আসসালামু আলাইকুম

শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১২

হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

আমরা এবার keylogger দিয়ে হ্যাক করব। আমরা এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের পাস হ্যাক করতে পারব।
তাসারা মজার বিষয় টা হল এটা কন অ্যান্টিভাইরাস detect করতে সক্ষম হবে না।
এই রকম টিউন টা আমি কিছু দিন আগে করেসিলাম কিন্তু আমি চেয়েসিলাম পর্ব করে টিউন করতে তবে এখন আমি আপনাদের একবারেই মূল বিষয় টা শিখাতে চাই কারন আমার ওয়েবসাইট এ আপনারা মহা মূল্যবান keylogger আর crypter পাবেন। এগুলো এখন আমি আপনাদের দিতে পারসি না
কারন আপনিরা ব্যবহার করতে পারবেন না। সে জন্নই এই পোস্ট টি করা।আমি পরে হয়ত চেইন টিউন করব তবে এই টিউন থেকে আপনারা মূল বিষয় টা বুঝতে পারবেন আসা করি।


প্রথমে আমরা জেনে নিব keylogger কি?
Keyloggin বা Keystroke Logging হে􀇱 একটা হাড􀅪 ওয়􀆟ার অথবা একটা সফটওয়􀆟ার গত িসে􀊁ম মিনটর 􀄺যটা একটা কি􀉑উটার এর 􀆵িত 􀇅 কী 􀄺বাড􀅪
এর 􀄺􀊀াক মিনটর / পয􀅪েব􀇘ণ কের 􀄺রকড􀅪 কের ওই কি􀉑উটার এর ইউজার এর অ􀇷ােত । কীলিগং হাড􀅪 ওয়􀆟ারগত অথবা সফটওয়􀆟ারগত 􀄺যেকােনা উপােয় করা
হয় । একটা অ􀆟াি􀈥ভাইরাস এ কীলগার 􀄺ক 􀄺􀆪াজান এবং ব􀆟াকেডার িহেসেব সনা􀇏 কের ।
আমি আপনাদের কে refelect keylogger আর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েসি তবে এবার জেতার সাথে পরিচয় করাব সেতা project neptune এটা দিয়ে আপনি আরও বেসি কিছু করতে পারবেন।
ভিকটিম যে যে কাজ করবে টা আপনার কাসে চলে আসবে সাথে ডেক্সটপ আর ইমেজ অ আসবে।
তখন আপনি পেয়ে যাবেন তার সকল পাস।
আসা করি বুঝতে পেরেসেন না বুঝলে আমি আর পরের টিউন এ বিস্তারিত বলব।
এখন build up করার পালা।

ডাউনলোড করে নিন

  • run as administrator করে ওপেন করুন project neptune keylogger টা।
Screenshot 1 1 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।

  • এই রকম একটা উইন্ডো ওপেন হবে।
Screenshot 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • ইমেইল setting: এ example@examplesserver.com এই ঘরে আপনার জিমেইল আইডি দিন।
  • sending email account password এ আপনার অ্যাকাউন্ট আর পাস দিন। ভয় নেই হ্যাক হবেন না এইটা এর official সাইট থেকে ডাউনলোড করা। এবার email to recive keystroke logs এ আপনার জিমেইল আইডি টিই দিন।
Screenshot 1 2 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • system wide এ কন কিছু পরিবর্তন করবার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • extra option এ আপনি error massage দিতে পারেন।
  • আসারা এর কন কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • এবার server creation এ কিছু কাজ করতে হবে। দাগ দেয়া জায়গায় কয়েক বার ক্লিক করুন।set server process as : এ আপনার সারভার এর নাম দিন।
  • এবার generate new server এ ক্লিক করে সারভার টি browse করে সেভ করুন।
এবার আমরা crypter এর সাথে পরিচয় হব।
Cryptography : এস􀉑েক􀅪 wikipedia বেল
Cryptography (or cryptology; from Greek κρυπτός, “hidden, secret”; and γράφειν, graphein, “writing”, or -λογία, -logia,
“study”, respectively) is the practice and study of techniques for secure communication in the presence of third parties
(called adversaries).
অথ􀅪াৎ সংে􀇘েপ তথ􀆟 􀄺গাপন বা লুকােনার প􀈝িত 􀄺ক cryptography বলা হয় । এটা আসেল এটা িবশাল িব􀇷ান । এ ব􀆟াপাের graduation certificate ও
􀄺দয়া হয়
সুরু করি কাজ আপনারা আনকে বিভিন্ন crypter পাবেন তবে কাজ করবেনা কারন অ্যান্টিভাইরাস ত আপডেট হয় তাই আমরাও  আপডেট crypter ব্যবহার করব। জাতে অ্যান্টিভাইরাস detect করতে না পারে।

