে লইন করা থাকলে ওকে চাপুন।
৮) এবার বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগবে সকল আইডি ইম্পরট হতে। সব কিছু হয়ে গেলে ok চাপুন তাহলে নতুন একটি পেজে চলে যাবেন যেখানে আপনার ফেসবুকের সকল বন্ধুদের ই মেইল আইডি থাকবে।

যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক “Blue Screen Of Death” এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান

আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!! এখানে দেখে নিন সম্পূর্ণ সমাধান।
windows blue screen error যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
এবার চলুন নিজেই এমন একটি ফেক স্ক্রীন তৈরি করে সবাইকে একদম চমকে দেয়া যাক। এটি আসলে কারো কোন উপকার হবে না জাস্ট একটু ফান করা আরকি তবুও শেয়ার করলাম এই মজার জিনিসটি। যার সাথে এটি করবেন কছুখনের জন্য তার মাথা পুরা আউলায়া যাবে সিউর থাকেন। লল……। :p
১) প্রথমে নোটপ্যাড ওপেন করে নিজের কোডিং গুলো হুবুহ পেস্ট করুন।
@echo off

echo ^^^BSOD^ > bsod.hta

echo. >> bsod.hta

echo ^> bsod.hta

echo applicationname="BSOD"  >> bsod.hta

echo version="1.0" >> bsod.hta

echo maximizebutton="no" >> bsod.hta

echo minimizebutton="no" >> bsod.hta

echo sysmenu="no" >> bsod.hta

echo Caption="no" >> bsod.hta

echo windowstate="maximize"/^> >> bsod.hta

echo. >> bsod.hta

echo ^^>> bsod.hta echo ^ >> bsod.hta echo ^A problem has been detected and windows has been shutdown to prevent damage to your computer.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^DRIVER_IRQL_NOT_LES_OR_EQUAL^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^If this is the first time you've seen this stop error screen, restart your computer, If this screen appears again, follow these steps:^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Check to make sure any new hardware or software is properly installed. If this is a new installation, ask your hardware or software manufacturer for any windows updates you might need.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^If problems continue, disable or remove any newly installed hardware or software. Disable BIOS memory options such as caching or shadowing. If you need to use Safe Mode to remove or disable components, restart your computer, press F8 to select Advanced Startup Options, and then select Safe Mode.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Technical information:^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^*** STOP: 0x000000D1 (0x0000000C,0x00000002,0x00000000,0xF86B5A89)^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^*** gv3.sys - Address F86B5A89 base at F86B5000, DateStamp 3dd9919eb^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^Beginning dump of physical memory^ >> bsod.hta echo ^Physical memory dump complete.^ >> bsod.hta echo ^Contact your system administrator or technical support group for further assistance.^ >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo. >> bsod.hta echo ^ >> bsod.hta echo ^^ >> bsod.hta

start "" /wait "bsod.hta"

del /s /f /q "bsod.hta" > nul

bsod  যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
২। এবার এটি সেভ করুন Save as দিয়ে যেকন নামে যেমন bsod.bat (লাস্ত এ অবশ্যই .bat দিতে হবে এবং সেভ করার সময় file type দিতে হবে all files)
save যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৩) কাজ শেষ এবার Double ক্লিক করুন আমাদের বানানো ফাইলের উপরে bsod.bat
bsod 2 যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৪) এবার দেখতে পারবেন আপনার কম্পিউটার এর মাঝে একটি ফেক blue screen of death
windows blue screen error1 যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।
৫) এটি থেকে বের হতে চাইলে ctrl+alt+delete চাপুন এবং Task Manager – Applications থেকে bsod.bat সিলেক্ট করে End Task ক্লিক করুন।
end task  যে কারো কম্পিউটার এ তৈরি করুন ফেক Blue Screen Of Death এবং চমকে দিন বন্ধুকে সাথে সমাধান।

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

কয়েক মিনিটের মধ্যে উইন্ডোজ ইন্সটল Acronis true image home ফুল ভার্সন। শুধু ডাউনলোড করে সিডিতে রাইট করুন।

