আসসালামু আলাইকুম

শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১২

আপনি কি অলস তাহলে আপনার জন্য এই সফটওয়ার মাত্র্র ৮ কিলোবাইট!!!!!!!!! ;)

আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি সকলেই ভালো আছেন।আজ আমি আপনাদের জন্য CD Drive এর ১টা ছোট সফটওয়্যার শেয়ার করবো………………….আমি একটু অলস প্রকৃতির ছেলে,তাই কিভাবে চেয়ারে বসে পিসি এর কাজ করবো তাই চেষ্টা করি…………………….আমার টেবিল থেকে CPU টা ১টু দূরে,তাই CD Drive open করতে আমাকে বারবার উঠতে হয়,তাই খুজতে লাগলাম কিভাবে বসে এই কাজ টা করা যায়……………………আবার এটাও আমি খেয়াল করলাম যে আমরা সবাই মাউস চেপে সিডি ড্রাইভ ওপেন তো করতে পারি, কিন্তু অনেকেই মাউস চেপে তা আর ক্লোজ করতে পারিনা………………….. ফলে সিপিউ’র Eject and Close বাটনটি চাপতে চাপতে অনেকেই সেটি লুজ করে ফেলি…………………… এখন আর আপনাকে এ কাজটি করতে হবে না …………………তাই আমি খুঁজতে খুঁজতে একদিন এমন ১টা পোর্টেবল সফটওয়্যার পেয়ে গেলাম,যা দিয়ে বসে বসে CD Drive open & eject করা যাবে………………আপনি শুধু ডাবল ক্লিক করে CD Drive open&eject করতে পারবেন………………………সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র ৮ কিলোবাইট …………………..আমার মতো আপনি ও যদি অলস হোন তাহলে try করে দেখতে পারেন…………………..
download button013 copy আপনি কি অলস তাহলে আপনার জন্য এই সফটওয়ার মাত্র্র ৮ কিলোবাইট!!!!!!!!! ;)
এর আগে এইটা নিয়ে পোস্ট হয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রাথী………………..
এখন থেকে নো টেনশন………………..ডু ফুর্তি………………..সবাইকে আমার পক্ষ থেকে রমজানুল মোবারক ……………………

আপনাদের ব্লগে বা ওয়েবে ভিজিটরকে আপনি স্বাগতম জানাতে চান ?

কেমন আছেন আপনারা ? আশা করি ভাল আছেন । আমার নতুন পোষ্ট শুরু করছি ।
 আপনাদের ব্লগে বা ওয়েবে স্বাগতম বাতা দেখতে চাইলে আমার এই code টি আপনাদের
 ব্লগে বা ওয়েবে ব্যবহার করতে পারেন ।

নিচের ধাপ সমুহ অনুসরণ করুনঃ

১:আপনার ব্লগ এ লগ ইন করুন।

২:নিচের code টি কপি করে আপনার 
ব্লগে design > layout > add a gadget > HTML/JavaScript ক্রম অনুযায়ি যান

এবং code পেষ্ট করুন ।

Welcome to my site এর স্থানে আপনার যা ইচ্ছা লেখতে পেরেন ।


<!-- this script got from imomniscien.blogspot.com coded by: morad hasan-->
<html>
<head>
<script language="javascript" type="text/javascript">
alert("Welcome to my site")
</script>
</head>
</html>       
<font face="Tahoma"><a target="_blank" href="http://imomniscien.blogspot.com/"><span style="font-size: 8pt; text-decoration: none">Free Code</span></a></font>