this crypter download করে নিন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
এবার crypter টা ওপেন করুন।
 হ্যাকিং এর মেগা টিউন। সব অ্যাকাউন্ট হ্যাক।
  • সুধু যে যে জায়গায় দাগ দেয়া সেগুলর কাজ আমরা করব।
  • প্রথমে browse for your server hare এ আপনি যেই ফাইল যে তৈরি করলেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • browse for the stub এ আপনি এই crypter এর ফোল্ডার এ একটা stub নামে প্রোগ্রাম দেখতে পারবেন সেটা সিলেক্ট করুন।
  • click hare to generate এ কয়েকবার ক্লিক করুন।
  • এর ডান পাসে দাগ দেয়া দুইতি অপশন সিলেক্ট করে finilize crypter data অপশন এ যান এর পর crypt data এর মাধ্যমে crypt করুন
browse করে ফাইল টি সেভ করুন এর পাঠিয়ে দিন ভিকটিম এর কাসে।
তার পর থেকেই আপনি পেতে থাকবেন তার সবকিসু।
আর এ সব কিছু হবে গোপনে।
সবাই ভাল থাকুন। আর আমার ওয়েবসাইট আর সাথেই থাকুন।

কেও কার ক্ষতির জন্য ব্যবহার করলে আমি দায়ি না।

KNOW HACKING|NO HACKING

আপনি কি অলস তাহলে আপনার জন্য এই সফটওয়ার মাত্র্র ৮ কিলোবাইট!!!!!!!!! ;)

আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি সকলেই ভালো আছেন।আজ আমি আপনাদের জন্য CD Drive এর ১টা ছোট সফটওয়্যার শেয়ার করবো………………….আমি একটু অলস প্রকৃতির ছেলে,তাই কিভাবে চেয়ারে বসে পিসি এর কাজ করবো তাই চেষ্টা করি…………………….আমার টেবিল থেকে CPU টা ১টু দূরে,তাই CD Drive open করতে আমাকে বারবার উঠতে হয়,তাই খুজতে লাগলাম কিভাবে বসে এই কাজ টা করা যায়……………………আবার এটাও আমি খেয়াল করলাম যে আমরা সবাই মাউস চেপে সিডি ড্রাইভ ওপেন তো করতে পারি, কিন্তু অনেকেই মাউস চেপে তা আর ক্লোজ করতে পারিনা………………….. ফলে সিপিউ’র Eject and Close বাটনটি চাপতে চাপতে অনেকেই সেটি লুজ করে ফেলি…………………… এখন আর আপনাকে এ কাজটি করতে হবে না …………………তাই আমি খুঁজতে খুঁজতে একদিন এমন ১টা পোর্টেবল সফটওয়্যার পেয়ে গেলাম,যা দিয়ে বসে বসে CD Drive open & eject করা যাবে………………আপনি শুধু ডাবল ক্লিক করে CD Drive open&eject করতে পারবেন………………………সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র ৮ কিলোবাইট …………………..আমার মতো আপনি ও যদি অলস হোন তাহলে try করে দেখতে পারেন…………………..
download button013 copy আপনি কি অলস তাহলে আপনার জন্য এই সফটওয়ার মাত্র্র ৮ কিলোবাইট!!!!!!!!! ;)
এর আগে এইটা নিয়ে পোস্ট হয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রাথী………………..
এখন থেকে নো টেনশন………………..ডু ফুর্তি………………..সবাইকে আমার পক্ষ থেকে রমজানুল মোবারক ……………………

আপনাদের ব্লগে বা ওয়েবে ভিজিটরকে আপনি স্বাগতম জানাতে চান ?