Acronis True Image Home নিয়ে দুইটি পোস্ট লিখেছিলাম এর আগে। পোস্ট থেকে অনেকের উপকার হয়েছে বলে আমি আশাকরি। তার পূর্বে Acronis True Image Home সম্পর্কে যারা জানেন না, তাদের উদ্দ্যেশে কয়েকটি কথা বলে রাখি। আমার দুইটি লেখার প্রথমটির শিরোনাম হল “Acronis true image home 2011 ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে উইন্ডোজ ইন্সটল  ও অপরটি লুফে নিন “Acronis true image home2012”। আজ লিখছি “Acronis true image home 2011 নিয়ে। কেননা আপনাদের জন্য উপহার হিসেবে দিতে যাচ্ছি, “Acronis true image home 2011 যার কোন সিরিয়াল কিংবা ডাউনলোড করে আর অন্য কোন ঝামেলায় যেতে হবে না আপনাকে। শুধু এখান থেকে ডাউনলোড করবেন এবং একটিভ ISO বারনার দিয়ে সিডি তে রাইট করবেন। ব্যাস কাজ শেষ। 

আমি বেশ উপভোগ করি Acronis True Image ব্যবহার করে। কেন জানেন, সেই যে কবে Acronis True Image এর ডিস্ক তৈরি করে আমার উইন্ডোজ ব্যাকআপ করে রেখেছি, প্রয়োজনে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যাকআপ উইন্ডোজ কে রিষ্টোর করে ফেলি। আমাকে আর ঘন ঘন সেটআপ দিতে হয় না। আমি বেশ তৃপ্ত। আরও বলে রাখি, শধু একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যাকআপ করিনি, উইন্ডোজ এক্সপি ও উইন্ডোজ ৭ ব্যাকআপ করে রেখে যখন যেটা মনে করি,তখন সেটা রিষ্টর করে ফেলি। একি সাথে ফরম্যাট ও সেটআপ। দারুন জিনিস। সময় বেচে যায়। আপনারাও ব্যবহার করতে পারেন। 

ন্ধুরা মুল ফাইলটি ১১৫ মেগা বাইট। কিন্তু আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে মাত্র ১০১ মেগাবাইট। ডাউনলোড করার সময় পাসওয়ার্ড চাইবে, পাসওয়ার্ড দিন pchelplinebd  ডাউনলোড করার পর উইন রার সফট দিয়ে একে এক্সট্রাক্ট করলে আপনি Acronis.2011.pchelplinebd.iso নামের একটি ফাইল পাবেন। একে আপনি   Active ISO Burner নামের সফটটি ব্যবহার করে সিডিতে রাইট করে নিন। এখান থেকে http://www.mediafire.com/?cq3aqti3ke9c6kyActive ISO Burner নামের সফটটি ডাউনলোড করে নিন। যদি পেন ড্রাইভ এ আপনি একে বুটেবল হিসেবে রাখতে চান তবে ও টিউটেরিয়াল টি দেখতে চান তবে এখানে দেখুন  http://www.pchelplinebd.com/?p=2829 । সতর্কতা যারা উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারদর্শী নন তারা আগে সেট আপ দেয়া শিখে নিয়ে  Acronis True Image ব্যবহার করুন। কারণ আপনার ভুলের কারণে হার্ড ডিস্কের সমুহ ফাইল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আজ এই পর্যন্ত। সবাই ভাল ও সুস্থ্য থাকুন।

A টু Z কলাকৌশল এবার আপনার পিসি কে করে তুলুন গতিময়!! না দেখলে আফসোস করবেন!!!

বাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি অাজকের দিনের টিউনস। আশা করি পিসি হেল্পলাইনের বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন।হ্যা নিজে ভাল থাকুন এবং আপনার আশপাশের মানুষটিও যেন ভাল থাকে সেটাই কামনা করি। বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন কাজের তাগিদে আমরা কম-বেশী অনেকেই পিসি ব্যবহার করছি। এবং অনেকই হয়ত নতুন পিসি ক্রয় করেছি অথবা ক্রয় করব এমনটা ভাবছি।