৩:save করুন ।
কাজ শেষ। আপনার ব্লগে দেখুন ।


 সবাইকে ধন্যবাদ। আর কেমন হয়েছে জানাবেন।

হারিয়ে যাবার পরও আপনার মোবাইলকে ট্রেস করুন

মোবাইল ফোন বর্তমানে আমাদের একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু হয়ে দাড়িয়েছে। মোবাইল ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা দুঃসাধ্য ব্যাপার। আর এই শখের মোবাইল যথন রিয়ে যায় তথনই বুঝা যায় এর মূল্য কতটুকু। আজ আপনাদের শিখাবো কিভাবে কখনো প্রিয় মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেলে সহজেই আপনি সেটিকে ট্রেস করতে পারবেন।এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
১। আপনার মোবাইল থেকে *#০৬# চাপুন ।
২। এবার আপনি ১৫ সংখার একটি নাম্বার দেখতে পাবেন।এটাকে IMEI no বলা হয়।IMEI no টি আপনি কোন জায়গায় লিখে রাখুন।অবসসই মোবাইল এ না। কারন আপনার মোবাইল টি হারিয়ে গেলে আই নম্বর টি আপনাকে আপনার মোবাইল টি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
৩। যদি আপনার মোবাইল টি হারিয়ে যায় তাহলে আপনাকে সুধু এই অ্যাড্রেস এ একটা মেইল করতে হবে।
মেইল অ্যাড্রেস : cop@vsnl.net
৪। মেইল করার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মদ্দে GPRS এবং internet এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলটি ট্রেস করা হবে ।যে সব তথ্য সহ আপনি মেইল করবেনঃ
Your name:
Address:
Phone model:
Make:
Last used No:
E-mail for communication:
Missed date:
IMEI No:
৫। এছাড়া নেটে অনেক রকমের সাইট আছে যেখানে আপনি রেজিষ্ট্রেসন করলে তারা আপনার মোবাইল ট্রেস করে দেবে ।এমন কিছু সাইটের ঠিকানা :
http://www.trackimei.com/
৬। আপনারা চাইলে পূর্ব থেকে আপনার মোবাইলে মোবাইল ট্রাকার ইনস্টল করতে পারেন।এতে আপনি নিজেই মোবাইল খুঁজে পেতে পারবেন।

উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

কেমন আছেন? মাহে রমজানের শুভেচ্ছা সবার জন্য। আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পোষ্ট করতে যাচ্ছি। icon razz উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

অনেক সময় ভাইরাস এর কারণে অথবা আমরা নিজেরাই রেজেষ্ট্রি এন্ট্রিতে না বুঝে অনেক কিছু পরিবতর্ন করে ফেলি। এর জন্য পরবর্তীতে পিসি চালু করতে নিচের পর্দার মতো ম্যাসেজ আসে।
windows kayuagung উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

এটা দেখা গেলেই যে কেউ আপনাকে বলবে যে উইন্ডোজ আবার রি-ইন্সটল দিতে। এতে যেমন সময় লাগবে তেমনি আপনার মাই ডকুমেন্ট এ সংরক্ষিত ফাইল গুলোও ফরম্যাট হয়ে যাবে।


এমন সমস্যা হলে উইন্ডোজ রি-ইন্সটল না দিয়ে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন:

১। উইন্ডোজ এক্স.পি. সিডিটি পিসিতে বুট করুন। (অরিজিনাল সিডি থাকলে ভাল)
xp install 1 উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।
২। ওয়েলকাম টু সেটআপ পর্দাটি আসবে। সেখান থেকে R বাটনটি চেপে রিকোভার কনসোল টি চালু করুন।
Untitled 11 উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।
৩। আপনার যেই ড্রাইভ এ এক্স.পি ইন্সটল করা আছে সেটি নির্বাচন করুন। (সাধারণত সি: ড্রাইভ)

৪। এরপর যদি লগ-ইন পাসওর্য়াড বা বুট সেক্টর পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন তবে সেটি দিয়ে এন্টার দিন।

৫। একটি কমান্ড প্রোমোট আসবে “c:\windows>”