কেমন আছেন আপনারা ? আশা করি ভাল আছেন । আমার নতুন পোষ্ট শুরু করছি ।
 আপনাদের ব্লগে বা ওয়েবে স্বাগতম বাতা দেখতে চাইলে আমার এই code টি আপনাদের
 ব্লগে বা ওয়েবে ব্যবহার করতে পারেন ।

নিচের ধাপ সমুহ অনুসরণ করুনঃ

১:আপনার ব্লগ এ লগ ইন করুন।

২:নিচের code টি কপি করে আপনার 
ব্লগে design > layout > add a gadget > HTML/JavaScript ক্রম অনুযায়ি যান

এবং code পেষ্ট করুন ।

Welcome to my site এর স্থানে আপনার যা ইচ্ছা লেখতে পেরেন ।


<!-- this script got from imomniscien.blogspot.com coded by: morad hasan-->
<html>
<head>
<script language="javascript" type="text/javascript">
alert("Welcome to my site")
</script>
</head>
</html>       
<font face="Tahoma"><a target="_blank" href="http://imomniscien.blogspot.com/"><span style="font-size: 8pt; text-decoration: none">Free Code</span></a></font>




৩:save করুন ।
কাজ শেষ। আপনার ব্লগে দেখুন ।


 সবাইকে ধন্যবাদ। আর কেমন হয়েছে জানাবেন।

হারিয়ে যাবার পরও আপনার মোবাইলকে ট্রেস করুন

মোবাইল ফোন বর্তমানে আমাদের একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু হয়ে দাড়িয়েছে। মোবাইল ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা দুঃসাধ্য ব্যাপার। আর এই শখের মোবাইল যথন রিয়ে যায় তথনই বুঝা যায় এর মূল্য কতটুকু। আজ আপনাদের শিখাবো কিভাবে কখনো প্রিয় মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেলে সহজেই আপনি সেটিকে ট্রেস করতে পারবেন।এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
১। আপনার মোবাইল থেকে *#০৬# চাপুন ।
২। এবার আপনি ১৫ সংখার একটি নাম্বার দেখতে পাবেন।এটাকে IMEI no বলা হয়।IMEI no টি আপনি কোন জায়গায় লিখে রাখুন।অবসসই মোবাইল এ না। কারন আপনার মোবাইল টি হারিয়ে গেলে আই নম্বর টি আপনাকে আপনার মোবাইল টি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
৩। যদি আপনার মোবাইল টি হারিয়ে যায় তাহলে আপনাকে সুধু এই অ্যাড্রেস এ একটা মেইল করতে হবে।
মেইল অ্যাড্রেস : cop@vsnl.net
৪। মেইল করার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মদ্দে GPRS এবং internet এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলটি ট্রেস করা হবে ।যে সব তথ্য সহ আপনি মেইল করবেনঃ
Your name:
Address:
Phone model:
Make:
Last used No:
E-mail for communication:
Missed date:
IMEI No:
৫। এছাড়া নেটে অনেক রকমের সাইট আছে যেখানে আপনি রেজিষ্ট্রেসন করলে তারা আপনার মোবাইল ট্রেস করে দেবে ।এমন কিছু সাইটের ঠিকানা :
http://www.trackimei.com/
৬। আপনারা চাইলে পূর্ব থেকে আপনার মোবাইলে মোবাইল ট্রাকার ইনস্টল করতে পারেন।এতে আপনি নিজেই মোবাইল খুঁজে পেতে পারবেন।

উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

কেমন আছেন? মাহে রমজানের শুভেচ্ছা সবার জন্য। আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পোষ্ট করতে যাচ্ছি। icon razz উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

অনেক সময় ভাইরাস এর কারণে অথবা আমরা নিজেরাই রেজেষ্ট্রি এন্ট্রিতে না বুঝে অনেক কিছু পরিবতর্ন করে ফেলি। এর জন্য পরবর্তীতে পিসি চালু করতে নিচের পর্দার মতো ম্যাসেজ আসে।
windows kayuagung উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

এটা দেখা গেলেই যে কেউ আপনাকে বলবে যে উইন্ডোজ আবার রি-ইন্সটল দিতে। এতে যেমন সময় লাগবে তেমনি আপনার মাই ডকুমেন্ট এ সংরক্ষিত ফাইল গুলোও ফরম্যাট হয়ে যাবে।