তবে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ সমস্যাটা হল নতুন হোক কিংবা পূরাতন হোক পিসিতে ভাল পরফরম্যান্স/গতি কিংবা ভাল স্পীড পাওয়া যায়না। ফলে অনেকেই হতাশায় ভোগেন কিংবা ভাবেন পিসি ক্রয় করে হয়ত ভূল করেছেন এমনটি। অপরদিকে যদি আপনি আপনার পরিচিতজন কিংবা বন্ধুদের পিসিতে কাজ করতে গিয়ে দেখতে পান যে, ফাটাফাটি স্পীড তাহলে অনেকেই নিজের মাথার চূল পর্যন্ত ছিড়তে দ্বিধাবোধ করবেন না। যাইহোক আজকের এই পোস্টটির লেখার মূল উদ্দেশ্যই হচ্‌ছে কিভাবে আপনি আপনার পিসির কাংখিত গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন। নতুন ও পূরাতন ইউজার উভয়ের জন্য পোষ্টটি প্রযোজ্য। আরেকটি ব্যাপার যারা নতুন পিসি ক্রয় করেন সেখান ভেনডর কিন্তু শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেম বা কিছু সফট: ইনষ্টল করে কাজ শেষ করে। কিন্তু পিসির সাবলীল গতি পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে নিজেকে পিসির কাষ্টমাইজ করতে হবে এবং নিদিষ্ট কিছু টিপস মেনে চলতে হবে। আসলে পিসির পারফরমেন্স যদি নতুন কেনা পিসির মতো না হয়, তবে কার ভালো লাগে বলুন? তাইতো পিসিকে অপ্টিমাইজ করার কৌশল নিয়ে আমার এ পোস্ট।  পূর্বেই বলে নিচ্ছি ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হয়ত পিসি হেল্প লাইনে এই বিষয়ে অনেক অনেকেই অনেক পোস্ট পড়েছেন, এবং লিখেছেনও। তারপরও আশা করি আমারটা পড়লে ভুল করবেননা। এক সাথে রিভিউ করা হয়ে যাবে।

 1.Turn off auto play
কম্পিউটার ভাইরাস ছড়ানোর জন্য প্রধানত দায়ী পেনড্রাইভ। যখন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ লাগানো হয়, তখন অনেক সময় পেনড্রাইভ অটো ওপেন হয়ে যায়। ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। আর ভাইরাস তো কম্পিউটারকে স্লো করে ফেলে। তাই অটো প্লে বন্ধ করতে হবে।
Run→gpedit.msc→enter→user configuration→administrative templates→system→turn off auto play→enable→all drive→ok. (Windows 7 এর জন্য প্রযোজ্য নয়।)
2.Antivirus software ব্যবহার করা

ফ্রী Antivirus software এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো Avast, AVG, Avira, Zone Alarm Antivirus এটিতে নতুন ভার্সন ও ভাইরাস definition অটো আপডেট হয়। তবে বেশ কিছু লাইসেন্স এন্টিভাইরাস রয়েছে যেগুলো পিসি কিছুটা স্লো করে যেমন- নর্টন, ক্যাস্পারস্কী,জিডাটা, ম্যাকাফি ইত্যাদি। তবে যদি লাইসেন্স এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হয় তাহলে ভালোটিই ব্যবহার করুন যেমন- ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি, পান্ডা টিটানিয়াম, কুইক হেল ইত্যাদি। আসলে সকল এন্টিভাইরাস সিকিউরিটির কাজ প্রায় একই রকম। তবে ইউজার রেটিং ও পিসি পারফরম্যান্স এর দিক হতে এদের বেশ কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়। আমার অভিজ্ঞতাতে সবথেকে ইসেটই সেরা। ১০০% গ্যারান্টি এটা কোনভাবেই পিসিকে স্লো করেনা।
ইসেট সিকিউরিটি নিয়ে পূর্বে আমাদের বন্ধুটীম পিসি হেল্প লাইনে একটি পোস্ট করেছিল। আপনারা সময় হলে একটু সেখানে ঢু মারতে পারেন। লিংক- Eset Smart Security
। আরেকটি ব্যাপার যে কোন এন্টিভাইরাস ইনষ্টলের সময় কাষ্টমাইজ অপশনে রেখে ইনষ্টল করলে সবথেকে ভাল হয়। কেননা এই অপশনের সাহায্য অনেক অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেয়া যায়।
৩। আপনার এন্টিভাইরাস কি কাজ করছে?
হ্যা একটি ছোট কোডিং লিখে সহজেই পরীক্ষা করা যায় এন্টিভাইরাস সচল আছে কি!
Antivirus software এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য নিচের কোডটি নোটপ্যাড ওপেন করে কপি করে Back4uvirus.comনামে সেইভ করুন।
X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
সেইভ করার সময় এন্টিভাইরাস সতর্কবাণী দেখাতে পারে। যদি দেখায় তবে বুঝতে হবে এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে।
মনে রাথুন- এটি কোন ভাইরাস নয়, EICAR দ্বারা develop করা একটি স্ট্যান্ডার্ড ট্যাস্ট ফাইল।
 ৪।ব্রাউজারে safe browsing tool ব্যবহার করা