৬। এখন কমান্ড প্রোমোট এ নিচের কমান্ড গুলো অনুসরণ করুণ:
c:\windows>cd \system32\config\ > press Enter
c:\windows\system32\config>del system press Enter
c:\windows\system32\config>del software press Enter
c:\windows\system32\config>del sam press Enter
c:\windows\system32\config>del security press Enter
c:\windows\system32\config>del default press Enter
c:\windows\system32\config>cd .. press Enter
c:\windows\system32>cd .. press Enter
c:\windows>cd repair press Enter
c:\windows\repair> copy system c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy software c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy sam c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy security c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair> copy default c:\windows\system32\config press Enter
c:\windows\repair>EXIT press Enter

৭। উপরের বোল্ড দেওয়া প্রেস এন্টার বলতে আপনাকে এর আগের কমান্ড লিখে এন্টার চাপতে বলা হয়েছে। এখানে কমান্ড প্রোমোটে প্রেস এন্টার কথাটি লিখতে হবে নাহ।

৮। এরপর নিজে নিজেই পিসিটি রিস্টার্ট নিবে এবং এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
Windows XP splash screen উইন্ডোজ এক্স.পির মিসিং ফাইল সমস্যার সমাধান।

ধন্যবাদ।

রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

আমরা অনেকেই এই টিপসটির ব্যাপারে জানি। আবার অনেকেই জানি নাহ।

নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন:
right click menu রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

এটি আমার পিসির রাইট ক্লিক মেনু। এখানে কপি টু ফোল্ডার .. .   এবং মুভ টু ফোল্ডার . . . .  নামে দুটি এক্সটা অপশন রয়েছে। আপনার চাইলে সহজেই এটি আপনার পিসিতেও একটিভ করতে পারবেন।

যা যা করতে হবে:
*****Be sure to back up the Registry file before you begin.***********


১। র্স্টাট মেনু থেকে রান অপশনটিতে ক্লিক করুন।
119 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
২।এরপর লিখুন regedit এন্টার দিন।
217 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৩। রেজেস্ট্রি এডিটর আসবে।
311 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৪। সেখান থেকে নিচের কমান্ড গুলো অনুসরণ করুণ:

HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers
410 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
58 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

৫। এখন ContextMenuHandlers ফোল্ডারে রাইট বাটন এ ক্লিক করে নতুন কী যোগ করুন।
66 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৬। কি টির নাম দিন কপি টু।
75 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৭। এখন  কপি টু ফোল্ডারটি সিলেক্ট থাকা অবস’ায় ডান দিকের ডিফল্ট মেনুতে ডাবল ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।
83 রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .
৮। এখন ভেল্যু ডাটা অপশনে নিচের কোড টি কপি-পেস্ট করে ওকে দিন।

{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}

১০। এখন আবার আরেকটি কি যোগ করুন । নাম দিন মুভ টু। এরপর ডিফল্ট বক্সে ডাবল ক্লিক করে ডাটা ভেল্যুতে নিচের কোড টি কপি পেস্ট করুন।

{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}


১১। এখন রেজেষ্ট্রি এন্ট্রি বক্সটি বন্ধ করুন। একবার পিসি রির্ষ্টাট দিন।

এর পর আপনার রাইট বাটনে কপি – টু এবং মুভ – টু অপশনটি আসবে। icon biggrin রাইট বাটন ক্লিক এ Copy To and Move To অপশনগুলো যুক্ত করবেন যেভাবে. . . . .

শুক্রবার, ১৩ জুলাই, ২০১২

চটজলদি ডেস্কটপ থেকে আইকন গুলি সরিয়ে দেয়ার পদ্ধতি।

অনেক পুরাতন টিপস। যারা নতুন তাদের জন্য আজকের এই টিপস। যারা ডেস্কটপ থেকে খুব তাড়াতাড়ি আইকন গুলি সরিয়ে ফেলতে চান তারা আমার এই টিপসটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। খুব সহজ এই পদ্ধতি। প্রথমে আপনাকে ডেস্কটপের ফাঁকা জায়গায় মাউজের রাইট বাটন এ ক্লিক করে Arrange Icons By এ মাউজ রাখুন এবং নিচের চিত্রের মত আসলে Show Desktop Icons থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার দেখুন কোন আইকন ডেস্কটপে আর নেই।

 আপনি যদি আবার আইকন গুলি ফেরত আনতে চান একই পদ্ধতি অবলম্বন করে শুধু Show Desktop Icons এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিবেন। তো বন্ধুরা পদ্ধতি টি কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

পিসি সুইট বা অন্য কোন সফ্টওয়ার ছাড়ায় ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করুন !!!

