আসসালামু আলাইকুম
Windows লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Windows লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ও পেনড্রাইভ ছাড়াই উইন্ডোজ ৮.১ সহ সকল উইন্ডোজ সেটআপ দিন

আমাদের কম্পিউটারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম কাজ করতে হয়।কাজের ও ভাইরাসের কারনে কম্পিউটারে সমস্যা হওয়ার কারনে প্রায়শ আমাদের উইন্ডোজ সেটআপ দিতে হয়।কিন্তু অনেকেরই সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ নষ্ট।আবার ইউএসবি দিয়েও সেটআপ দেওয়া যায় উইন্ডোজ।কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনের সময় সেই কাজের পেনড্রাইভটিও থাকে না আমাদের কাছে।এটা যে কি রকম বিরক্তিকর তা আমার মত যারা এ সমস্যায় পড়েছে তারা বুঝতে পারবে।কিন্তু অনেকেই আছে যারা জানে না যে সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ অথবা পেনড্রাইভ ছাড়াও উইন্ডোজ সেটআপ দেয়া যায়।উইন্ডোজ ৮ এবং এর আগের উইন্ডোজ সংস্করণগুলোতে পিসি চালু অবস্থায় ডিরেক্ট সেটআপ দেয়া যেত।কিন্তু উইন্ডোজ ৮.১ এ এই সিস্টেমটা নাই।মানে আপনি পিসি ওপেন রেখে সেটআপ দিতে পারবেন না।আপনার সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ অথবা পেনড্রাইভ অবশ্যই দরকার হবে।কিন্তু আমি আজকে দেখাবো যে EasyBCD নামের একটি সফটওয়্যারে দিয়ে হার্ডডিস্কে বুটেবল উইন্ডোজ তৈরি করে ওটা দিয়েই কিভাবে উইন্ডোজ সেটআপ দিবেন।এভাবে আপনি উইন্ডোজ ৮.১/৮/৭/এক্সপিসহ সব উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারবেন।যেহেতু উইন্ডোজ ৮.১ উইন্ডোজ এর নতুন সংস্করণ এবং এটি যেহেতু ডিরেক্ট পিসি থেকে সেটআপ দেয়া যায় না।তাই আমি আজকে উইন্ডোজ ৮.১ সেটআপ দিয়ে দেখাবো।এর জন্য আপনার দরকার হবে-
১।EasyBCD সফটওয়্যার
২।উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল।যাদের কাছে নেই তারা নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
Download(32 bit)
নিয়মাবলিঃ
১।যদি আপনি D: ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে চান তাহলে উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল ওই ড্রাইভে কপি করে রাখুন(অবশ্যই কোন ফোল্ডারের মধ্যে রাখবেন না।খালি জায়গায় রাখুন)।আর D: ড্রাইভে  নতুন একটা ফোল্ডার তৈরি করুন এবং উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল MagicISO/Winrar দিয়ে Extract করে ওই ফোল্ডারের মধ্যে রাখুন।ফোল্ডারটির নাম দিন win81kit।তার সাথে সাথে D: ড্রাইভে vhd নামের একটা ফোল্ডারও তৈরি করুন।ঠিক নিচের মত হবে।