এমন সমস্যা হলে উইন্ডোজ রি-ইন্সটল না দিয়ে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন:

১। উইন্ডোজ এক্স.পি. সিডিটি পিসিতে বুট করুন। (অরিজিনাল সিডি থাকলে ভাল)
xp install 1 উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।
২। ওয়েলকাম টু সেটআপ পর্দাটি আসবে। সেখান থেকে R বাটনটি চেপে রিকোভার কনসোল টি চালু করুন।
Untitled 11 উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।
৩। আপনার যেই ড্রাইভ এ এক্স.পি ইন্সটল করা আছে সেটি নির্বাচন করুন। (সাধারণত সি: ড্রাইভ)

৪। এরপর যদি লগ-ইন পাসওর্য়াড বা বুট সেক্টর পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন তবে সেটি দিয়ে এন্টার দিন।

৫। একটি কমান্ড প্রোমোট আসবে “c:\windows>”

৬। এখন কমান্ড প্রোমোট এ নিচের কমান্ড গুলো অনুসরণ করুণ:
c:\windows>cd \system32\config\ > press Enter
c:\windows\system32\config>del system press Enter
c:\windows\system32\config>del software press Enter
c:\windows\system32\config>del sam press Enter
c:\windows\system32\config>del security press Enter
c:\windows\system32\config>del default press Enter
c:\windows\system32\config>cd .. press Enter
c:\windows\system32>cd .. press Enter
c:\windows>cd repair press Enter
c:\windows\repair> copy system c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy software c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy sam c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy security c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy default c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair>EXIT press Enter

৭। উপরের বোল্ড দেওয়া প্রেস এন্টার বলতে আপনাকে এর আগের কমান্ড লিখে এন্টার চাপতে বলা হয়েছে। এখানে কমান্ড প্রোমোটে প্রেস এন্টার কথাটি লিখতে হবে নাহ।

৮। এরপর নিজে নিজেই পিসিটি রিস্টার্ট নিবে এবং এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
Windows XP splash screen উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

ধন্যবাদ।

রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

আমরা অনেকেই এই টিপসটির ব্যাপারে জানি। আবার অনেকেই জানি নাহ।

নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন:
right click menu রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

এটি আমার পিসির রাইট ক্লিক মেনু। এখানে কপি টু ফোল্ডার .. .   এবং মুভ টু ফোল্ডার . . . .  নামে দুটি এক্সটা অপশন রয়েছে। আপনার চাইলে সহজেই এটি আপনার পিসিতেও একটিভ করতে পারবেন।

যা যা করতে হবে:
*****Be sure to back up the Registry file before you begin.***********


১। র্স্টাট মেনু থেকে রান অপশনটিতে ক্লিক করুন।
119 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
২।এরপর লিখুন regedit এন্টার দিন।
217 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৩। রেজেস্ট্রি এডিটর আসবে।
311 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৪। সেখান থেকে নিচের কমান্ড গুলো অনুসরণ করুণ:

HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers
410 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
58 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

৫। এখন ContextMenuHandlers ফোল্ডারে রাইট বাটন এ ক্লিক করে নতুন কী যোগ করুন।
66 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৬। কি টির নাম দিন কপি টু।
75 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৭। এখন  কপি টু ফোল্ডারটি সিলেক্ট থাকা অবস’ায় ডান দিকের ডিফল্ট মেনুতে ডাবল ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।
83 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৮। এখন ভেল্যু ডাটা অপশনে নিচের কোড টি কপি-পেস্ট করে ওকে দিন।

{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}

১০। এখন আবার আরেকটি কি যোগ করুন । নাম দিন মুভ টু। এরপর ডিফল্ট বক্সে ডাবল ক্লিক করে ডাটা ভেল্যুতে নিচের কোড টি কপি পেস্ট করুন।

{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}


১১। এখন রেজেষ্ট্রি এন্ট্রি বক্সটি বন্ধ করুন। একবার পিসি রির্ষ্টাট দিন।

এর পর আপনার রাইট বাটনে কপি – টু এবং মুভ – টু অপশনটি আসবে। icon biggrin রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