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে খুব ভালো আছেন।
আপনারা যারা ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, বেশির ভাগ ই মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে নকিয়া পিসি এর মাদ্ধমে ব্রাউজ করেন। কিন্তু আপনারা  চাইলে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে পিসি সুইট বা অন্য কোন সফ্টওয়ার ছাড়ায় ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারেন।
undefined
প্রথমে আপনার মোবাইল ফোনের Setting>Connectivity>USB তে প্রবেশ করুন তারপর সেখান থেকে USB connection mode এ Connect pc to web সিলেক্ট করুন এবং Ask on connection থেকে No সিলেক্ট করুন।
এখন কেবল দিয়ে আপনার মোবাইল ফোন টি আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযোগ করুন, যখ্ন আপনার ফোন টি কম্পিউটারের সাথে সঠিক ভাবে সংযোগ প্রাপ্ত হবে তখন আপনার কম্পিউটারটিতে নকিয়ার একটা কানেকসন ম্যানেজার সেট আপ হবে আর আপনি ওটা দিয়ে মাত্র এক ক্লিকেই ডায়েল আপ করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন।
আশা করি যারা জানেননা তাদের কাজে লাগবে।
ভাল লাগলে জানাবেন

কম্পিউটারের সাটডাউনের সময় নির্ধারণ করুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে।

কাজের কথায় চলে যাই। মনেকরুন আপনি আপনার কম্পিউটারটিকে নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন করতে চান কিন্তু আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নেই! তবে এই কাজটি কোন সফটওয়্যার ছাড়াই করতে পারেন!!! ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটারকে ৫ মিনিট পর সাটডাউন করতে চান, তাহলে ৫ মিনিটরে সময় হল ৩০০ সেকেণ্ড। এক্ষেত্রে প্রথমে Start Menu থেকে Run এ ক্লিক করুন। তারপর টাইপ করুন Shutdown.exe-s-t-300 এবং Ok করুন। আপনি যদি ৫ মিনিটের পরিবরতে অন্য কোন সময় কম্পিউটার বন্ধ করতে চান তাহলে সেই সময়কে সেকেণ্ডে প্রকাশ করুন এবং ৩০০ জায়গায় তা টাইপ করুন। আপনার কম্পিউটার নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন হবে। আর যদি আপনি এই টাইমার বন্ধ করতে চান তাহলে Start Menu থেকে Run এ গিয়ে Click করুন তারপর Shutdown.exe-a।

বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১২

আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন আপনারা আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য একটি টিপস নিয়ে এসেছি। আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!!
windows blue screen error আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
এই সমস্যাটির নাম হল blue screen of death (BSOD). মূলতঃ এই সমস্যাটি ঘটে আপনার সিস্টেমের অত্যান্ত প্রয়োজনীয় কোন ফাইলের সমস্যা, বিকৃত, ফাইলটি মুছে যাওয়া বা এর যে কোন অংশের পরিবর্তনের কারণে।
যখন আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করে তখন উইন্ডোজ একটি ফাইল তৈরি করে নিজে থেকেই, এর নাম “dumps”. আর এটি জমা হয় :\Windows\Minidump ফোল্ডারে। আর এই ফাইলটি তৈরি হওয়ার সাথে সাথে এটি খুঁজতে খাকে কোন ফাইলটা মুছে গেছে। যখনই আপনার সিস্টেমের ফাইল মুছে যাবে ব্লু স্ক্রীণটি আসবে, আর আপনার জন্য সাথে করে নিয়ে আসবে যে ফাইলটি মুছে গেছে তার পাথ।  আসুন এর সমাধানের জন্য…….