২।তারপরে EasyBCD নামের সফটওয়্যারটা ওপেন করুন এবং এরকম একটা ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।
৩।Add New Entry বাটনে ক্লিক করুন।
৪।তারপরে নিচে ISO বাটনে ক্লিক করুন।
৫।Path এর খালি বক্সের দান পাশে ছোট আইকনটিতে ক্লিক করে যেখানে আপনার উইন্ডোজ ৮.১ এর ISO ফাইল আছে তা দেখিয়ে দিন এবং এর নাম দিন Windows 8.1 ISO।তারপরে Add Entry তে ক্লিক করুন।
৬।তারপরে Edit Boot Menu তে ক্লিক করুন নিচে Save settings এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
৭।এরপরে পিসি রিস্টার্ট দিন এবং দেখবেন অনেকগুলো অপশন দেখাচ্ছে।ওখান থেকে Windows 8.1 ISO সিলেক্ট করুন।বুট মেনু ওপেন হলে যেকোনো একটা কিবোর্ড এর বাটন প্রেস করে উইন্ডোজ সেটআপ এর সূচনা করুন।
৮।তারপরে নিচের উইন্ডোটি দেখতে পাবেন।
৯।ওখানে কিছু না করে SHIFT+F10 চেপে কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন।
১০।কমান্ড প্রম্পটে c: লিখে Enter প্রেস করুন।
১১।তারপরে লিখুন dir এবং Enter প্রেস করুন।
১২।এরপর d: লিখে Enter প্রেস করুন।
১৩।এরপর dir লিখে Enter প্রেস করুন।
১৪।cd win81kit লিখে Enter প্রেস করুন।
১৫।cd sources লিখে Enter প্রেস করুন।
১৬।তারপরে diskpart লিখে Enter প্রেস করুন।
১৭।এরপরে create vdisk file=d:\vhd\win81ent.vhd type=expandable maximum=41000 লিখে Enter প্রেস করুন।
১৮।এরপরে select  vdisk file=d:\vhd\win81ent.vhd  লিখে Enter প্রেস করুন।
১৯।attach vdisk লিখে Enter প্রেস করুন।
২০।তারপর exit লিখুন।
২১।এরপর setup লিখে Enter প্রেস করুন এবং সাথে সাথে একটা নতুন উইন্ডো ওপেন হবে।
এরপরে আমার আর কিছু বলার নাই।নরমাল নিয়মানুসারে উইন্ডোজ সেটআপ দেন।যাদের আমার টিউনের পরেও বুঝতে সমস্যা হয়েছে তারা নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন।আমি এই ভিডিওটির আদলেই সম্পূর্ণ টিউনটি করেছি।
N.B- ১।কমান্ড প্রম্পটের প্রত্যেকটা কমান্ড আমি যেভাবে দিয়েছি সেভাবে বানান ও কোথায় স্পেস আছে তা দেখে টাইপ করবেন।নাহলে ভুল কমান্ডের কারনে আবার আপনাকে টাইপ করতে হবে।
২।এভাবে আপনি একি নিয়মে সেটআপ দিয়ে অনেকগুলো উইন্ডোজ এর ভার্শন চালাতে পারেন।
৩।আমি সার্চ দিয়ে এই ধরনের কোন টিউন পাইনি।যদি পূর্বে কেউ এই ধরনের টিউন করে থাকে তাহলে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
আমার একটা প্রবলেম হচ্ছে।কেউ সমাধান দিতে পারলে উপকৃত হতাম।আমি স্ক্রিনশট নিতে পারি না।কেউ যদি একটা ভাল স্ক্রিনশট নেয়ার এবং সেই স্ক্রিনশট এডিট করার একটা সফটওয়্যারের নাম বলতেন তাহলে উপকৃত হতাম।দেখতেই পাচ্ছেন আমি ভিডিও থেকে Windows+Print Screen চেপে স্ক্রিনশট নিয়েছি।