শুক্রবার, ১৩ জুলাই, ২০১২

চটজলদি ডেস্কটপ থেকে আইকন গুলি সরিয়ে দেয়ার পদ্ধতি।

অনেক পুরাতন টিপস। যারা নতুন তাদের জন্য আজকের এই টিপস। যারা ডেস্কটপ থেকে খুব তাড়াতাড়ি আইকন গুলি সরিয়ে ফেলতে চান তারা আমার এই টিপসটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। খুব সহজ এই পদ্ধতি। প্রথমে আপনাকে ডেস্কটপের ফাঁকা জায়গায় মাউজের রাইট বাটন এ ক্লিক করে Arrange Icons By এ মাউজ রাখুন এবং নিচের চিত্রের মত আসলে Show Desktop Icons থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার দেখুন কোন আইকন ডেস্কটপে আর নেই।

 আপনি যদি আবার আইকন গুলি ফেরত আনতে চান একই পদ্ধতি অবলম্বন করে শুধু Show Desktop Icons এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিবেন। তো বন্ধুরা পদ্ধতি টি কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

পিসি সুইট বা অন্য কোন সফ্টওয়ার ছাড়ায় ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করুন !!!

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে খুব ভালো আছেন।
আপনারা যারা ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, বেশির ভাগ ই মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে নকিয়া পিসি এর মাদ্ধমে ব্রাউজ করেন। কিন্তু আপনারা  চাইলে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে পিসি সুইট বা অন্য কোন সফ্টওয়ার ছাড়ায় ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন।
undefined
প্রথমে আপনার মোবাইল ফোনের Setting>Connectivity>USB তে প্রবেশ করুন তারপর সেখান থেকে USB connection mode এ Connect pc to web সিলেক্ট করুন এবং Ask on connection থেকে No সিলেক্ট করুন।
এখন কেবল দিয়ে আপনার মোবাইল ফোন টি আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযোগ করুন, যখ্ন আপনার ফোন টি কম্পিউটারের সাথে সঠিক ভাবে সংযোগ প্রাপ্ত হবে তখন আপনার কম্পিউটারটিতে নকিয়ার একটা কানেকসন ম্যানেজার সেট আপ হবে আর আপনি ওটা দিয়ে মাত্র এক ক্লিকেই ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন।
আশা করি যারা জানেননা তাদের কাজে লাগবে।
ভাল লাগলে জানাবেন

কম্পিউটারের সাটডাউনের সময় নির্ধারণ করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে।

কাজের কথায় চলে যাই। মনেকরুন আপনি আপনার কম্পিউটারটিকে নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন করতে চান কিন্তু আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নেই! তবে এই কাজটি কোন সফটওয়্যার ছাড়াই করতে পারেন!!! ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটারকে ৫ মিনিট পর সাটডাউন করতে চান, তাহলে ৫ মিনিটরে সময় হল ৩০০ সেকেণ্ড। এক্ষেত্রে প্রথমে Start Menu থেকে Run এ ক্লিক করুন। তারপর টাইপ করুন Shutdown.exe-s-t-300 এবং Ok করুন। আপনি যদি ৫ মিনিটের পরিবরতে অন্য কোন সময় কম্পিউটার বন্ধ করতে চান তাহলে সেই সময়কে সেকেণ্ডে প্রকাশ করুন এবং ৩০০ জায়গায় তা টাইপ করুন। আপনার কম্পিউটার নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন হবে। আর যদি আপনি এই টাইমার বন্ধ করতে চান তাহলে Start Menu থেকে Run এ গিয়ে Click করুন তারপর Shutdown.exe-a।

বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১২

আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন আপনারা আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য একটি টিপস নিয়ে এসেছি। আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!!
windows blue screen error আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
এই সমস্যাটির নাম হল blue screen of death (BSOD). মূলতঃ এই সমস্যাটি ঘটে আপনার সিস্টেমের অত্যান্ত প্রয়োজনীয় কোন ফাইলের সমস্যা, বিকৃত, ফাইলটি মুছে যাওয়া বা এর যে কোন অংশের পরিবর্তনের কারণে।
যখন আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করে তখন উইন্ডোজ একটি ফাইল তৈরি করে নিজে থেকেই, এর নাম “dumps”. আর এটি জমা হয় :\Windows\Minidump ফোল্ডারে। আর এই ফাইলটি তৈরি হওয়ার সাথে সাথে এটি খুঁজতে খাকে কোন ফাইলটা মুছে গেছে। যখনই আপনার সিস্টেমের ফাইল মুছে যাবে ব্লু স্ক্রীণটি আসবে, আর আপনার জন্য সাথে করে নিয়ে আসবে যে ফাইলটি মুছে গেছে তার পাথ।  আসুন এর সমাধানের জন্য…….