উইন্ডোজ এক্সপির জন্য

  • My Computer’ >>> Properties এ যান।
  • এবার প্রোপার্টিজ থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাবে এসে ‘Startup and recovery >>>Settings’ এ যান।
set minidump1 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
  • এবার নতুল ডা্য়লগ বক্স থেকে নিচের দিকের Write debugging information>>>Small Memory Dump (64KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার OK ক্লিক করুন।
set minidump2 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
  • ব্যস কাজ শেষ।

উইন্ডোজ সেভেন এর জন্য

  • Start Menu >>> Computer এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
  • এবার মেনু থেকে Properties এ ক্লিক করুন।
  • প্রোপার্টিজ ডায়লগ বক্স থেকে ‘Advanced system settings’ এ ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাব থেকে ‘Startup and recovery’ অংশের Settings এ ক্লিক করুন।
  • এবার নতুন করে খোলা ডায়লগ বক্সটির নিচের দিক থেকে ‘Write debugging information’ >>>“Small Memory Dump (256KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার ‘System failure’ থেকে‘Automatically Restart’ এটা আনচেক করুন।
  • এবার Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার মূল কথায় ফিরে আসি। যখনই আপনি বুঝবেন যে আপনার সিস্টেম ক্র্যাস হবে, তখন যে সফটটি ব্যবহারের জন্য সেটআপ করেছেন তা আনইন্সটল করে ফেলবেন। তবে বেশিরভাগই দেখা যায় .sys এক্সটেনশান যুক্ত ফাইলগুলোই এই রকম সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে আমরা একটু আগে যে কাজটি করেছি। এর আপনি সচরাচর ভাবে দেখতে পারবেন না। মানে ক্র্যাস কি কারণে হয়েছে এটি সংরক্ষিত থাকে “dumps” ফাইলটিতে। আপনি এই ফাইলটি পড়তে পারবেন। এই ফাইলটি পড়তে হলে আপনাকে একটি সফট ব্যবহার করতে হবে। সফটওয়্যারটির নাম BlueScreenView.ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। এটি আপনার পিসির “dumps” ফাইল খুঁজে বের করে আপনাকে দেখাবে পিসির কোথায় কোথায় সমস্যা আছে।
  • প্রথমে সফটওয়্যারটি চালু করুন।
  • এবার File মেনু থেকে প্রথম আইকনটি নির্বাচন করুন।
  • ডিফল্টভাবে এটির লোকেশন দেয়া আছে C:\Windows\Minidump এটা।
  • এবার OK ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার সামনে ক্র্যাস ফাইলগুলোর তালিকা চলে আসবে।
  • এবার এখান থেকে সর্বশেষ আইটেমটি নির্বাচন করুন।
  • এবার এই পাথে যান Options->Lower Pane Mode নির্বাচন করুন।
  • তাহলে আপনার পিসির ক্র্যাস হওয়া ফাইলগুলো দেখাবে।
  • এবার ভাল করে এটি পড়ুন, বুঝে নিন ও লোকেশানটি মনে রাখুন। আপনার সিস্টেমের কোন ফাইলটির সমস্যা হয়েছে বা সমস্যা করছে।
  • যদি আপনি ফাইলটির সম্পর্কে না বুঝেন, তাহল আপনাদের জন্য রয়েছে টিউনার পেজ। এছাড়াও গুগল মামা তো রয়েছেই।
  • এবার আপনিই যে পদক্ষেপে নেন। যেমন হয় সফটটি মুছে ফেলবেন অথবা আবার ইন্সটল করবেন।
bluescreenview আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
bluescreenview আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
bluescreenview2 আপনার কম্পিউটার কি নীল পর্দায় আচ্ছন্ন?এই সমস্যার সমাধান নিন
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ………

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

গ্রামীনফোনের মেগাবাইট হ্যাক করুন! P4 Service দিয়ে এবার Unlimited ডাউনলোড করুন সবকিছু!!!