উইন্ডোজ ৮.১ এক্টিভেট করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে

উইন্ডোজ ৮.১ এর ব্যাপারে মাইক্রোসফট সত্যিই অনেক সতর্ক ছিল । আমরা তা বুঝলাম কারন মাইক্রোসফট লিক হওয়া কী সাথে সাথে ব্লক করে দেয় ফলে স্কাইপি ব্যাবহার করে এক্টিভেট করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরেছে । যদিও আমি একটি কি পেয়েছিলাম এবং সেটি ব্যাবহার করে স্কাইপি আইডি জেনারেট করে ফেলেছিলাম । কিন্ত্য এর পরের দিন ই কী টি ব্লক হয়ে যায়।
en-INTL-L-Win-8.1-Update-WN7-00578-RM1-mnco
আজ আপনাদের সাথে এমন একটি একটিভেটর শেয়ার করবো যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজেই উইন্ডোজ একটিভ করতে পারবেন । এটি আপনার
পিসির কোন ক্ষতি করবে না । এটি আপনার সিস্টেম এর কোনো ফাইল ও রিপ্লেস করবে না কেজে এক্টিভেটর এর মতো । আপনি শুধু উইন্ডোজ
ইন্সটল করে এটি রান করুন । ব্যাস !!! আর কিছু করার দরকার নেই ।
ডাউনলোড লিঙ্ক –   এখানে ক্লিক করুন  ।।
ডাউনলোড করার নিয়ম –
aaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaaa
এটি উইন্ডোজ ৭,৮,৮.১, অফিস ২০১৩ এক্টিভেট করতে সক্ষম !!! আসলেই চরম । স্কাইপির মতো এটাতে এতো ঝামেলা নেই । শুধু ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন । এর পরে দেখুন মজা !!!!! অনেকেই বলে এটি শুধু ১৫০ দিন এর জন্য এক্টিভেট করে । হ্যা কথাটা সত্য কিন্তু ১৫০ দিন পর নিজে নিজে সে আবার ১৫০ দিন এর জন্য এক্টিভেট হয়ে যাবে । নো ঝামেলা !!! আর এটি দিয়ে আপনি উইন্ডোজ আপডেট ও করতে পারবেন । এক  কথায় পুরো অরিজিনাল উইন্ডোজ ব্যাবহার এর মতো । আচ্ছা আসি যাদের এটি ইন্সটল করলেও উইন্ডোজ এক্টিভেট হয় না । আপনারা এটি ইন্সটল এর সময় উইন্ডোজ স্মার্ট স্ক্রিন অফ  রাখুন ( ইন্সটল এর পরে আবার অন করতে পারেন ) । উইন্ডোজ ইন্সটল করার জন্য এই কী টি ব্যাবহার করুনঃ
XHQ8N-CRMCJ-RQXB6-WCHYG-C9WKB
আইএসো তে না চললে নতুন কিছু দিয়ে ট্রাই করুন ।

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৫

উইন্ডোজ ৭ একটিভ না করেই ছোট একটি সফটওয়্যার দিয়ে জেনুইন করে নিন

উইন্ডোজ সেভেন সেটআপ দিয়েছেন? একমাসের ট্রায়াল পিরিয়ড শেষ হয়ে গেছে?উইন্ডোজ স্টার্টআপের সময় উইন্ডোজ একটিভেশনের ম্যাসেজ আসে? আপনার কম্পিউটারের ডেস্কটপের নিচে ডার কোনায় উইন্ডোজ নট জিনুইন লেখা আসছে?
৭ অ্যাক্টিভ
আপনার ডেস্কটপের ব্যাকগ্রাউন্ড কালো হয়ে গেছে? ট্রায়াল শেষ হয়ে যাবার পর আর কোন ‘কী’নিচ্ছে না? আবার সেটআপ করার কথা চিন্তা করছেন? আর আপনাকে নতুন করে উইন্ডোজ সেভেন সেটআপ করতে হবে না।
কারণ,উইন্ডোজ সেভেন একটিভেট করার জন্য একটিভেশন ‘কী’আর দরকার নেই। শুধুমাত্র একটি ছোট্ট সফটওয়্যার দিয়ে আপনি উইন্ডোজ সেভেন সেটআপ করতে পারেন। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করুন।
তারপর ডেস্কটপ শর্টকার্ট থেকে সফটওয়্যারটি চালু করে ‘Use the default loader (v0.91)’ সিলেক্ট করে ইনস্টল বাটনে ক্লিক করুন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন…… কিছুক্ষন পর কম্পিউটার রিস্টার্ট নিবে।
ব্যস হয়ে গেলো!! আপনার উইন্ডোজটি আসলেই একটিভেট হয়েছে কিনা তা আপনি নিজেই দেখতে পারেন, আর এজন্য ‘My Computer’-এর উপর মাউস রেখে রাইট বাটন ক্লিক করুন তারপর ‘Properties’-এ ক্লিক করুন।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড এখানে ক্লিক করুন

Windows PC-র হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত(সবকিছু)!!