উইন্ডোজ এক্সপির জন্য

  • My Computer’ >>> Properties এ যান।
  • এবার প্রোপার্টিজ থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাবে এসে ‘Startup and recovery >>>Settings’ এ যান।
set minidump1 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
  • এবার নতুল ডা্য়লগ বক্স থেকে নিচের দিকের Write debugging information>>>Small Memory Dump (64KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার OK ক্লিক করুন।
set minidump2 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
  • ব্যস কাজ শেষ।

উইন্ডোজ সেভেন এর জন্য

  • Start Menu >>> Computer এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
  • এবার মেনু থেকে Properties এ ক্লিক করুন।
  • প্রোপার্টিজ ডায়লগ বক্স থেকে ‘Advanced system settings’ এ ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাব থেকে ‘Startup and recovery’ অংশের Settings এ ক্লিক করুন।
  • এবার নতুন করে খোলা ডায়লগ বক্সটির নিচের দিক থেকে ‘Write debugging information’ >>>“Small Memory Dump (256KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার ‘System failure’ থেকে‘Automatically Restart’ এটা আনচেক করুন।
  • এবার Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার মূল কথায় ফিরে আসি। যখনই আপনি বুঝবেন যে আপনার সিস্টেম ক্র্যাস হবে, তখন যে সফটটি ব্যবহারের জন্য সেটআপ করেছেন তা আনইন্সটল করে ফেলবেন। তবে বেশিরভাগই দেখা যায় .sys এক্সটেনশান যুক্ত ফাইলগুলোই এই রকম সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে আমরা একটু আগে যে কাজটি করেছি। এর আপনি সচরাচর ভাবে দেখতে পারবেন না। মানে ক্র্যাস কি কারণে হয়েছে এটি সংরক্ষিত থাকে “dumps” ফাইলটিতে। আপনি এই ফাইলটি পড়তে পারবেন। এই ফাইলটি পড়তে হলে আপনাকে একটি সফট ব্যবহার করতে হবে। সফটওয়্যারটির নাম BlueScreenView.ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। এটি আপনার পিসির “dumps” ফাইল খুঁজে বের করে আপনাকে দেখাবে পিসির কোথায় কোথায় সমস্যা আছে।
  • প্রথমে সফটওয়্যারটি চালু করুন।
  • এবার File মেনু থেকে প্রথম আইকনটি নির্বাচন করুন।
  • ডিফল্টভাবে এটির লোকেশন দেয়া আছে C:\Windows\Minidump এটা।
  • এবার OK ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার সামনে ক্র্যাস ফাইলগুলোর তালিকা চলে আসবে।
  • এবার এখান থেকে সর্বশেষ আইটেমটি নির্বাচন করুন।
  • এবার এই পাথে যান Options->Lower Pane Mode নির্বাচন করুন।
  • তাহলে আপনার পিসির ক্র্যাস হওয়া ফাইলগুলো দেখাবে।
  • এবার ভাল করে এটি পড়ুন, বুঝে নিন ও লোকেশানটি মনে রাখুন। আপনার সিস্টেমের কোন ফাইলটির সমস্যা হয়েছে বা সমস্যা করছে।
  • যদি আপনি ফাইলটির সম্পর্কে না বুঝেন, তাহল আপনাদের জন্য রয়েছে টিউনার পেজ। এছাড়াও গুগল মামা তো রয়েছেই।
  • এবার আপনিই যে পদক্ষেপে নেন। যেমন হয় সফটটি মুছে ফেলবেন অথবা আবার ইন্সটল করবেন।
bluescreenview আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
bluescreenview আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
bluescreenview2 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ………

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More