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আমাদের ৫৩ তম পোস্টে জযেন করার জন্য সবাইকে অভিনন্দন। আজ একটি ছোট্ট পোস্ট উপহার দিয়ে আজকের দিনের মত পোস্টের কাজ শেষ করব।
হাল সময়ে আমরা সবাই বিভিন্ন ডিভাইসে নেট ব্যবহার করে থাকি যেমন- ডেস্কটপ পিসি, ট্যাবলয়েড ও মোবাইল ডিভাইসে। অবশ্য এই সকল ডিভাইসে নেট ব্যবহার করতে বিভিন্ন সার্ভিস প্রোভাইডারের নেট ব্যবহার করে থাকি যেমন- জিপি, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ইত্যাদি। যারা শহুরে এলাকাতে থাকেন তারা বিশেষত বাংলালায়ন, ওলো ও কিউবি সংযোগ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এই কথা সত্যি যে, দেশের প্রায় ৮০% ব্যবহারকারী মোবাইল অপারেটরদের নেট সংযোগ ব্যবহার করে থাকেন।
 বর্তমানে সকল মোবাইল অপারেটরদের বিভিন্ন অাকর্ষনীয় ইন্টারনেট প্যাকেজ রয়েছে যেমন- প্রতিদিনের, মাসিক, সাপ্তাহিক, আনলিমিটেড এবং কয়েকটি ভলিউম প্যাক। আসলে মোবাইল কোম্পানীর এই সকল ইন্টারনেট প্যাকেজ মিলিয়ে প্রায় ২০ টির উপরে রয়েছে যা আমাদের মত ব্যবহারকারীদের মনে রাখা অনেকটা কষ্ট সাধ্য। তবে অনেকেই আনলিমিটেড কিংবা প্রিপেইড ভলিউম প্যাকেজ ব্যবহার করে থাকেন। আরেকটি ব্যাপার আমরা যে প্রোভাইডারের নেট সংযোগ ব্যবহার করি না কেন তা মূল্য হিসাবে অনেক বেশী। সহজভাবে বলা যায় যে, ইন্টারনেট ব্যবহার এখনো আমাদের নিকট সুলভ মূল্য হয়ে উঠেনি। যেমন- আপনি যদি প্রফেশনাল ইউজার হোক তাহলে ১/৩ গিগাবাইট শেষ করতে ৫ দিনের বেশী লাগবেনা।
উদাহরন হিসাবে বলছি- আমার নেটে বিভিন্ন লাইনের কাজ করতে হয় যেমন- ফ্রিল্যান্স সাইট, পিসিহেল্প লাইনে ব্লগ করা, নিজের কিছু সাইটে টপিস করা এবং ডাউনলোড করতে পূর্বে ১/৩ গিগাবাইট প্যাকেজ ৩ দিনের বেশী যেত না। পরিশেষে বাধ্য হয়ে এখন আনলিমিটেড সংযোগ ব্যবহার করছি। আবার আনলিমিটেড সংযোগ ব্যবহার করতে গিয়ে আরেক ঝামেলা যেমন- গ্রামীন ও রবিতে ৫ গিগাবাইট ব্যবহারের পর ডাউনলোড স্পীড কমে যায় (ফেয়ার ইউসেজ হিসাবে)। তবে আনলিমিটেড হিসাবে বাংলালিংক ও এয়ারটেল ভাল। কারন এখানে তেমন কোন ফেয়ার ইউসেজ পলিসী নাই। তবে এখানে রবি ও জিপি থেকে নেট স্পীড কিছুটা যেমন- ১০-১৫ KBPS কম থাকে।
মাসে মূলত নেট ব্যবহার করতে সর্বনিম্ন ৫০০/- চলে যায়। আমার মত যারা শিক্ষার্থী তাদের কাছে কিন্তু এই ৫০০/- টাকার মূল্য অনেক বেশী। কেননা, ৫০০/- দ্বারা হলের ৩ মাসের ভাড়া পরিশোধ করা যাবে। সেখানে অনেকে বলবেন যে, এত টাকা দিয়ে নেট ব্যবহারের কি প্রয়োজন আছে? অবশ্য যারা ফ্রিল্যান্স বা ইনকাম সাইটে কাজ করেন তাদের কাছে বিষয়টা অন্যরকম/মামুলী ব্যাপার!