Windows PC চালাচ্ছেন কিন্তু, আপনি জানেন না আসলে আপনার পিসি’টি কিভাবে চলছে, কি হচ্ছে ভেতরে, তাপমাত্রার কি অবস্থা সবকিছু জানুন একটি সফটওয়্যার HWinfo32 দিয়ে   আরও জানা যাবে:

1. Processor
2. Memory
3. Bus
4. Video Adapter
5. Monitor
6. Drives
7. Audio
8. Network
9. Ports

Software-টির রয়েছে চমৎকার সব সুবিধা যা একটি হার্ডওয়্যারের বিস্তারিত তথ্যের পাশাপাশি জানা যাবে System Summary আবার এগুলো রিপোর্ট হিসেবে সেভ করে রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

Software-টি ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

কিভাবে উইন্ডোজ ৭ হতে অটো রান বন্ধ করবেন

কিভাবে উইন্ডোজ ৭ হতে অটো রান বন্ধ করবেন
How to stop auto run from windows7
কিভাবে উইন্ডোজ ৭ হতে অটো রান বন্ধ করবেন
আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আমি আপনাদের সাথে ছোট একটি টিপস নিয়ে হাজির হলাম যেটা অনেক দিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম । আমরা সবাই যারা উইন্ডোজ 7 চালাই তারা লক্ষ করবেন যে কোন পেনড্রাইভ পিসি তে দেয়ার সাথে সাথে অটো রান হয়ে যাই যার ফলে ওই পেনড্রাইভে কোন ভাইরাস থাকলে সহজেই আপনার পিসি তে প্রবেশ করে । বিশেষ করে shortcut virus বেশী বিরক্তিকর এটা সহজেই প্রবেশ করে । আজকের পোস্ট পরার পর আপনার আর অটো রান হবে না আপনি চাইলে ।
কথা বাড়িয়ে লাভ নাই কাজের কথাই আসা যাক নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন
১. প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে কন্ট্রোল প্যানেলে ক্লিক করুন
২. তারপর system & security তে ক্লিক করুন
৩. তারপর administrative tools এ ক্লিক করুন
৪. এরপর service এ ডাবল ক্লিক করুন
৫. তারপর shell hardware detection এ ডাবল ক্লিক করুন
৬. এবার startup type automatic থেকে disable করে দিন এবং service status stop করে দিন
৭. সবশেষে apply করে ok করে বের হয়ে আসুন
এখন থেকে আর কোন পেনড্রাইভ আপনার পিসি তে অটো রান হবে না । আপনি এই সেবা বন্ধ করতে চাইলে startup type disable থেকে automatic করে দিন এবং service status stop থেকে start করে apply করে ok করে বের হয়ে আসুন ।
আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে screenshoot দেয়া হল।
step 1
step 2
step 3
step 4
step 5
step 6
পোস্ট টি প্রথম প্রকাশিত এখানে

শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই

অনেক সময় windows 7 এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে দারুণ বিড়ম্বনায় পোহাতে হয়। তাই আজ এমন একটা কোশল দেখাবো যার দ্বারা কোন সফটওয়্যার ব্যাবহার করা ছারাই windows 7 এর পাসওয়ার্ড ভাঙতে পারবেন। তো কথা আর না বারিয়ে কাজের কথায় আসাজাক ।
যা লাগবে :  windows 7 এর একটি সেটআপ ডিস্ক (বুটেবল) ।
১. প্রথমে কম্পিউটার অপেন করার পর windows 7 এর একটি সেটআপ ডিস্ক টি ঢুকিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন ।

২. সেটআপ ডিস্ক টি বুটাবেল করেন । তারপর NEXT দিন ।
21 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৩. এখন repair your computer এ ক্লিক করুন ।system recovery option না আসা পর্যন্ত  একটু অপেক্ষা করুন ।
31 500x375 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৪. system recovery option আসার পর NEXT এ ক্লিক করুন ।
41 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 51 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৫. command prompt এ ক্লিক করুন । এখন ” copy C:windowssystem32sethc.exe C: ” লিখে Enter এ হিট করেন ।
61 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 7 500x314 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 8 500x240 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৬. এখন command prompt এ আবার লিখেন ” copy C:windowssystem32cmd.exe C:windowssystem32sethc.exe ” লিখে Enter এ হিট করেন এবং “y” লিখে আবার Enter এ হিট করেন । exit লিখে Enter এ হিট করে command prompt কেটে দিন ।
91 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 101 500x181 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 112 500x164 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৭. RESTART করুন ।
122 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৮. কম্পিউটার চালু হবার পর “Shift” এ ৫ বার হিট করেন ( চাপ দেন)।  এখন “No” তে ক্লিক করুন ।
132 500x66 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 142 500x261 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
৯. এখন  লিখেন ” net user (user name)<< যেমন আমার user name SHAMS >> ( any password)” তারপর Enter এ হিট করেন । আবার exit লিখে Enter এ হিট করে বের হয়ে আসেন ।
151 500x210 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D 162 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D
১০. এখন আপনি আপনার user name টি দিন আর password এর যায়গায় 123456( আপনি যা দিয়েছেন ) তা দিয়ে আপনার কম্পিউটার এ প্রবেশ করুন ।
171 500x265 windows 7 এর পাসওয়ার্ড খুলে ফেলুন কোন সফটওয়্যার ছারাই :D