ইন্টারনেটে ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে  ব্রাউজারে extension যোগ করা যায়। এমন একটি extensionহলো web of trust বা সংক্ষেপে WOT. কোন ওয়েবসাইটে যদি ভাইরাস থেকে থাকে তবে এই extension ঐ ওয়েবপেইজটি ব্লক করে সতর্ক করে।
মজিলার ক্ষেত্রে Tools→add ons→get add ons এ গেলেই পাওয়া যাবে।
WOT-Safe Surfing 20120910 . অ্যাডঅন ইনষ্টল করতে ব্রাউজারে উক্ত লেখাটি পেষ্ট করলেই পেয়ে যাবেন।
ইন্সটল করলে লোকেশান বারের কাছে একটি আইকন আসবে। ভিজিটকৃত সাইটটি নিরাপদ হলে  এর রঙ হবে সবুজ।
*এছাড়া MCAFEE SITE ADVISOR ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া সবথেকে ভাল  AVG Link Scanner ব্যবহার করা। এটি সকল ব্রাউজার সাপোর্ট করে। মূলত অযথা বা সন্দেই জনক একসেস হতে সুরক্ষা দিবে। অবশ্য এই বিষয়ে অআমরা একটি পোস্ট করেছিলাম পিসিহেল্প লাইনে।
পোষ্টটি ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন- AVG Link Scanner
৫. Windows এর অপ্রয়োজনীয় ফিচার বন্ধ করা

৬. System Restore বন্ধ করা
এজন্য my computer এ right button ক্লিক করে properties, এরপর system restore এ যেতে হবে। এরপর C ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর system restore বন্ধ করতে হবে। এতে ড্রাইভগুলোতে খালি জায়গার পরিমাণ বেড়ে যাবে। (Windows 7 এ system restore বন্ধ করা থাকে)
৭. অটো চালু হওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করা
run→msconfig→ start up এ গিয়ে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম (যেমন- অ্যান্টিভাইরাস) বাদে বাকীগুলো disable করা।
৮. অপ্রয়োজনীয় সার্ভিসসমূহ বন্ধ করা
সিস্টেমের সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভিসসমূহ চালু হয়ে যাবে – এর প্রয়োজন নেই। বন্ধ করতে হলে যা করতে হবে –run→msconfig→services→অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস disable.
Hide all microsoft service এ টোগল করে রাখাই ভালো।
৯.শাটডাউনের সময় কমিয়ে দিন

1.     run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→waittokillapptimeout→double click→1000→ok
2.     run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→hungapptimeout→1000→ok
3.     run→regedit→ok→hkey_user→.default→controlpanel→desktop→waittokillapptimeout→1000→ok
4.     run→regedit→ok→hkey_local_machine→system→currentcontrolset→control→waittokillservicetimeout→1000→ok
১০. অপ্রয়োজনীয় software আনইন্সটল করা