বর্তমানে নেট স্পীডর দিক দিয়ে জিপি ও রবির সার্ভিস অনেক ভাল। তবে অন্য সকল অপারেটরদের তুলনায় এর খরচ বেশী।
আমি ও আমার বন্ধুরা রাজশাহীতে বাংলা লায়ন ব্যবহার করে থাকি পাশাপাশী জিপির বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করে থাকি।
আজকের পোস্টে জিপির একটি সার্ভিসের কথা বলব যেখানে আপনি আনলিমিটেড সব কিছু ডাউনলোড করতে পারবেন। এই টপিসটি আমি মাসে ২ বার ব্যবহার করে থাকি মূলত অনেক কিছু ডাউনলোড করার জন্য। আশা করি আপনাদেরও কাজে আসবে। এই সার্ভিসটি হযত অনেকে ব্যবহার করছেন কিংবা টপিসটি জানেন। তবে যারা এই টপিসটি জানেন না পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্য।
বর্তমানে গ্রামীনফোনের P4 Service টি আমাদের কাছ হতে দারুন সাড়া পেয়েছে। অনেকেই আজকাল Cyber-Cafe তে না গিয়ে সেই টাকা দিয়ে P4 Service চালাচ্ছে। কিন্তু যারা ডাউনলোড করতে ভালাবাসে তারা গ্রামীনফোনের এই অফারে পুরো সন্তুষ্ট নয় কারন এই অফারে আমাদের Limitation আছে এবং তা হল 150 MB.
কিন্তু অসন্তোষের বেলা আজ শেষ হতে চলেছে।এখন থেকে আপনারা P4 Service দিয়ে আনলিমিটেড ডাউনলোড করতে পারবেন। কি সেই জাদুকরী ট্রিক?? না না আসলে এটা কোনো ট্রিক নয়। আপনাকে কোনো কিছুই করতে হবে না। কেবল আপনি আপনার মত ডাউনলোড অথবা ব্রাউজ চালিয়ে যাবেন Limitation এর কথা ভাবার কোনো দরকারই নাই। দেখবেন 150 MB এর উপরে ডাউনলোড চলে গেলেও আপনার নেট Disconnect হবে না এবং ব্যালেন্স থেকেও অতিরিক্ত টাকা খরচ হবে না।
অবশ্য এই সার্ভিসটি আমি প্রায় ৪ মাসের বেশী সময় ধরে ব্যবহার করছি। যেমন- আজ আমি রাত 12:10 am এ P4 Service (গতকাল) Activate করে ডাউনলোড দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি সকাল পর্যন্ত ডাউনলোড হয়েছে ৬৮৫ MB । এখনও ডাউনলোড চলছে এবং রাত 11:59 pm পর্যন্ত চলবে।
এর মধ্য কি রহস্য আছে?
আসলে  কি হয়েছিল জানেন, যখন এই অফারটি দেয়া হয় ঠিক শুরুর দিকে তখন একদিন আমি এই অফারটি Activate করে বেশ কিছু ডাউনলোড করি। তারপর হঠাৎ Limitation এর কথা মনে পড়ল। আমি কাষ্টমার কেয়ার-এ কল করলাম। তাদের কাছে আমি কতটুকু নেট ব্যবহার করেছি তা জানতে চাইলাম। তারা বলল তাদের জানার কোনো সিষ্টেম নেই। তখনই আমার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হল। তারপর অনেকদিন চলে গেল। ইতিমধ্যেই আমার সকল বন্ধু একবার হলেও এই অফারটি চালিয়ে ফেলেছে। এবার তাদের কাছে জিজ্ঞাসা শুরু করলাম কারও Limitation Exceed এর জন্য নেট Disconnect করা হয়েছে