__________(0_0)__________
আমি জা জানি তাই সবার সাথে শেয়ার করতে চেস্টা করি আর সেই জানার মাঝে যদি ভুল থেকে থাকে তবে আপনাদের কাছে অনুরধ সেই ভুলটি শুধরে দেবার জন্য আমাকে সাহায্য করবেন ।

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

উইন্ডোজ এক্সপি বুট না হলে করণীয় কিছু পদক্ষেপ ট্রিকস বা টিপস


নানা কারনে উইন্ডোজ এক্সপি অনেক সময় বুট হয়না বা চালু হয়না এর পেছনে রয়েছে নানান সব কারন সমূহ। ব্যবহারকারীরা চেষ্টা করে দেখতে পারেন কেনো উইন্ডোজ এক্সপি বুট হচ্ছে না এবং সে অনুযায়ী কাজ করে সিস্টেমকে বুট করার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন। আসা করি কাজে লাগবে আপনার।
নষ্ট হওয়া Boot.ini ফিক্স করা

যেহেতু উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম চালু হয় লোড হবার জন্য। Ntldr প্রোগ্রাম Boot.ini ফাইলকে নির্দেশ করে কোথায় অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল অবস্থান করে এবং কোন অপশনকে অ্যানাবল রাখতে হবে যাতে অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে থাকবে। সুতরাং কোনো সমস্যা যদি Boot.ini ফাইলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়, তাহলে এটি উইন্ডোজকে যথাযথভাবে বুটিংয়ের অক্ষম করে দেয়।
যদি আপনি মনে করেন বুটিংয়ের ফাইল নষ্ট হবার কারণেই উইন্ডোজ এক্সপি বুট হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে সমস্যা ফিক্স করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন বিশেষ ধরনের রিকোভারি কন্সোল ভার্সন Bootcfg টুল। এজন্য আপনাকে অবশ্যই প্রথমে সিস্টেম বুট করতে হবে উইন্ডোজ এক্সপি সিডি দিয়ে এবং রিকোভারি কন্সোলে এক্সেস করতে হবে। উইন্ডোজ এক্সপি সিডি দিয়ে সিস্টেম বুট করতে চাইলে নিচে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
সিডি-রম ড্রাইভে উইন্ডোজ এক্সপি সিডি ঢুকিয়ে Ctrl+Alt+Delete কী চাপতে হবে কমপিউটারকে রিবুট করার জন্য। সিস্টেম সিডি থেকে বুট হবার পর প্রম্পট অনুসরণ করুন, যা সেটআপ রান করানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ফাইলগুলো লোড করবে। ওয়েলকাম স্ক্রিন পর্দায় আবির্ভূত হলে R চাপুন রিকোভারি কন্সোল চালু করার জন্য।
রিকোভারি কন্সোল মেনু প্রদর্শন করে ফোল্ডার যা ধারণ করে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল এবং যে অপারেটিং সিস্টেমে লগ করতে চান, তা সিলেক্ট করার জন্য প্রম্পট করবে। এক্ষেত্রে মেনু নম্বর চাপলেই কাজ হবে। এরপর অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ড দিয়ে এন্টার করলেই রিকোভারি কন্সোল পাবেন।
এবার রিকোভারি কন্সোল কমান্ড প্রম্পট থেকে Bootcfg টুল চালু করতে হবে। Bootcfg কমান্ডটি ব্যবহার হয় বুট কনফিগারেশন ও রিকোভারির জন্য। বেশিরভাগ কমপিউটারে এক্ষেত্রে ব্যবহার হয় Boot.ini ফাইল। Bootcfg চালু করতে চাইলে Bootcfg /Parameter টাইপ করে এন্টার চাপুন। এখানে প্যারামিটার বলতে নিচে বর্ণিত প্যারামিটারগুলোর মধ্যে একটিকে বোঝাচ্ছে :
* Bootcfg /Add>বুট লিস্টে উইন্ডোজ ইনস্টলেশন যুক্ত করা ।
* Bootcfg /scan> উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের জন্য সব ডিস্ক স্ক্যান করে এবং ফল প্রদর্শন করে।
* Bootcfg /List>Boot.ini ফাইলে প্রতিটি এন্ট্রির লিস্ট করে।
* Bootcfg /Default>মূল বুট এন্ট্রি হিসেবে সেট করে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম।
* Bootcfg /Rebuild>Boot.ini ফাইল সম্পূর্ণরূপে নতুনভাবে তৈরি করে ব্যবহারকারীকে প্রতিটি ধাপ নিশ্চিত করতে হবে।
* Bootcfg /Redirect> সুনির্দিষ্ট কনফিগারেশন সম্বলিত বুট লোডারে রিডিরেকশন অ্যানাবল করে। যেমন, Bootcfg /redirect com1 115200 এবং bootcfg /redirect useBiosSettings।
* Bootcfg /Disableredirect>বুট লোডারে রিডিরেকশনকে ডিজ্যাবল করে।
করাপ্ট হওয়া পার্টিশন বুট সেক্টর ফিক্স করা