*যে সব সফটওয়্যার সব সময় কাজে লাগে না সেগুলো অপ্রয়োজনের সময় আনইন্সটল করে রাখা। এক্ষেত্রে আমার ভালো লাগে Iobit uninstaller. এর powerful scan অপশনটি খুবই চমৎকার।
*অপ্রয়োজনীয় windows প্রোগ্রাম বন্ধ করতে Control panel→add or remove program→ add or remove windows components এ গিয়ে Accsessories & Utilities, Internet Explorer, Windows Media Player, Microsoft .NET Framework,…… ছাড়া বাকীগুলো থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিয়ে next→ok দিতে হবে।
*Windows এর গেইমস remove করতে হলে run→appwiz.cpl→ add or remove windows components→details এ ক্লিক করে games থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিতে হবে।
***আমার কাছে লক করার সফটওয়্যারগুলো অপ্রয়োজনীয়  মনে হয়। আপনার ফাইলগুলো zipped folder এ রেখে file এ গিয়ে add a password এ পাসওয়ার্ড দিলেই তো হয়ে গেলো।
***একটি চমৎকার সফটওয়্যার হচ্ছে free opener. এটি দিয়ে অনেক ধরনের ফাইল খুলা যায়।
১১.Portable software ব্যবহার করা
এগুলোতে ইন্সটলের ঝামেলা নেই, সিস্টেম ড্রাইভ এ জায়গাও দখল করে না। Portable software এর সমাহার রয়েছে www.portableapps.com এ। নিজে ও তৈরি করতে পারেন।
১২.কম সাইজ এর সফটওয়্যার ব্যবহার করা
অন্যান্য সুবিধা একই থাকলে সিস্টেম ড্রাইভে কম জায়গা দখল করে এমন সফটওয়্যার ব্যবহার
করা। যেমন- Adobe Reader (204MB) এর পরিবর্তে Foxit Reader(11MB) ব্যবহার করা।
১৩. অপ্রয়োজনীয়  ফাইল ডিলিট করা

কাজ করার সময় অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি হয়, যেগুলো ডিলিট করার ব্যবস্থা থাকেনা। তাই এগুলো ম্যানুয়্যালি ডিলিট করতে হবে।
*run→eventvwr→select application, system, ……, microsoft office sessions →action→clear all events→no
*run→ prefetch→ ok→ ctrl+A →shift+delete
*run→%temp%→ok→ select all→shift+delete
*run→temp→ok→ select all→shift+delete
*run→cleanmgr→select drive→ok
*run→recent→ ok→ select all→shift+delete
*search→ .tmp, .old→ok→ctrl+A→shift+delete.
*F3→ .bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$→ok→ctrl+A→shift+delete.
**ভালোভাবে দেখে .tmp, .old, .bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$ ফাইলগুলো ডিলিট করবেন।
১৪.হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন

আপনি ফাইল তৈরি, মডিফাই, কপি, ডিলিট করে থাকেন। ক্রমাগত এসব করা কালে অনেক ফাইল ফ্র্যাগমেন্টেড হয়ে যায়। এর ফলে ডেটাগুলো কাছাকাছি থাকেনা, ডিস্কে ছোট ছোট ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। এরকম অনেক ফাঁকা জায়গা, ফ্র্যাগমেন্টেড ফাইল তৈরি হলে, আপনার প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম চালানোর সময় ফাইল খুঁজা এবং সকল ফ্র্যাগমেন্টেড ফাইল একত্রে লোড করতে অনেক সময় লাগে। ফলে পিসির সার্বিক পারফরমেন্স খারাপ হয়ে যায়। হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করতে হলে যা করতে হবে-
*run→dfrg.msc (Windows 7 এ dfrgui)→select  hard disk drive→ defragment disk
অবশ্য আপনি বেশ কিছু থার্ডপার্টি ইউটিলিটি ডিফ্যাগ টুলস ব্যবহার করতে পারেন। এই গুলো উইন্ডোজ ডিফ্রাগ হতে সবথেকে বেশী কার্যকর। এখানে বিভিন্ন ধরনের টুলস রয়েছে যেমন- Smart Defrag, IOBIT Defrag, Auslogic Defrag ইত্যাদি।
১৫। ওয়েব ব্রাউজারের History ক্লিয়ার করা
যেকোন একটি ওয়েব পেইজ ভিজিট করলে ব্রাউজার তার একটি টেম্পোরারি ফাইল তৈরি করে। ফলে পরবর্তিতে ঐ পেইজটি ব্রাউজার নতুনভাবে লোড না করে টেম্পোরারি ফাইল ব্যবহার করে মুহূর্তেই উপস্থাপন করে। ক্ষণকালের জন্য ভালো হলেও দীর্ঘদিন টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট না করা হলে ব্রাউজার প্রথমে সবগুলো টেম্পোরারি ফাইল চেক করে এবং তদানুসারে পেইজ লোড করে। এতে ব্রাউজিং এর গতি কমে যায়, সময় বেড়ে যায়।
ডিলিট করতে হলে firefox এর ক্ষেত্রে ctrl+shift+delete→everything(time range to clear)→clear now
১৬। অতিরিক্ত ফন্ট ডিলিট করা
উইন্ডোজ সব ফন্টই স্টার্টআপের সময় মূল মেমোরিতে নিয়ে নেয়। ফলে বুটটাইম বেড়ে যায়। run→fonts এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয়  ফন্টগুলো ডিলিট করে দেয়া যায়।
**সিস্টেম ফন্ট নিয়ে তালগোল পাকানো ঠিক নয়। সিস্টেম ফন্টের লিস্ট পাওয়া যাবেhttp://www.microsoft.com/typography/default.mspx ঠিকানায়।
ছোট একটি টপিকস
Notepad খুলে mystring=(80000000) লিখে ফাইলটি ram.vbe নামে সেইভ করতে হবে। তারপর run→regedit→ok→hkey_current_user→controlpanel→desktop→(left position)menushowdelay→0→ok.
File এ গিয়ে exit করে কম্পিউটার restart করতে হবে। কম্পিউটার চালু হলে ram.vbe ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে এটি background এ কাজ শুরু করবে। ফাইলটিকে startup এ রেখে দিলে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে ফাইলটিতে ক্লিক করতে হবে না।
Desktop এর সৌন্দর্য বাড়াতে ফাইলটিকে Hidden করে রাখতে পারেন।
১৭। বাড়িয়ে নিন virtual memory