কিনা। সবাই বলল তারা জানে না। ডাউনলোড ব্রাউজ করতে ককরতই নাকি সময় শেষ হয়ে গেছে। তাই আজ আমি আবার নেট নিয়ে ট্রাই করলাম এবং সিউর হলাম যে এই অফারের আসলে কোনো Limitation নাই। গ্রামীনফোন শুধু আমাদের এই কথা বলে ভয় দেখিয়ে রেখেছে যাতে (১৫০ মেগাবাইটের পর)  আমরা আবার পাগলের মত ডাউনলোড শুরু করতে না পারি। সুতরাং আপনিও আমাদের মত উক্ত সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।
কি রকম খরচ আসবে-
র তেমন কোন খরচ নাই বললেই চলে! P4 Service টি সক্রিয় করতে আপনার মোবাইলে ভ্যাটসহ ৭০ টাকা থাকতে হবে। অতপর রাত ১২.০০ টার পর আপনার ফোনসেটের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে P4 লিখে ৫০০০ পাঠিয়ে দিন। সক্রিয় হলে একটি ম্যাসেজ পাবেন। ব্যাস তার তখন থেকে ডাউনলোড করা শুরু করে দিন > ডাউনলোড চলবে ১১.৫৯ PM পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা সময়।
এই সার্ভিসটি আপনার ফোন কিংবা মডেম ডিভাইসে ব্যবহার করতে পারেন। আমি মডেম হিসাবে পিসিতে ব্যবহার করে এখানে ১ দিনে প্রায় ১.৫ জিবির বেশী ফাইল ডাউনলোড করে ফেলি। অবশ্য তার পূর্বে নোটে একটি ছক করে নিই কোন সাইট হতে কি ফাইল ডাউনলোড করব। অাসলে বিষয়টি অনেকটা রহস্যময় ও জোকস! মাত্র ৭০ টাকাতে প্রায় ৫০০ টাকার উপরের কাজ করতে পারছেন।
পরামর্শ-
এখনো P4 Service টি চালু করে উক্ত সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন। তবে জিপি কোম্পানী যদি এই গোমর ফাসের কথাগুলো জেনে যাই অতপর তারা যদি এই সার্ভসটি বন্ধ করে দেন তাহলে তখন কোন কাজে আসবেনা উক্ত পদ্ধতি। আপনারা যারা মাসে ১ জিবি প্যাকেজ ৩৫০/- দ্বারা ব্যবহার করছেন। তারা ডাউনলোড না করে শুধুমাত্র সাইটগুলো ব্রাউজিং করলে ভাল হয়। এতে নেটের বিলের বা মেগাবাইটের অপচয় হবেনা। অতপর যখন ডাউনলোড করতে যাবেন তখন আলাদা একটি জিপি সীমে P4 Service টি সক্রিয় করে নিলেই হবে। অথবা ১ জিবি ভলিউম প্যাকেজ ক্রয় না করে ৩৫০/- সমান কিস্তিতে ৭০/-গড় হিসাবে মাসে P4 Service টি মাসের যে কোন ৫ দিন ব্যবহার করলেই প্রায় ৮ জিবির উপরে ডাউনলোড করতে পারবেন। আসলে বলা যায়- অনেকটা কৈ এর তৈলে কৈ ভাজা!
অবশ্য গ্রামীন ফোনের আরেকটি মজার অফার আছে তাহলো মাসে ৩০০/- (ভ্যাটসহ) বিনিময়ে P3 সার্ভিসটি সক্রিয় করতে পারবেন। এর সুবিধা হল রাত ১২টার পর থেকে সকাল ১০.০০টা পর্যন্ত পিসিতে নেট ব্যবহার করতে পারবেন। এখানে ৫ জিবি পর্যন্ত ডাউনলোডের সুযোগ পাবেন।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More