পার্টিশন বুট সেক্টর হলো হার্ডডিস্ক পার্টিশনের একটি ছোট অংশ, যা ধারণ করে অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেমের তথ্য যেমন- এনটিএফএস ও ফ্যাট৩২। যেহেতু এটি খুব ছোট মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রাম, যা অপারেটিং সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাহায্যকারী হিসেবে লোড হয়। যদি আপনি মনে করেন, পার্টিশন বুট সেক্টরের করাপ্ট বা নষ্ট হওয়ার জন্য উইন্ডোজ এক্সপি কাজ করছে না, তাহলে বিশেষ ধরনের রিকোভারি কন্সোল টুল ব্যবহার করতে পারেন, যা Fixboot হিসেবে পরিচিত। এই টুল সমস্যা ফিক্স করার জন্য ব্যবহার হয়। উইন্ডোজ এক্সপি সিডি সহযোগে সিস্টেম বুট করুন এবং রিকোভারি কন্সোলে এক্সেস করুন।
রিকোভারি কন্সোল কমান্ড প্রম্পট থেকে Fixboot ব্যবহার করতে চাইলে টাইপ করুন Fixboot [drive name].
এখানে ড্রাইভ নেম বলতে সেই ড্রাইভকে বুঝানো হয়েছে, যেখানে আপনি নতুন পার্টিশন বুট সেক্টরকে রাখতে চাচ্ছেন।
অটোমেটিক রিস্টার্ট ডিজ্যাবল করা

যখন উইন্ডোজ মারাত্মক এররের মুখোমুখি হয়, তখন এই এররকে হ্যান্ডেল করার জন্য উইন্ডোজের ডিফল্ট সেটিং সিস্টেমকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিবুট করে। যদি এক্সপি বুটের সময় এই এরর সংঘটিত হয়, তাহলে অপারেটিং সিস্টেম রিবুট সাইকলের মধ্যে থেমে যাবে স্বাভাবিক রিস্টার্টের পরিবর্তে। এক্ষেত্রে automatically restarting on system failure অপশনকে ডিজ্যাবল করতে হবে।
উইন্ডোজ এক্সপি বুটআপের সময় একটি মেসেজ দেখা যায় Please select the operating system to start বা বিপ সিগন্যাল শোনা গেলে F8 ফাংশন কী চাপুন উইন্ডোজ অ্যাডভান্সড অপশন মেনু প্রদর্শন করার জন্য। এর পর সিলেক্ট করুন Disable the Automatic Restart On System Failure অপশন এবং এন্টার চাপুন। উইন্ডোজ থেমে যাবে যখনই কোনো এররের মুখোমুখি হবে এবং মেসেজ ডিসপ্লে¬ করবে।
ইন-প্লেস আপগ্রেড কার্যকর করা