কম্পিউটারে RAM কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয় যায় এবং একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালালে হ্যাং হয়ে যায়। Virtual memory (page file) বাড়িয়ে এ সমস্যা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
RAM যখন সম্পূর্ণ হয়ে যায় তখন অতিরিক্ত memory হিসেবে virtual memory ব্যবহৃত হয়।
right button to my computer→properties→ advanced→setting of performance→advance
এখন change এ ক্লিক করলে নতুন যে window আসবে সেখানে সিস্টেম ড্রাইভ ছাড়া অন্য একটি ড্রাইভ (যেহেতু সিস্টেম ড্রাইভে কিছু virtual memory থাকেই) ক্লিক করে custom size অপশানে Initial size  এ র‍্যামের সাইজের দ্বিগুন এবং Maximum size এ চারগুন লিখে set এ ক্লিক করে ok দিয়ে computer restart করুন। জমা হওয়া page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলতে
*control panel→Administrative Tools→local Security Policy→local policies→security options→shut down : clear virtual memory page file→enable→ok.
*HKEY_LOCAL_MACHINE→system→current control set→control→session manager→memory management→disable paging executive→ভ্যালু দিতে হবে 1
অবশ্য Ram এর  চেয়ে হার্ডডিস্ক ধীরগতির।
হার্ডডিস্কে অনেক সময় গারবেজ, ব্যডসেক্টর, নিয়মিত স্ক্যান না করার ফলে ধীরগতির হয়ে যায়। ফলে দ্রুতভাবে কাজ করতে পারেনা। এই ক্ষেত্রে কাজে দিতে পারে এমন সবথেকে একটি ভাল ইউটিলিটি হচ্ছে- HDD Reggenarator. এটি কিভাবে কাজ করে, কিভাবে ব্যাড সেক্টর দূর করা যায় এই বিষয়ে অআমাদের বন্ধুটীম পূর্বে পোস্ট করেছিল।
সেটি দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন- HDD Reggenarator
 আরো কিছু নিয়মাবলী-
*ডেস্কটপে কম সংখ্যক আইকন রাখুন।
*হার্ডডিস্কের পার্টিশান সংখ্যা কম রাখুন। আমার কাছে চারটিই যথেষ্ট মনে হয়।
*মাউস কার্সারের ক্ষেত্রে ডিফল্ট কার্সার ব্যবহার করুন।
*এমন কোনো থিম ব্যবহার করুন যা ফোল্ডারের কালার পরিবর্তন করে। এক্ষেত্রে কিন্তু ভাইরাস যুক্ত ফোল্ডারের কালার পরিবর্তন হবেনা।
(ডিফল্ট হলুদ রঙের ফোল্ডার দেখতেও তো ভালো লাগেনা)
CustoPacks অথবা TuneUp Utilities এর customize windows টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।
*মাঝে মাঝে হার্ডডিস্কের error চেক করে দেখুন। properties of drive→tools→error-checking→check now button→choose your option→ok
*crack, patch একটু কম ব্যবহার করতে হবে।
*software এর আলফা , বিটা ভার্সান ব্যবহার না করাই ভালো।
*যাদের সৌন্দর্যবোধ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই, তারা ডেস্কটপে কোন থ্রিডী বা ভারী ওয়ালপেইপার না রাখলেই পারেন।
দু’টি সফটওয়্যার