যদি এক্সপি সিস্টেম রিপেয়ার করতে ব্যর্থ হন এবং আপনার কাছে সাম্প্রতিক ব্যাকআপ নেই, তাহলে কার্যকর করতে পারেন ইন-প্লেস (in-place) আপগ্রেড। এ কাজ করার জন্য একই ফোল্ডারে অপারেটিং সিস্টেমকে রিইনস্টল করতে হবে। মনে হবে আপনি সিস্টেমকে উইন্ডোজের এক ভার্সন থেকে আরেক ভার্সনে আপগ্রেড করছেন। ইন-প্লেস আপগ্রেড আপনার সিস্টেমের অনেক সমস্যা সমাধান করতে পারবে। যদি না পারে তাহলে উইন্ডোজ বুট সমস্যা থাকবে।
উইন্ডোজ এক্সপি’র ইন-প্লেস আপগ্রেড বেশ সহজ। এই কাজটি করতে চাইলে ড্রাইভে উইন্ডোজ এক্সপি সিডি ঢুকিয়ে সিস্টেম রিস্টার্ট করুন এবং বুট করুন সিডি থেকে। উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ স্ক্রিন আবির্ভূত হবার পর এন্টার চাপুন এক্সপি সেটআপ প্রক্রিয়া চালু করার জন্য। লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট পেজ আসার পর F8 কী চাপতে হবে সম্মতি জ্ঞাপন করার জন্য। এরপর সেটআপ হার্ডডিস্কে উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ইনস্টলেশন খুঁজে দেখবে। পূর্ববর্তী ইনস্টলেশন খুঁজে পেলে আপনি দ্বিতীয় এক্সপি সেটআপ স্ক্রিন পাবেন, যা চিত্র-১-এ দেখানো হয়েছে।
এই স্ক্রিনে আপনাকে প্রম্পট করা হবে R চাপার জন্য যা সিলেক্ট করা ইনস্টলেশনকে রিপেয়ার করবে। অথবা ESC কী চাপতে হবে উইন্ডোজের নতুন কপি ইনস্টল করার জন্য। এক্ষেত্রে রিপেয়ার অপারেশনের উদ্যোগ ইন-প্লেস আপগ্রেডের সমার্থক। সুতরাং আপনাকে R চাপতে হবে। এ কাজটি করলে Setup সিস্টেমের ডিস্ক ড্রাইভ পরীক্ষা করবে। এরপর শুরু করবে ইন-প্লেস আপগ্রেডের কাজ।
লক্ষণীয়, ইন-প্লেস আপগ্রেড বা রিপেয়ার ইনস্টলেশন কার্যকর করার পর আপনাকে অবশ্যই উইন্ডোজের সব আপডেট রিইনস্টল করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

গ্রাফিক্স,সাউন্ড ড্রাইভার, প্রিন্টার্স, মোডেম, ইথারনেট, সাউন্ড, ইউএসবি, কীবোর্ড,সহ সকল ব্র্যান্ডের ড্রাইভার ডাউনলোড সাইটের তালিকা দিলাম(যারা জানেন না শুধু তাদের জন্য)