অযাতিত, অপ্রয়োজনীয়  ফাইল, রেজিস্ট্রি এন্ট্রি ডিলিট করার জন্য দুইটি ভালো সফটওয়্যার হচ্ছে C Cleaner এবং Galary Utilities। এই বিষয়েও আমরা পোস্ট করেছিলম। লিংক- C Cleaner এবং Galary Utilities
Clock speed of CPU
CPU এর ক্লক স্পিড যত বেশি হবে প্রতি সেকেন্ডে পিসি তত বেশি instruction execute করতে পারবে। ক্লক স্পিড হার্জ এককে প্রকাশ করা হয়।
Register size of CPU
এটি হচ্ছে CPU’র মধ্যে মেমোরি এরিয়া। CPU যে ডেটা, ইন্সট্রাকশান প্রসেস করে সেগুলো রেজিস্টারে জমা হয়। রেজিস্টার সাইজ বলতে বুঝায় পিসি একবারে যে পরিমাণ ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে। বর্তমান পিসিগুলো 32, 64 bit registers.
Cache memory
CPU যেগুলো লোড করে সেগুলোই ধারণ করে ক্যাশ মেমোরি যা খুবই দ্রুতগতির। প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU প্রথমে প্রয়োজনীয় নির্দেশ ক্যাশ মেমোরিতে আছে কিনা চেক করে। যদি না থাকে তবে র‍্যাম হতে রিড করে এবং সাথে সাথে এর একটা কপি ক্যাশ মেমোরিতে হোল্ড করে। ফলে পরেরবার আর র‍্যাম এ যেতে হয়না। বুঝতেই পারছেন ক্যাশ মেমোরি কিভাবে সিস্টেমকে গতিময় করে তুলে।
Bus width, bus speed
কত দ্রুতগতিতে (bus speed) এবং কত বিট (bus width) ডেটা ট্রান্সমিট হতে পারবে তা বাস এর উপর নির্ভর করে।
RAM
পিসিতে যদি র‍্যাম কম থাকে তবে পিসি ঘনঘন ডেটা মুভ করতে থাকে র‍্যাম এবং হার্ডডিস্কের মধ্যে (যাকে বলে swapping)। যেটা পিসির performanceকে স্লো করে দেয়।
১৭। Acronis True-

মনে করি আপনি উপরোক্ত আলোচনা অনুযায়ী বেশ কিছু টিপসের কাজ করেছেন। এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হল-আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমকে ব্যাকআপ করে রাখা। কেননা, বলা তো যায়না কখন আপনার অপারেটিং ক্রাশ করবে বা নষ্ট হবে। তখন ইনষ্টল করতে ও পিসি সাজাতে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা মত সময় নষ্ট করতে হয়। তাছাড়া হয়ত পূর্বের সেটিংসগুলো পাওয়া যায়না। তাই এক্ষেত্রে ব্যাকআপের দরকার পড়ে। কেননা, অপারেটিং নষ্ট হলে তা ব্যাকআপ ফাইল হতে ৫-১০ মিনিটের মধ্যই উইন্ডোকে পূর্বের অবস্থাতে ফেরত আনতে পারবেন। ব্যাকআপের সবচেয়ে ভাল ইউটিলিটি হল- Acronis True

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More