আমরা যারা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যাবহার করি প্রতিনীয়ত আমাদের কোন না কোন ড্রাইভার হয়ত থাকেনা বা থাকলে ও সেটা মেসিং বা সঠিক ভাবে কাজ করেনা
এবং অনেকের থাকেই না, তখন আমরা নেটে বা ভিবিন্ন জনের কাছে সেটা খুজতে খুজতে হয়রান হয়ে যাই, বা সঠিক ব্র্যান্ড অথবা মডেলের পাইনা, তাই আমি
আপনাদের জন্য সব ব্রান্ডের এবং সব ড্রাইভার এর কিছু ওয়েভ সাইট সংগ্রহ করে দিলাম আশা করি অনেকে উপকৃত হবেন লিংক গুল থেকে আপনার ব্র্যান্ড এবং
মডেল দেখে ডাউনলোড করতে পারবেন
List Of 30 Driver Sites:
1. http://www.errorforum.com/driver-downloads/
2. http://drivers.softpedia.com
3. http://www.driverguide.com
4. http://www.driverzone.com
5. http://www.opendrivers.com
6. http://www.totallydrivers.com
7. http://www.windrivers.com/
Video/graphics drivers:
1. http://www.errorforum.com/driver-downloads/
2. http://www.nvidia.com/content/drivers/drivers.asp
3. http://www.ageia.com/products/drivers.html
4. http://www.ati.com/support/driver.html
5. http://www.tv-cards.com/drivers.php
6. http://www.microsoft.com/windows/directx/default.aspx
Sound Drivers:
1. http://us.creative.com/support/downloads/
2. http://www.hp.com/country/us/en/support.html
3. http://www.xfxforce.com/web/support/drivers.jspa
4. http://support.asus.com/faq/faq.aspx
5. http://support.dlink.com/downloads/
6. http://www.lge.com/support/software.jsp
7. http://www.usa.canon.com/consumer/controll…ownloadIndexAct
8. http://support.lexmark.com/cgi-perl/select…cs=37:1:0:0:0:0
9. http://www.chaintechusa.com/tw/eng/Download/
10. http://www.msi.com.tw/program/support/driv…pt_dvr_list.php
11. http://www.biostar-usa.com/downloadmain.asp
12. http://www.razerpro.com/index.php?option=c…3&Itemid=27
13. http://www.abit-usa.com/downloads/
14. http://www.epson.ca/cgi-bin/ceStore/suppor…UseBVCookie=yes
15. http://www.machspeed.com/products.htm
16. http://www.linksys.com/servlet/Satellite?c…FVisitorWrapper
17. http://www.linksys.com/
এই লিখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে এই ব্লগে www.amarbhoban.tk
আল্লাহ্ হাফিজ

Windows 7 and Windows 8 ডুয়াল বুটিং

আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম দারুণ এক পোস্ট। কিছুদিন আগে বাজারে এসেছে Windows 8. ইতোমধ্যে আমরা অনেকেই Windows 8 ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছি।তারপরও Windows 7 ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।তখন অগত্যা Windows 8 ফেলে দিয়ে আবার Windows 7 ইনস্টল দিতে হয়।এই ঝামেলা থেকে আপনাদের মুক্তি দিতে নিয়ে এসেছি কিভাবে দুটি উইন্ডোজ একই কম্পিউটারে ব্যবহার করবেন।
যা যা প্রয়োজনঃ
*১GHz প্রসেসর
*১জিবি র‌্যাম
*২০জিবি হার্ডডিস্ক।
প্রথম ধাপঃ Windows 8 এর জন্য নতুন ভলিউম/ড্রাইভ তৈরি করা
Start menu>right-click Computer> Manage> Disk Management
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো হাজির হবে।
Screenshot_3
এরপর Right Click Hard Disk>Shrink Volume
Screenshot_1
কিছুক্ষণের মধ্যে নিচের চিত্রের মত Shrink Volume একটি উইন্ডো হাজির হবে।
Screenshot_2
এখানেEnter the amount of space to shrink  in MB এর পরিমাণ ২০৪৮০MB বা ২০GB এর বেশি হতে হবে।
এরপর shrink এ ক্লিক করুন। এখন দেখুন একটি ড্রাইভ unallocated দেখাচ্ছে।
Screenshot_4
unallocated এর উপর Right Click >New Simple Volume>next>next
এরপর নিচের চিত্রের মত আসবে।
Screenshot_6
এখানে New label পরিবর্তন করে Windows 8 দিতে পারেন। এরপরNext> Finish এ ক্লিক করে ফরম্যাট করুন।ব্যস হয়ে গেল Windows 8 সেটআপ দেওয়ার জন্য নতুন ড্রাইভ।
দ্বিতীয় ধাপঃ
এবার কম্পিউটারে Windows 8 এর DVD প্রবেশ করান এবং Computer Restart দিন। এরপর DVD বুট করান এবং  নতুন Windows 8 ড্রাইভে Windows 8 ইনস্টল দিন।ইনস্টলেশন শেষ হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিবে এবং নিচের চিত্র দেখতে পাবেন।
Screenshot_8
এখন আপনার ইচ্ছামত Windows 7 বা Windows 8 ব্যবহার করুন।
বিঃদ্রঃ যারা উইন্ডোজ ইনস্টল দিতে পারেন এই পোস্ট তাদের জন্য প্রযোজ্য।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More